জবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ১০

জবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ১০
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন জকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ, সময়ের আলোর প্রতিনিধি মুশফিকুর রহমান, কালের কণ্ঠের জুনায়েদ, বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর মাহির মিলন, যায়যায়দিন-এর মিজান মাসুদ, বাসস প্রতিনিধি নাজিদ হাসান এবং ছাত্রদল মনোনীত জকসু কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী আরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন। আহতদের রাজধানীর ন্যাশনাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ করেই সাংবাদিক সমিতির বিদ্রোহী সদস্যরা অবকাশ ভবনের সাংবাদিক সমিতির কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ উঠেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সাংবাদিক সমিতির বিদ্রোহী সদস্যদের নিয়ে কার্যালয়ে হামলা ও দখলের চেষ্টা চালান। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রায়হান রাব্বি বলেন, আমরা তখন বৃত্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে ছিলাম। সাংবাদিক সমিতির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা হলে বিষয়টি ভিসি স্যারকে জানাই। পরে প্রশাসন সবাইকে নিচে নামায়। এখন অযথা আমাদের জড়িয়ে পোস্ট করা হচ্ছে। আমাদের আন্দোলন শুধু বৃত্তি নিয়েই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, আমরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। অবকাশ ভবনে তালা দেওয়া হয়েছে। সবার সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন জকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ, সময়ের আলোর প্রতিনিধি মুশফিকুর রহমান, কালের কণ্ঠের জুনায়েদ, বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর মাহির মিলন, যায়যায়দিন-এর মিজান মাসুদ, বাসস প্রতিনিধি নাজিদ হাসান এবং ছাত্রদল মনোনীত জকসু কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী আরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন। আহতদের রাজধানীর ন্যাশনাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ করেই সাংবাদিক সমিতির বিদ্রোহী সদস্যরা অবকাশ ভবনের সাংবাদিক সমিতির কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ উঠেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সাংবাদিক সমিতির বিদ্রোহী সদস্যদের নিয়ে কার্যালয়ে হামলা ও দখলের চেষ্টা চালান। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রায়হান রাব্বি বলেন, আমরা তখন বৃত্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে ছিলাম। সাংবাদিক সমিতির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা হলে বিষয়টি ভিসি স্যারকে জানাই। পরে প্রশাসন সবাইকে নিচে নামায়। এখন অযথা আমাদের জড়িয়ে পোস্ট করা হচ্ছে। আমাদের আন্দোলন শুধু বৃত্তি নিয়েই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, আমরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। অবকাশ ভবনে তালা দেওয়া হয়েছে। সবার সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

জবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ১০
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন জকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ, সময়ের আলোর প্রতিনিধি মুশফিকুর রহমান, কালের কণ্ঠের জুনায়েদ, বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর মাহির মিলন, যায়যায়দিন-এর মিজান মাসুদ, বাসস প্রতিনিধি নাজিদ হাসান এবং ছাত্রদল মনোনীত জকসু কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী আরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন। আহতদের রাজধানীর ন্যাশনাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ করেই সাংবাদিক সমিতির বিদ্রোহী সদস্যরা অবকাশ ভবনের সাংবাদিক সমিতির কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ উঠেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সাংবাদিক সমিতির বিদ্রোহী সদস্যদের নিয়ে কার্যালয়ে হামলা ও দখলের চেষ্টা চালান। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রায়হান রাব্বি বলেন, আমরা তখন বৃত্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে ছিলাম। সাংবাদিক সমিতির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা হলে বিষয়টি ভিসি স্যারকে জানাই। পরে প্রশাসন সবাইকে নিচে নামায়। এখন অযথা আমাদের জড়িয়ে পোস্ট করা হচ্ছে। আমাদের আন্দোলন শুধু বৃত্তি নিয়েই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, আমরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। অবকাশ ভবনে তালা দেওয়া হয়েছে। সবার সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
