ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে হতে পারে বড় পরিবর্তন

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে হতে পারে বড় পরিবর্তন
সিজেডএন ডেস্ক

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশুদের আসক্ত করে তোলা এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মেটা। প্রায় ৩০টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের দায়ের করা মামলায় শেষ পর্যন্ত জুরি ট্রায়ালের মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্টটিকে। ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে শুরু হতে যাওয়া এ বিচারে মেটার বিরুদ্ধে ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি জরিমানা চাওয়ার পাশাপাশি অ্যাপগুলোর কাজ করার মূল কাঠামোতেই বড় পরিবর্তনের দাবি তোলা হয়েছে।
মামলাকারীদের মূল অভিযোগ, মেটার অ্যাপগুলোর অ্যালগরিদম ও ডিজাইন জেনেশুনেই এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা ছোটদের মানসিক স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ পরিস্থিতি সামলাতে অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোস্টে লাইক গণনার সুযোগ বন্ধ করা, টানা স্ক্রোলিং বা ইনফিনিট স্ক্রোলিং থামানো, ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া রোধ করা, অবাস্তব ফেস-ফিল্টার সরিয়ে নেওয়া এবং শিশুদের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করা।
অবশ্য মেটা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছে। বিচারক ইভন গনজালেস রজার্সের আদালতে শুনানি চলাকালে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, তরুণ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতে তারা দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছে।
তবে সাম্প্রতিক আইনি প্রেক্ষাপট মেটার জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। সম্প্রতি নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করার পাশাপাশি জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০টি অঙ্গরাজ্যের এ সম্মিলিত মামলায় মেটা হেরে গেলে যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের পুরো ধরণটাই চিরতরে বদলে যেতে পারে।

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশুদের আসক্ত করে তোলা এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মেটা। প্রায় ৩০টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের দায়ের করা মামলায় শেষ পর্যন্ত জুরি ট্রায়ালের মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্টটিকে। ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে শুরু হতে যাওয়া এ বিচারে মেটার বিরুদ্ধে ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি জরিমানা চাওয়ার পাশাপাশি অ্যাপগুলোর কাজ করার মূল কাঠামোতেই বড় পরিবর্তনের দাবি তোলা হয়েছে।
মামলাকারীদের মূল অভিযোগ, মেটার অ্যাপগুলোর অ্যালগরিদম ও ডিজাইন জেনেশুনেই এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা ছোটদের মানসিক স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ পরিস্থিতি সামলাতে অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোস্টে লাইক গণনার সুযোগ বন্ধ করা, টানা স্ক্রোলিং বা ইনফিনিট স্ক্রোলিং থামানো, ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া রোধ করা, অবাস্তব ফেস-ফিল্টার সরিয়ে নেওয়া এবং শিশুদের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করা।
অবশ্য মেটা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছে। বিচারক ইভন গনজালেস রজার্সের আদালতে শুনানি চলাকালে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, তরুণ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতে তারা দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছে।
তবে সাম্প্রতিক আইনি প্রেক্ষাপট মেটার জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। সম্প্রতি নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করার পাশাপাশি জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০টি অঙ্গরাজ্যের এ সম্মিলিত মামলায় মেটা হেরে গেলে যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের পুরো ধরণটাই চিরতরে বদলে যেতে পারে।

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে হতে পারে বড় পরিবর্তন
সিজেডএন ডেস্ক

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশুদের আসক্ত করে তোলা এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মেটা। প্রায় ৩০টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের দায়ের করা মামলায় শেষ পর্যন্ত জুরি ট্রায়ালের মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্টটিকে। ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে শুরু হতে যাওয়া এ বিচারে মেটার বিরুদ্ধে ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি জরিমানা চাওয়ার পাশাপাশি অ্যাপগুলোর কাজ করার মূল কাঠামোতেই বড় পরিবর্তনের দাবি তোলা হয়েছে।
মামলাকারীদের মূল অভিযোগ, মেটার অ্যাপগুলোর অ্যালগরিদম ও ডিজাইন জেনেশুনেই এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা ছোটদের মানসিক স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ পরিস্থিতি সামলাতে অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোস্টে লাইক গণনার সুযোগ বন্ধ করা, টানা স্ক্রোলিং বা ইনফিনিট স্ক্রোলিং থামানো, ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া রোধ করা, অবাস্তব ফেস-ফিল্টার সরিয়ে নেওয়া এবং শিশুদের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করা।
অবশ্য মেটা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছে। বিচারক ইভন গনজালেস রজার্সের আদালতে শুনানি চলাকালে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, তরুণ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতে তারা দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছে।
তবে সাম্প্রতিক আইনি প্রেক্ষাপট মেটার জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। সম্প্রতি নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করার পাশাপাশি জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০টি অঙ্গরাজ্যের এ সম্মিলিত মামলায় মেটা হেরে গেলে যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের পুরো ধরণটাই চিরতরে বদলে যেতে পারে।

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন অ্যাপ আনছে ফেসবুক





