শিরোনাম

ঢাবির ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

ঢাবি সংবাদদাতা
ঢাবি সংবাদদাতা
ঢাবির ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ক্যান্টিনকর্মী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের মেইন ক্যান্টিনের এক কর্মীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে হলের বিকাশের দোকান থেকে ১৪ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পূর্বের ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলায় আসামি থাকার দাবিও করেছেন হলের এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় হলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে বিষয়টি জানান হলের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মিঠুন।

শাহরিয়ার মিঠুনের দাবি, জহুরুল হক হলের মেইন ক্যান্টিনের ‘মামুন’ নামের এক ক্যান্টিনকর্মী হলের বিকাশের দোকানে গিয়ে তার মা মারা গেছেন—এমন কথা বলে ১৪ হাজার টাকা ধার নেন। প্রায় দুই ঘণ্টা পর টাকা নিয়ে তিনি হল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে হলের স্টাফরা তাকে আটক করেন।

ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে ওই কর্মীর বিষয়ে আরও কিছু তথ্য সামনে আসে। তার বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় এবং সেখানে তার বিরুদ্ধে একটি পুরোনো ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ ছাড়া সম্প্রতি একটি ধর্ষণ মামলায় প্রায় ২৫ দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বের হয়ে তিনি জহুরুল হক হলের মেইন ক্যান্টিনে আশ্রয় নেন বলেও দাবি করেন শাহরিয়ার।

পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং ক্যান্টিন মালিকের উপস্থিতিতে হল প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওই শিক্ষার্থী।

তবে এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, গুরুতর ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত থাকার দাবি থাকা সত্ত্বেও ওই ব্যক্তি কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের ক্যান্টিনে কাজের সুযোগ পেলেন। ক্যান্টিনকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

শাহরিয়ার মিঠুন বলেন, যদি তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার বিষয়গুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি আবাসিক হলে তিনি কীভাবে কাজের সুযোগ পেলেন—এটি প্রশাসন ও ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষকে ব্যাখ্যা করতে হবে।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে হলের নিরাপত্তাব্যবস্থা, ক্যান্টিনকর্মীদের নিয়োগ ও পরিচয় যাচাই এবং তাদের অতীতের আইনগত রেকর্ড যাচাইয়ের বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।

/এমআর/