শিরোনাম

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু, কী কী সুবিধা পান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু, কী কী সুবিধা পান
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। তাঁর নামেই রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির পদটি মূলত রাষ্ট্রপ্রধানের, সরকারপ্রধানের নয়। আমাদের দেশে সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার মূলকেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভা।

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোট হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ। ১১–দলীয় ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

সংসদে বিএনপির সদস্যসংখ্যা ২৪৭। অন্যদিকে ১১–দলীয় ঐক্যের মোট সদস্য ৯০ জন। অন্যরা স্বতন্ত্র, বিএনপি জোটের শরিক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্য।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু

মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক গুরুত্বের দিক থেকে সর্বোচ্চ হলেও রাষ্ট্রপতির পদটির বাস্তব নির্বাহী ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে সীমিত। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। এর বাইরে রাষ্ট্রপতিকে প্রায় সব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হয়। তবে রাষ্ট্রপতির জন্য রয়েছে বঙ্গভবনের মতো বিশাল সরকারি বাসভবন, বেতন-ভাতা, পরিবহন, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ নানা সুযোগ-সুবিধা। পদ ছাড়ার পরও সাবেক রাষ্ট্রপতিরা কিছু সুবিধা পান।

যেসব ক্ষেত্রে আছে রাষ্ট্রপতি স্বাধীন ক্ষমতা

সংবিধানের ৪৮ (৩) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাধীন ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। এর একটি হলো প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং অন্যটি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ। এ বিষয়ে সংবিধানে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী এবং ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সব দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন।

সংসদ নির্বাচনে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সাধারণত সেই দলের সংসদীয় দলের নেতাকেই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি। তবে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে কে সরকার গঠন করতে পারবেন, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করতে বাধ্য নন। সংবিধান তাঁকে এ ক্ষেত্রে স্বাধীন ক্ষমতা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতি-সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন। রাষ্ট্রপতি কোনো বিষয় মন্ত্রিসভার বিবেচনার জন্য পেশ করতে অনুরোধ জানালে প্রধানমন্ত্রী তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করবেন।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সুরক্ষা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোনো পরামর্শ দিয়েছেন কি না এবং দিয়ে থাকলে কী পরামর্শ দিয়েছেন, সে সম্পর্কে কোনো আদালত কোনো প্রশ্নের তদন্ত করতে পারবেন না।

ক্ষমা করার ক্ষমতা

রাষ্ট্রপতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো দণ্ড মওকুফ বা কমানোর ক্ষমতা। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ড রাষ্ট্রপতি মার্জনা, স্থগিত, হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন; যদিও সংসদীয় ব্যবস্থার সামগ্রিক কাঠামোর মধ্যে রাষ্ট্রপতির অন্যান্য দায়িত্বের মতো এ ক্ষমতার প্রয়োগ সরকারের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে।

দায়িত্ব পালনে দায়মুক্তি

রাষ্ট্রপতির পদটির আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো সাংবিধানিক দায়মুক্তি। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হয় না। তাঁর কার্যকাল চলাকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা করা যায় না এবং তাঁকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে পাঠানোর জন্য আদালত থেকে পরোয়ানাও জারি করা যায় না।

তবে এ বিষয়টির অর্থ এই নয় যে রাষ্ট্রপতিকে কোনোভাবেই পদ থেকে সরানো যায় না। সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তাঁকে অভিশংসন করা যায়। আবার শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণেও তাঁকে পদ থেকে অপসারণের বিধান রয়েছে।

সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে হলে সংসদের নির্দিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংসদে বিবেচিত হয়। রাষ্ট্রপতির অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকে। অভিযোগ বিবেচনার পর সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের ক্ষেত্রেও প্রায় একইভাবে সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বোর্ড গঠন করে রাষ্ট্রপতির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার বিধান রয়েছে। এরপর দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে প্রস্তাব পাস হলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা যায়।

রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ বা অবসরে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধা নেই।

মেয়াদ পাঁচ বছর, সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ

রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও উত্তরাধিকারী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি পদে বহাল থাকেন। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে পরপর এবং সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সময় তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য থাকেন না। কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে দায়িত্ব গ্রহণের দিন তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়ে যায়। এখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে দায়িত্ব গ্রহণের দিন তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। পরে সেই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য বয়স ৩৫ বছর

রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হয়। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়, তবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য সংসদ সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। আগে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকলে তিনি আর রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্য নন।

যেভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন

বর্তমান সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন না। জাতীয় সংসদের সদস্যরা তাঁকে নির্বাচিত করেন। একজন সংসদ সদস্য কোনো প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করেন এবং আরেকজন তা সমর্থন করেন।

জাতীয়  সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়।

একজন প্রার্থী থাকলে এবং তাঁর মনোনয়ন বৈধ হলে তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটে সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সমান ভোট হলে সংবিধান অনুযায়ী লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

একাধিক প্রার্থী থাকায় ৩৫ বছর পর আজ রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হলেন নির্বাচনী কর্তা।

বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা

ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার বিপরীতে রাষ্ট্রপতির পদটির আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা বেশ বিস্তৃত। রাষ্ট্রপতি কী সুযোগ-সুবিধা পান, তা বলা আছে দ্য প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধন) অ্যাক্টে। রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই বেতন আয়করমুক্ত। সর্বশেষ ২০১৬ সালে বেতন বাড়ানো হয়। আগে মাসিক বেতন ছিল ৬১ হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রী পদে না থাকলে তিনি কোনো সরকারি সুবিধা পান না। কিন্তু রাষ্ট্রপতি অবসর বা পদত্যাগের পরও কিছু সরকারি সুবিধা পান।

রাষ্ট্রপতির আপ্যায়ন বা এন্টারটেইনমেন্টের জন্যও বার্ষিক ভাতা রয়েছে। তবে এই ব্যয়ের নিরীক্ষা করা হয় না।

রাষ্ট্রপতির জন্য সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন নির্ধারিত। এর সাজসজ্জা, রক্ষণাবেক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যয় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বহন করা হয়। রাষ্ট্রপতির সরকারি যাতায়াতের জন্য গাড়ি ও প্রয়োজনীয় পরিবহনসুবিধাও সরকার দিয়ে থাকে। সরকারি কাজে বিদেশ সফরে গেলে সরকার নির্ধারিত হারে ভাতা পান রাষ্ট্রপতি ।

স্বেচ্ছাধীন তহবিল বছরে দুই কোটি টাকা

রাষ্ট্রপতির জন্য রয়েছে স্বেচ্ছাধীন তহবিল। বছরে এ তহবিলের পরিমাণ দুই কোটি টাকা। রাষ্ট্রপতির বিবেচনায় বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় এ অর্থ ব্যয় করা যায়।

এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্যও রয়েছে বিশেষ সুবিধা। রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশের যেকোনো হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে দেশের বাইরে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেই ব্যয়ও সরকার বহন করে।

রাষ্ট্রপতির বিমানভ্রমণের জন্য বিমাসুবিধাও রয়েছে। বর্তমানে এ সুবিধার পরিমাণ বছরে ২৭ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের আগে এর পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ টাকা।

রাষ্ট্রপ্রধান, কিন্তু সরকারপ্রধান নন

বাংলাদেশের সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির পদটির মূল বৈশিষ্ট্য এখানেই—তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, কিন্তু সরকারের প্রধান নন। সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।

ফলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তাঁর আনুষ্ঠানিক মর্যাদা ও বাস্তব নির্বাহী ক্ষমতাকে আলাদা করে দেখা জরুরি। সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছে, কিন্তু একই সঙ্গে অধিকাংশ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসরণের বাধ্যবাধকতাও তৈরি করেছে।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কী করা হয়

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা রাষ্ট্রপতি কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। গত মাসে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এভাবে সংবিধান রাষ্ট্রপ্রধানের পদটির ধারাবাহিকতাও নিশ্চিত করে।

/বিবি/