নোবিপ্রবির মেগাপ্রকল্প সেনাবাহিনীকে দেওয়ার দাবি শিবিরের

নোবিপ্রবির মেগাপ্রকল্প সেনাবাহিনীকে দেওয়ার দাবি শিবিরের
নোবিপ্রবি সংবাদদাতা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ৩৩৪ কোটি টাকার মেগাপ্রকল্পের বাস্তবায়ননের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবি নোবিপ্রবি শাখা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ২:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-১, একাডেমিক-২, প্রশাসনিক ভবন ও শান্তিনিকেতন এলাকার সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষর নিতে দেখা যায়। ক্লাস শেষে দলবেঁধে অনেক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছাত্রীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।
গণস্বাক্ষরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবকাঠামোগত সংকট, বিশেষ করে শ্রেণিকক্ষের অভাব নিরসনে মেগাপ্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। এ কারণে তারা প্রকল্পটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
ছাত্রশিবিরের নোবিপ্রবি শাখার সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ক্লাসরুম সংকট শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে আছে। একাডেমিক ভবন-৩ দ্রুত নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কাজ দ্রুত, মানসম্মত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত দাবি নয়; বরং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি যৌক্তিক দাবি। শিক্ষার্থীদের মতামত সুশৃঙ্খলভাবে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতেই গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের নেতারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা একই দাবি উত্থাপন করেছিলেন। এ সময় ‘১, ২, ৩, ৪, সেনাবাহিনী হবে ঠিকাদার’ স্লোগানও দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩৩৪ কোটি টাকার এ মেগাপ্রকল্পের আওতায় একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণে ১৫২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ১১৭ কোটি টাকা, স্কুল ও কলেজ নির্মাণে ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ক্যাম্পাসের আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ সংযোগে ৬ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন, সাব-স্টেশন স্থাপন, লিফট সংযোজন ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজও এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে মেগাপ্রকল্পের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ৩৩৪ কোটি টাকার মেগাপ্রকল্পের বাস্তবায়ননের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবি নোবিপ্রবি শাখা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ২:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-১, একাডেমিক-২, প্রশাসনিক ভবন ও শান্তিনিকেতন এলাকার সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষর নিতে দেখা যায়। ক্লাস শেষে দলবেঁধে অনেক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছাত্রীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।
গণস্বাক্ষরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবকাঠামোগত সংকট, বিশেষ করে শ্রেণিকক্ষের অভাব নিরসনে মেগাপ্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। এ কারণে তারা প্রকল্পটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
ছাত্রশিবিরের নোবিপ্রবি শাখার সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ক্লাসরুম সংকট শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে আছে। একাডেমিক ভবন-৩ দ্রুত নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কাজ দ্রুত, মানসম্মত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত দাবি নয়; বরং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি যৌক্তিক দাবি। শিক্ষার্থীদের মতামত সুশৃঙ্খলভাবে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতেই গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের নেতারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা একই দাবি উত্থাপন করেছিলেন। এ সময় ‘১, ২, ৩, ৪, সেনাবাহিনী হবে ঠিকাদার’ স্লোগানও দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩৩৪ কোটি টাকার এ মেগাপ্রকল্পের আওতায় একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণে ১৫২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ১১৭ কোটি টাকা, স্কুল ও কলেজ নির্মাণে ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ক্যাম্পাসের আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ সংযোগে ৬ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন, সাব-স্টেশন স্থাপন, লিফট সংযোজন ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজও এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে মেগাপ্রকল্পের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

নোবিপ্রবির মেগাপ্রকল্প সেনাবাহিনীকে দেওয়ার দাবি শিবিরের
নোবিপ্রবি সংবাদদাতা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ৩৩৪ কোটি টাকার মেগাপ্রকল্পের বাস্তবায়ননের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবি নোবিপ্রবি শাখা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ২:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-১, একাডেমিক-২, প্রশাসনিক ভবন ও শান্তিনিকেতন এলাকার সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষর নিতে দেখা যায়। ক্লাস শেষে দলবেঁধে অনেক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছাত্রীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।
গণস্বাক্ষরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবকাঠামোগত সংকট, বিশেষ করে শ্রেণিকক্ষের অভাব নিরসনে মেগাপ্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। এ কারণে তারা প্রকল্পটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
ছাত্রশিবিরের নোবিপ্রবি শাখার সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ক্লাসরুম সংকট শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে আছে। একাডেমিক ভবন-৩ দ্রুত নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কাজ দ্রুত, মানসম্মত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত দাবি নয়; বরং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি যৌক্তিক দাবি। শিক্ষার্থীদের মতামত সুশৃঙ্খলভাবে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতেই গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের নেতারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা একই দাবি উত্থাপন করেছিলেন। এ সময় ‘১, ২, ৩, ৪, সেনাবাহিনী হবে ঠিকাদার’ স্লোগানও দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩৩৪ কোটি টাকার এ মেগাপ্রকল্পের আওতায় একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণে ১৫২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ১১৭ কোটি টাকা, স্কুল ও কলেজ নির্মাণে ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ক্যাম্পাসের আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ সংযোগে ৬ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন, সাব-স্টেশন স্থাপন, লিফট সংযোজন ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজও এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে মেগাপ্রকল্পের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।




