জবিতে হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে ডাকসু নেতারা

জবিতে হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে ডাকসু নেতারা
ঢাবি সংবাদদাতা

ছাত্রদলের হামলায় আহত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) নেতাদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ও ডাকসু নেতারা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ১০টায় আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন ডাকসু নেতারা। এসময় চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে অবগত হন।
এ সময় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কোনো মতভিন্নতার কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জ্ঞানচর্চা, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার স্থান। সেখানে সহিংসতার রাজনীতি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করে। আমরা আহত শিক্ষার্থীদের পাশে আছি এবং তাদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আহত জকসু নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ছাত্রদলের হামলায় আহত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) নেতাদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ও ডাকসু নেতারা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ১০টায় আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন ডাকসু নেতারা। এসময় চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে অবগত হন।
এ সময় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কোনো মতভিন্নতার কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জ্ঞানচর্চা, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার স্থান। সেখানে সহিংসতার রাজনীতি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করে। আমরা আহত শিক্ষার্থীদের পাশে আছি এবং তাদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আহত জকসু নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জবিতে হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে ডাকসু নেতারা
ঢাবি সংবাদদাতা

ছাত্রদলের হামলায় আহত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) নেতাদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ও ডাকসু নেতারা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ১০টায় আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন ডাকসু নেতারা। এসময় চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে অবগত হন।
এ সময় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কোনো মতভিন্নতার কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জ্ঞানচর্চা, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার স্থান। সেখানে সহিংসতার রাজনীতি শিক্ষার পরিবেশকে বিনষ্ট করে। আমরা আহত শিক্ষার্থীদের পাশে আছি এবং তাদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আহত জকসু নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।









