‘জনাব তারেক রহমান আমাদের সেফটি কার্ড কোথায়?’
জাবি প্রতিনিধি

‘জনাব তারেক রহমান আমাদের সেফটি কার্ড কোথায়?’
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৬: ৫১

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ইসলামী ছাত্রীসংস্থার নেতাকর্মীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডসহ সারাদেশে নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ‘ধর্ষকের ঠিকানা এই জমিনে হবে না’, ‘রামিসা হত্যার বিচার চাই’, ‘জনাব তারেক রহমান আমাদের SAFETY CARD কোথায়?’ ইত্যাদি স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
মানববন্ধনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) কার্যকরী সদস্য ফাবলিহা জামান বলেন, ‘আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি, একটি নিরাপদ দেশের দাবিতে। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে নারী ও শিশুরা ভয় ছাড়া চলাফেরা করতে পারবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ দেশের প্রতিটি জায়গায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছোট্ট শিশু রামিসার ওপর যে নির্মম হামলা হয়েছে–এগুলো শুধু একটি ঘটনার নাম নয়, বরং এটি দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলার প্রতিচ্ছবি। একইভাবে নিষ্পাপ শিশুদের ওপরও ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, অথচ আমরা কার্যকর বিচার দেখতে পাচ্ছি না।’
তিনি আরও বলেন, আমরা তো দেখতে পাচ্ছি, জনাব তারেক রহমান বিভিন্ন ধরনের কার্ড বিতরণ করছেন। কিন্তু আমরা আমাদের, আমাদের বোনদের নিরাপত্তা চাই, তিনি কি আমাদের জন্য নিরাপত্তা কার্ড চালু করবেন?
আফরোজা নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আজ আমি বলতে চাই, নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। প্রতিদিন এমন ঘটনা আমাদের সমাজ ও মানবতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আজ একটি শিশু, একটি বোন, একটি মা কেউই যেন নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখানে শুধু প্রতিবাদ করতে আসিনি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীরা কখনো অন্যায়ের সামনে নীরব থাকবে না। আমরা প্রতিশোধ নয়, সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে নারী সম্মানের সঙ্গে বাঁচবে, শিশুরা নিরাপদে বেড়ে উঠবে এবং সবাই মানবিক সমাজে বসবাস করতে পারবে।’
ইসলামী ছাত্রীসংস্থা জাবি শাখার সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি বলেন, ‘সম্প্রতি শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং বনশ্রীতে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, আজ দেশের নারী ও শিশুরা নিরাপদ নয়। আমরা বারবার দেখছি ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, কিন্তু বিচারহীনতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তনু হত্যা, পূজা হত্যা কিংবা অন্যান্য বহু ঘটনার বিচার বছরের পর বছর ঝুলে আছে। ফলে সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একইভাবে আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। বহিরাগতদের অবাধ চলাচল ও দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমরা আর কোনো রামিসা, তনু বা পূজার লাশ দেখতে চাই না।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ইসলামী ছাত্রীসংস্থার নেতাকর্মীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডসহ সারাদেশে নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ‘ধর্ষকের ঠিকানা এই জমিনে হবে না’, ‘রামিসা হত্যার বিচার চাই’, ‘জনাব তারেক রহমান আমাদের SAFETY CARD কোথায়?’ ইত্যাদি স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
মানববন্ধনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) কার্যকরী সদস্য ফাবলিহা জামান বলেন, ‘আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি, একটি নিরাপদ দেশের দাবিতে। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে নারী ও শিশুরা ভয় ছাড়া চলাফেরা করতে পারবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ দেশের প্রতিটি জায়গায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছোট্ট শিশু রামিসার ওপর যে নির্মম হামলা হয়েছে–এগুলো শুধু একটি ঘটনার নাম নয়, বরং এটি দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলার প্রতিচ্ছবি। একইভাবে নিষ্পাপ শিশুদের ওপরও ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, অথচ আমরা কার্যকর বিচার দেখতে পাচ্ছি না।’
তিনি আরও বলেন, আমরা তো দেখতে পাচ্ছি, জনাব তারেক রহমান বিভিন্ন ধরনের কার্ড বিতরণ করছেন। কিন্তু আমরা আমাদের, আমাদের বোনদের নিরাপত্তা চাই, তিনি কি আমাদের জন্য নিরাপত্তা কার্ড চালু করবেন?
আফরোজা নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আজ আমি বলতে চাই, নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। প্রতিদিন এমন ঘটনা আমাদের সমাজ ও মানবতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আজ একটি শিশু, একটি বোন, একটি মা কেউই যেন নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখানে শুধু প্রতিবাদ করতে আসিনি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীরা কখনো অন্যায়ের সামনে নীরব থাকবে না। আমরা প্রতিশোধ নয়, সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে নারী সম্মানের সঙ্গে বাঁচবে, শিশুরা নিরাপদে বেড়ে উঠবে এবং সবাই মানবিক সমাজে বসবাস করতে পারবে।’
ইসলামী ছাত্রীসংস্থা জাবি শাখার সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি বলেন, ‘সম্প্রতি শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং বনশ্রীতে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, আজ দেশের নারী ও শিশুরা নিরাপদ নয়। আমরা বারবার দেখছি ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, কিন্তু বিচারহীনতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তনু হত্যা, পূজা হত্যা কিংবা অন্যান্য বহু ঘটনার বিচার বছরের পর বছর ঝুলে আছে। ফলে সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একইভাবে আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। বহিরাগতদের অবাধ চলাচল ও দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমরা আর কোনো রামিসা, তনু বা পূজার লাশ দেখতে চাই না।’

‘জনাব তারেক রহমান আমাদের সেফটি কার্ড কোথায়?’
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৬: ৫১

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ইসলামী ছাত্রীসংস্থার নেতাকর্মীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডসহ সারাদেশে নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ‘ধর্ষকের ঠিকানা এই জমিনে হবে না’, ‘রামিসা হত্যার বিচার চাই’, ‘জনাব তারেক রহমান আমাদের SAFETY CARD কোথায়?’ ইত্যাদি স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
মানববন্ধনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) কার্যকরী সদস্য ফাবলিহা জামান বলেন, ‘আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি, একটি নিরাপদ দেশের দাবিতে। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে নারী ও শিশুরা ভয় ছাড়া চলাফেরা করতে পারবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ দেশের প্রতিটি জায়গায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছোট্ট শিশু রামিসার ওপর যে নির্মম হামলা হয়েছে–এগুলো শুধু একটি ঘটনার নাম নয়, বরং এটি দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলার প্রতিচ্ছবি। একইভাবে নিষ্পাপ শিশুদের ওপরও ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, অথচ আমরা কার্যকর বিচার দেখতে পাচ্ছি না।’
তিনি আরও বলেন, আমরা তো দেখতে পাচ্ছি, জনাব তারেক রহমান বিভিন্ন ধরনের কার্ড বিতরণ করছেন। কিন্তু আমরা আমাদের, আমাদের বোনদের নিরাপত্তা চাই, তিনি কি আমাদের জন্য নিরাপত্তা কার্ড চালু করবেন?
আফরোজা নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আজ আমি বলতে চাই, নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। প্রতিদিন এমন ঘটনা আমাদের সমাজ ও মানবতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আজ একটি শিশু, একটি বোন, একটি মা কেউই যেন নিরাপদ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখানে শুধু প্রতিবাদ করতে আসিনি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীরা কখনো অন্যায়ের সামনে নীরব থাকবে না। আমরা প্রতিশোধ নয়, সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে নারী সম্মানের সঙ্গে বাঁচবে, শিশুরা নিরাপদে বেড়ে উঠবে এবং সবাই মানবিক সমাজে বসবাস করতে পারবে।’
ইসলামী ছাত্রীসংস্থা জাবি শাখার সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি বলেন, ‘সম্প্রতি শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং বনশ্রীতে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, আজ দেশের নারী ও শিশুরা নিরাপদ নয়। আমরা বারবার দেখছি ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, কিন্তু বিচারহীনতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তনু হত্যা, পূজা হত্যা কিংবা অন্যান্য বহু ঘটনার বিচার বছরের পর বছর ঝুলে আছে। ফলে সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একইভাবে আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। বহিরাগতদের অবাধ চলাচল ও দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমরা আর কোনো রামিসা, তনু বা পূজার লাশ দেখতে চাই না।’
/এফআর/

অভিযুক্তকে ধরতে ৫০ হাজার টাকা পুরষ্কার ঘোষণা জাবি প্রশাসনের


