আবারও কমলো সোনার দাম
আবারও কমলো সোনার দাম
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই দাম সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কার্যকর হয়েছে।


বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা।

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা।

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকায়, যা আগের দিন ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই দাম সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাই স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাই স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার কার্যকর হওয়া এ দামেই আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা।

টানা ঊর্ধ্বগতির পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে হঠাৎ বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্ববাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার টাকায় পৌঁছে রেকর্ড গড়ে। একই দিনে রুপার দাম ওঠে প্রায় ৬ হাজার ২০০ টাকা।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ বিকেল পৌনে ৪টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।

তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম বেড়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ১ হাজার ৯২৫ টাকা।

এর আগে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে টানা দ্বিতীয় দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। তখন ভরিতে ১৫ হাজার ৭৬২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।
