রোজায়ও বইমেলায় উপস্থিতি বাড়ার প্রত্যাশা

রোজায়ও বইমেলায় উপস্থিতি বাড়ার প্রত্যাশা
নিজস্ব প্রতিবেদক

এবার পবিত্র রমজান মাসে অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে। তাই অন্যবারের তুলনায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি অনেক কম। তবে প্রকাশকেরা প্রত্যাশা রোজার ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যেই ধীরে ধীরে বইমেলায় পাঠক ও ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়বে।
বইয়ের স্টলের কয়েকজন বিক্রয় প্রতিনিধি ও প্রকাশকেরা মনে করছেন, রমজানে বিক্রি বেশি না হলেও,একদম খারাপও না। তবে সামনের দিকে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।
তারা আরও বলেন, রমজান মাসে বই মেলার আয়োজন না করে, রমজানের আগে অথবা ঈদের পরে আয়োজন করলে সবচেয়ে ভালো হতো। তথন মেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ থাকতো এবং বেচাকেনাও ভালো হতো।
রোববার (১ মার্চ) বিকালে বইমেলায় বইপ্রেমী পাঠক ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায় । পাঠকরা তাদের পছন্দের লেখকের বই কেনার জন্য এক স্টল থেকে অন্য স্টলে যাচ্ছেন। অনেককে আবার প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।
রিফাত নামের একজন পাঠক বলেন, ‘সত্যি বলতে এবারের বই মেলায় কোনো আমেজ নেই, কোনো ভিড় নেই। একদম শান্ত পরিবেশ মনে হচ্ছে। বই মেলা ফেব্রুয়ারীর শুরুতে দিলে ভালো হতো।’
বাংলা একাডেমি স্টলের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. হুসাইন সিটিজেন জার্নালকে বলেন,” অন্যান্য বছর আমাদের প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার বই বিক্রি হতো। তবে এবারের চিত্র একদমই ভিন্ন। এখন প্রতিদিন ৩০ হাজার টাকার মতো বই বিক্রি হয়।’
পবিত্র রমজান মাসে মেলার আয়োজন করায় বিক্রি কমেছে জানিয়ে তিনি আরও জানান, ”যেহেতু রমজান মাস, সেক্ষেত্রে মানুষ সারা দিন রোজা রেখে বইমেলায় আসতে চায় না। সেজন্য বিক্রিও কম হচ্ছে। শুধু বইপ্রেমী যারা আছে, তারা আসছে। অন্যান্যবারের মতো এবার বইমেলায় ভিড় নেই।”
অনুপম প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক শাহীন বলেন, ‘বই বিক্রি মোটামুটি পর্যায়ে রয়েছে। এবারের মেলায় কোনো আমেজ নেই। পাঠকের উপস্থিতি তেমন একটা নেই। ”
এদিকে কথা প্রকাশের কর্মকর্তা জাফিরুল ইসলাম সামনের দিনগুলোতে বই বিক্রি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে পাঠকদের সংখ্যা বাড়বে এবং সেই সঙ্গে বই বিক্রিও বাড়বে।

এবার পবিত্র রমজান মাসে অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে। তাই অন্যবারের তুলনায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি অনেক কম। তবে প্রকাশকেরা প্রত্যাশা রোজার ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যেই ধীরে ধীরে বইমেলায় পাঠক ও ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়বে।
বইয়ের স্টলের কয়েকজন বিক্রয় প্রতিনিধি ও প্রকাশকেরা মনে করছেন, রমজানে বিক্রি বেশি না হলেও,একদম খারাপও না। তবে সামনের দিকে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।
তারা আরও বলেন, রমজান মাসে বই মেলার আয়োজন না করে, রমজানের আগে অথবা ঈদের পরে আয়োজন করলে সবচেয়ে ভালো হতো। তথন মেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ থাকতো এবং বেচাকেনাও ভালো হতো।
রোববার (১ মার্চ) বিকালে বইমেলায় বইপ্রেমী পাঠক ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায় । পাঠকরা তাদের পছন্দের লেখকের বই কেনার জন্য এক স্টল থেকে অন্য স্টলে যাচ্ছেন। অনেককে আবার প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।
রিফাত নামের একজন পাঠক বলেন, ‘সত্যি বলতে এবারের বই মেলায় কোনো আমেজ নেই, কোনো ভিড় নেই। একদম শান্ত পরিবেশ মনে হচ্ছে। বই মেলা ফেব্রুয়ারীর শুরুতে দিলে ভালো হতো।’
বাংলা একাডেমি স্টলের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. হুসাইন সিটিজেন জার্নালকে বলেন,” অন্যান্য বছর আমাদের প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার বই বিক্রি হতো। তবে এবারের চিত্র একদমই ভিন্ন। এখন প্রতিদিন ৩০ হাজার টাকার মতো বই বিক্রি হয়।’
পবিত্র রমজান মাসে মেলার আয়োজন করায় বিক্রি কমেছে জানিয়ে তিনি আরও জানান, ”যেহেতু রমজান মাস, সেক্ষেত্রে মানুষ সারা দিন রোজা রেখে বইমেলায় আসতে চায় না। সেজন্য বিক্রিও কম হচ্ছে। শুধু বইপ্রেমী যারা আছে, তারা আসছে। অন্যান্যবারের মতো এবার বইমেলায় ভিড় নেই।”
অনুপম প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক শাহীন বলেন, ‘বই বিক্রি মোটামুটি পর্যায়ে রয়েছে। এবারের মেলায় কোনো আমেজ নেই। পাঠকের উপস্থিতি তেমন একটা নেই। ”
এদিকে কথা প্রকাশের কর্মকর্তা জাফিরুল ইসলাম সামনের দিনগুলোতে বই বিক্রি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে পাঠকদের সংখ্যা বাড়বে এবং সেই সঙ্গে বই বিক্রিও বাড়বে।

রোজায়ও বইমেলায় উপস্থিতি বাড়ার প্রত্যাশা
নিজস্ব প্রতিবেদক

এবার পবিত্র রমজান মাসে অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে। তাই অন্যবারের তুলনায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি অনেক কম। তবে প্রকাশকেরা প্রত্যাশা রোজার ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যেই ধীরে ধীরে বইমেলায় পাঠক ও ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়বে।
বইয়ের স্টলের কয়েকজন বিক্রয় প্রতিনিধি ও প্রকাশকেরা মনে করছেন, রমজানে বিক্রি বেশি না হলেও,একদম খারাপও না। তবে সামনের দিকে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।
তারা আরও বলেন, রমজান মাসে বই মেলার আয়োজন না করে, রমজানের আগে অথবা ঈদের পরে আয়োজন করলে সবচেয়ে ভালো হতো। তথন মেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ থাকতো এবং বেচাকেনাও ভালো হতো।
রোববার (১ মার্চ) বিকালে বইমেলায় বইপ্রেমী পাঠক ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায় । পাঠকরা তাদের পছন্দের লেখকের বই কেনার জন্য এক স্টল থেকে অন্য স্টলে যাচ্ছেন। অনেককে আবার প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।
রিফাত নামের একজন পাঠক বলেন, ‘সত্যি বলতে এবারের বই মেলায় কোনো আমেজ নেই, কোনো ভিড় নেই। একদম শান্ত পরিবেশ মনে হচ্ছে। বই মেলা ফেব্রুয়ারীর শুরুতে দিলে ভালো হতো।’
বাংলা একাডেমি স্টলের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. হুসাইন সিটিজেন জার্নালকে বলেন,” অন্যান্য বছর আমাদের প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার বই বিক্রি হতো। তবে এবারের চিত্র একদমই ভিন্ন। এখন প্রতিদিন ৩০ হাজার টাকার মতো বই বিক্রি হয়।’
পবিত্র রমজান মাসে মেলার আয়োজন করায় বিক্রি কমেছে জানিয়ে তিনি আরও জানান, ”যেহেতু রমজান মাস, সেক্ষেত্রে মানুষ সারা দিন রোজা রেখে বইমেলায় আসতে চায় না। সেজন্য বিক্রিও কম হচ্ছে। শুধু বইপ্রেমী যারা আছে, তারা আসছে। অন্যান্যবারের মতো এবার বইমেলায় ভিড় নেই।”
অনুপম প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক শাহীন বলেন, ‘বই বিক্রি মোটামুটি পর্যায়ে রয়েছে। এবারের মেলায় কোনো আমেজ নেই। পাঠকের উপস্থিতি তেমন একটা নেই। ”
এদিকে কথা প্রকাশের কর্মকর্তা জাফিরুল ইসলাম সামনের দিনগুলোতে বই বিক্রি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে পাঠকদের সংখ্যা বাড়বে এবং সেই সঙ্গে বই বিক্রিও বাড়বে।



