গৌরবের ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

গৌরবের ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাবি সংবাদদাতা

আজ ১ জুলাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অর্থাৎ ১০৬ বছরে পদার্পন করেছ বিশ্ববিদ্যালয়টি। ১৯২১ সালের আজকের এই দিনে ঔপনিবেশিক শাসনামলে পূর্ববঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের উচ্চশিক্ষার দাবির প্রেক্ষাপটে ঢাকার রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে অবিচ্ছেদ্য নাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল লর্ড লিটন এটিকে ‘স্প্লেনডিড ইম্পিরিয়াল কমপেনসেশন’ বা ‘বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাম্রাজ্যের এক অনন্য উপহার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
মাত্র তিনটি আবাসিক হল, বিজ্ঞান, কলা ও আইন-এই তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের সংখ্যা ১৩ আর বিভাগের সংখ্যা ৮৪। এছাড়া রয়েছে ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৭টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ১৯টি আবাসিক হল এবং ৪টি হোস্টেল। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭ হাজারেরও বেশি। পাশাপাশি রয়েছে ২ হাজারের বেশি শিক্ষক, ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা এবং প্রায় ৩ হাজার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
বাঙালি মধ্যবিত্তের বিকাশ, শিক্ষিত জাতি গঠন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান; দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব ও প্রেরণার উত্স হিসেবে ভূমিকা রেখে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এটি আজ দেশের প্রধান জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০৫ বছর অতিক্রম করলেও অপ্রতুল বাজেট, সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকটের মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলছে। আবাসন সংকটে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা, পুরোনো শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারে চলছে পাঠদান ও গবেষণা। শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সেবাও এখনো আধুনিকায়ন হয়নি।
‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। সেখান থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটা হবে। এ সময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশিত হবে।
এছাড়া সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়ন এবং অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আজ ১ জুলাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অর্থাৎ ১০৬ বছরে পদার্পন করেছ বিশ্ববিদ্যালয়টি। ১৯২১ সালের আজকের এই দিনে ঔপনিবেশিক শাসনামলে পূর্ববঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের উচ্চশিক্ষার দাবির প্রেক্ষাপটে ঢাকার রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে অবিচ্ছেদ্য নাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল লর্ড লিটন এটিকে ‘স্প্লেনডিড ইম্পিরিয়াল কমপেনসেশন’ বা ‘বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাম্রাজ্যের এক অনন্য উপহার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
মাত্র তিনটি আবাসিক হল, বিজ্ঞান, কলা ও আইন-এই তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের সংখ্যা ১৩ আর বিভাগের সংখ্যা ৮৪। এছাড়া রয়েছে ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৭টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ১৯টি আবাসিক হল এবং ৪টি হোস্টেল। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭ হাজারেরও বেশি। পাশাপাশি রয়েছে ২ হাজারের বেশি শিক্ষক, ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা এবং প্রায় ৩ হাজার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
বাঙালি মধ্যবিত্তের বিকাশ, শিক্ষিত জাতি গঠন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান; দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব ও প্রেরণার উত্স হিসেবে ভূমিকা রেখে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এটি আজ দেশের প্রধান জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০৫ বছর অতিক্রম করলেও অপ্রতুল বাজেট, সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকটের মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলছে। আবাসন সংকটে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা, পুরোনো শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারে চলছে পাঠদান ও গবেষণা। শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সেবাও এখনো আধুনিকায়ন হয়নি।
‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। সেখান থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটা হবে। এ সময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশিত হবে।
এছাড়া সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়ন এবং অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

গৌরবের ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাবি সংবাদদাতা

আজ ১ জুলাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অর্থাৎ ১০৬ বছরে পদার্পন করেছ বিশ্ববিদ্যালয়টি। ১৯২১ সালের আজকের এই দিনে ঔপনিবেশিক শাসনামলে পূর্ববঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের উচ্চশিক্ষার দাবির প্রেক্ষাপটে ঢাকার রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে অবিচ্ছেদ্য নাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল লর্ড লিটন এটিকে ‘স্প্লেনডিড ইম্পিরিয়াল কমপেনসেশন’ বা ‘বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাম্রাজ্যের এক অনন্য উপহার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
মাত্র তিনটি আবাসিক হল, বিজ্ঞান, কলা ও আইন-এই তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের সংখ্যা ১৩ আর বিভাগের সংখ্যা ৮৪। এছাড়া রয়েছে ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৭টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ১৯টি আবাসিক হল এবং ৪টি হোস্টেল। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭ হাজারেরও বেশি। পাশাপাশি রয়েছে ২ হাজারের বেশি শিক্ষক, ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা এবং প্রায় ৩ হাজার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
বাঙালি মধ্যবিত্তের বিকাশ, শিক্ষিত জাতি গঠন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান; দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব ও প্রেরণার উত্স হিসেবে ভূমিকা রেখে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এটি আজ দেশের প্রধান জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০৫ বছর অতিক্রম করলেও অপ্রতুল বাজেট, সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকটের মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলছে। আবাসন সংকটে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা, পুরোনো শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারে চলছে পাঠদান ও গবেষণা। শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সেবাও এখনো আধুনিকায়ন হয়নি।
‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। সেখান থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটা হবে। এ সময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশিত হবে।
এছাড়া সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়ন এবং অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

এক লাফে ৬০০ ধাপ এগিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্বসেরা র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ বিভাগ


