তিতুমীর ক্যাম্পাসে লাল আভা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা

তিতুমীর ক্যাম্পাসে লাল আভা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২১: ৪৮

আকাশে জ্যৈষ্ঠ্যের গনগনে সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে, কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে এসেছে তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে।
১১ একরের ছোট সবুজ ক্যাম্পাস জুড়ে বেশ কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ চেখে পরে। ক্যাম্পাসের রবীন্দ্র-নজরুল মঞ্চ ও শহিদ মিনারের কোলঘেঁষে আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটি সবার নজর কেড়ে নেয়। রক্তলাল গাছটি যেন ধারণ করেছে জগতের সব সৌন্দর্য।
ক্যাম্পাসের ২য় বিজ্ঞান ভবনের সামনে ক্যাম্পাসের একমাত্র খেলার মাঠের কোনে দেখা মিলে আরো দুটি কৃষ্ণচূড়া গাছের, যা ক্যামপাসের ঔ আঙিনা সাজিয়ে নিয়েছে নিজের মতো করে। যার শুভ্রতা ছড়িয়ে গেছে ক্যান্টির থেকে মাঠ, মাঠ থেকে পুরো ক্যাম্পাস।

ক্যাম্পাসের বেলায়েত চত্বরেও দেখা মিল একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের। ক্যাম্পাসের যেই জায়গা গুলোতে সব থেকে বেশি আড্ডা দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের, বেলায়েত চত্বর তার মধ্যে একটি। বেলায়েত চত্বরের কৃষ্ণচূড়া গাছটি যেন শিক্ষার্থীদের আড্ডায় এক নতুন মাত্র যোগ করেছে।
এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নয়ন অভিশাপ মুগ্ধ করা সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আরো কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ।
কুড়ি পাওয়া কৃষ্ণচূড়া নারী শিক্ষার্থীরা তাদের কানে গুঁজে নিচ্ছেন। ছেলেরা হাতের মুঠো ভরে কৃষ্ণচূড়া কুড়িয়ে দিচ্ছে প্রিয়তমাকে। গুঁজে দিচ্ছে তার কানে। এভাবেই ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ছে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে।
হালকা বাতাসে যখন কৃষ্ণচূড়ার ডালগুলো দোল খায়, তখন হৃদয়ও দোলা দিয়ে যায়। কৃষ্ণচূড়ার ঝরে পড়া পাপড়িতে সবুজ ঘাসের ওপর সৃষ্ট রক্তলাল পুষ্পশয্যায় চোখ জুড়িয়ে যায়।

এজন্যই হয়ত কবিগুরু লিখেছিলেন,
‘গন্ধে উদাস হওয়ার মতো উড়ে,
তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জুরি’
কৃষ্ণচূড়ার ইংরেজি নাম ফ্লেম ট্রি। কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি ফাবাসিয়ি পরিবারের অন্তর্গত। অনেকে এর ফলকে গুলমোহর নামেও ডাকেন। এ গাছ মধ্যম থেকে লম্বা গড়নের, মাথা ছড়ানো হয়ে থাকে কমলা অথবা লাল রঙের আকর্ষণীয় ফুল। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত উষ্ণ বা প্রায়-উষ্ণ আবহাওয়ায় ভালো জন্মায় এবং শুষ্ক ও লবণাক্ত পরিবেশও সহ্য করতে পারে।
কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মরিসাসে, পরে ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর বিস্তার ঘটে। আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে এখন দেখা মিলছে কৃষ্ণচূড়ার। বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন মাসে এই ফুল ফোটে। তবে বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময় ভিন্ন।

আকাশে জ্যৈষ্ঠ্যের গনগনে সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে, কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে এসেছে তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে।
১১ একরের ছোট সবুজ ক্যাম্পাস জুড়ে বেশ কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ চেখে পরে। ক্যাম্পাসের রবীন্দ্র-নজরুল মঞ্চ ও শহিদ মিনারের কোলঘেঁষে আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটি সবার নজর কেড়ে নেয়। রক্তলাল গাছটি যেন ধারণ করেছে জগতের সব সৌন্দর্য।
ক্যাম্পাসের ২য় বিজ্ঞান ভবনের সামনে ক্যাম্পাসের একমাত্র খেলার মাঠের কোনে দেখা মিলে আরো দুটি কৃষ্ণচূড়া গাছের, যা ক্যামপাসের ঔ আঙিনা সাজিয়ে নিয়েছে নিজের মতো করে। যার শুভ্রতা ছড়িয়ে গেছে ক্যান্টির থেকে মাঠ, মাঠ থেকে পুরো ক্যাম্পাস।

ক্যাম্পাসের বেলায়েত চত্বরেও দেখা মিল একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের। ক্যাম্পাসের যেই জায়গা গুলোতে সব থেকে বেশি আড্ডা দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের, বেলায়েত চত্বর তার মধ্যে একটি। বেলায়েত চত্বরের কৃষ্ণচূড়া গাছটি যেন শিক্ষার্থীদের আড্ডায় এক নতুন মাত্র যোগ করেছে।
এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নয়ন অভিশাপ মুগ্ধ করা সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আরো কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ।
কুড়ি পাওয়া কৃষ্ণচূড়া নারী শিক্ষার্থীরা তাদের কানে গুঁজে নিচ্ছেন। ছেলেরা হাতের মুঠো ভরে কৃষ্ণচূড়া কুড়িয়ে দিচ্ছে প্রিয়তমাকে। গুঁজে দিচ্ছে তার কানে। এভাবেই ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ছে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে।
হালকা বাতাসে যখন কৃষ্ণচূড়ার ডালগুলো দোল খায়, তখন হৃদয়ও দোলা দিয়ে যায়। কৃষ্ণচূড়ার ঝরে পড়া পাপড়িতে সবুজ ঘাসের ওপর সৃষ্ট রক্তলাল পুষ্পশয্যায় চোখ জুড়িয়ে যায়।

এজন্যই হয়ত কবিগুরু লিখেছিলেন,
‘গন্ধে উদাস হওয়ার মতো উড়ে,
তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জুরি’
কৃষ্ণচূড়ার ইংরেজি নাম ফ্লেম ট্রি। কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি ফাবাসিয়ি পরিবারের অন্তর্গত। অনেকে এর ফলকে গুলমোহর নামেও ডাকেন। এ গাছ মধ্যম থেকে লম্বা গড়নের, মাথা ছড়ানো হয়ে থাকে কমলা অথবা লাল রঙের আকর্ষণীয় ফুল। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত উষ্ণ বা প্রায়-উষ্ণ আবহাওয়ায় ভালো জন্মায় এবং শুষ্ক ও লবণাক্ত পরিবেশও সহ্য করতে পারে।
কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মরিসাসে, পরে ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর বিস্তার ঘটে। আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে এখন দেখা মিলছে কৃষ্ণচূড়ার। বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন মাসে এই ফুল ফোটে। তবে বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময় ভিন্ন।

তিতুমীর ক্যাম্পাসে লাল আভা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২১: ৪৮

আকাশে জ্যৈষ্ঠ্যের গনগনে সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে, কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে এসেছে তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে।
১১ একরের ছোট সবুজ ক্যাম্পাস জুড়ে বেশ কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ চেখে পরে। ক্যাম্পাসের রবীন্দ্র-নজরুল মঞ্চ ও শহিদ মিনারের কোলঘেঁষে আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটি সবার নজর কেড়ে নেয়। রক্তলাল গাছটি যেন ধারণ করেছে জগতের সব সৌন্দর্য।
ক্যাম্পাসের ২য় বিজ্ঞান ভবনের সামনে ক্যাম্পাসের একমাত্র খেলার মাঠের কোনে দেখা মিলে আরো দুটি কৃষ্ণচূড়া গাছের, যা ক্যামপাসের ঔ আঙিনা সাজিয়ে নিয়েছে নিজের মতো করে। যার শুভ্রতা ছড়িয়ে গেছে ক্যান্টির থেকে মাঠ, মাঠ থেকে পুরো ক্যাম্পাস।

ক্যাম্পাসের বেলায়েত চত্বরেও দেখা মিল একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের। ক্যাম্পাসের যেই জায়গা গুলোতে সব থেকে বেশি আড্ডা দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের, বেলায়েত চত্বর তার মধ্যে একটি। বেলায়েত চত্বরের কৃষ্ণচূড়া গাছটি যেন শিক্ষার্থীদের আড্ডায় এক নতুন মাত্র যোগ করেছে।
এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নয়ন অভিশাপ মুগ্ধ করা সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আরো কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ।
কুড়ি পাওয়া কৃষ্ণচূড়া নারী শিক্ষার্থীরা তাদের কানে গুঁজে নিচ্ছেন। ছেলেরা হাতের মুঠো ভরে কৃষ্ণচূড়া কুড়িয়ে দিচ্ছে প্রিয়তমাকে। গুঁজে দিচ্ছে তার কানে। এভাবেই ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ছে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে।
হালকা বাতাসে যখন কৃষ্ণচূড়ার ডালগুলো দোল খায়, তখন হৃদয়ও দোলা দিয়ে যায়। কৃষ্ণচূড়ার ঝরে পড়া পাপড়িতে সবুজ ঘাসের ওপর সৃষ্ট রক্তলাল পুষ্পশয্যায় চোখ জুড়িয়ে যায়।

এজন্যই হয়ত কবিগুরু লিখেছিলেন,
‘গন্ধে উদাস হওয়ার মতো উড়ে,
তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জুরি’
কৃষ্ণচূড়ার ইংরেজি নাম ফ্লেম ট্রি। কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি ফাবাসিয়ি পরিবারের অন্তর্গত। অনেকে এর ফলকে গুলমোহর নামেও ডাকেন। এ গাছ মধ্যম থেকে লম্বা গড়নের, মাথা ছড়ানো হয়ে থাকে কমলা অথবা লাল রঙের আকর্ষণীয় ফুল। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত উষ্ণ বা প্রায়-উষ্ণ আবহাওয়ায় ভালো জন্মায় এবং শুষ্ক ও লবণাক্ত পরিবেশও সহ্য করতে পারে।
কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মরিসাসে, পরে ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর বিস্তার ঘটে। আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে এখন দেখা মিলছে কৃষ্ণচূড়ার। বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন মাসে এই ফুল ফোটে। তবে বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময় ভিন্ন।
/এমআর/




