৭ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসার, অবাক নেটিজেনরা

৭ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসার, অবাক নেটিজেনরা
সিটিজেন ডেস্ক

যে বয়সে শিশুর খেলনা গাড়ি নিয়ে খেলার কথা, সেই বয়সেই হয়ে গেলেন পেশাদার রেসার। অবাক হলেও এমন ঘটনা ঘটেছে চীনে।
পূর্ব চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ওয়েনজু শহরের বাসিন্দা শাও জিয়ান। পাঁচ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসারের স্বীকৃতি পেয়েছে সে। আর সাত বছর বয়সে হয়েছে দেশের সর্ব কনিষ্ঠ কার রেসার।
শিশুটির বাবা জানান, খুব ছোটবেলা থেকেই শাও জিয়ানের গাড়ি রেসিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। মাত্র এক বছর বয়সেই সে বাসায় রেসিং সিমুলেটর ব্যবহার শুরু করে।
ছেলের মধ্যে গাড়ি চালানোর অসাধারণ দক্ষতার লক্ষণ দেখতে পেয়ে তার বাবা অনুশীলনের জন্য একটি ছোট আকারের সিমুলেটর তৈরি করে দেন। পরে তিনি শাওয়ের জন্য একটি ইলেকট্রিক গো-কার্ট কিনে আনেন।
তবে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শাও জিয়ানের কাছে সেই ইলেকট্রিক গাড়ির গতি ধীর মনে হতে থাকে। ছেলের বাড়তে থাকা আগ্রহ ও সক্ষমতা দেখে তার বাবা পরে একটি জ্বালানিচালিত গাড়ি কিনে দেন এবং গো-কার্ট প্রশিক্ষণে ভর্তি করে দেন।
শাও জিয়ানের বাবা আরও জানান, তার ছেলে আন্তর্জাতিক রেসিং প্রতিযোগিতার ভিডিও দেখে পেশাদার চালকদের নানা কৌশল রপ্ত করেছে। এমনকি জাপানি অ্যানিমেশন ইনিশিয়াল ডি থেকেও সে কিছু বিশেষ ড্রাইভিং কৌশল শিখেছে।
মাত্র চার বছর বয়সেই শাও জিয়ান সিমুলেশন গেমের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৩০তম স্থান অর্জন করে। আশ্চর্যের বিষয়, তার বাবা নিজেও একজন অভিজ্ঞ সিমুলেটর খেলোয়াড় হয়েও তিন হাজারের নিচে অবস্থান করতে পারেননি।
এর পাশাপাশি খুব অল্প বয়সেই সে র্যালি কার চালানো শুরু করে এবং টানা ৪০ দিন বরফের ওপর গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করে। পাঁচ বছর বয়সে সে চীনের ফেডারেশন অব অটোমোবাইল অ্যান্ড মোটরসাইকেল স্পোর্টস থেকে পেশাদার র্যালি রেসার হিসেবে সনদ পায়।
পরে তার বাবা প্রায় দুই লাখ ইউয়ান খরচ করে একটি পুরনো সুজুকি সুইফট র্যালি কার নতুনভাবে তৈরি করে দেন।
শাওয়ের বাবা জানান, তিনি বেইজিংয়ে ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। মূলত গাড়ি সম্পর্কিত কাজই করেন। ছেলের রেসিং ক্যারিয়ারের পেছনে ব্যয়ের বড় অংশ এসেছে তার নিজের সঞ্চয় ও শাও জিয়ানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীদের সহায়তা থেকে। বর্তমানে একটি প্ল্যাটফর্মেই শাওয়ের অনুসারী সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।
সম্প্রতি একটি জাতীয় পর্যায়ের র্যালি রেসে জয়লাভ করে শাও জিয়ান বিশ্বের কনিষ্ঠতম র্যালি বিজয়ীর স্বীকৃতি পেয়েছে। ছেলের এই যাত্রায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার বাবাও এখন পেশাদার র্যালি রেসার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়েও কীভাবে সে রেসিং করছে এমন প্রশ্নের জবাবে তার বাবা জানান, তারা আইন মেনেই সবকিছু করছেন। সাধারণ সড়কে যেহেতু অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই, তাই প্রতিযোগিতার ভেন্যুতে গাড়িটি ট্রাকে করে নেওয়া হয়। গাড়ি সংস্কার ও পরিবহনে এখন পর্যন্ত আট লাখ ইউয়ানেরও বেশি খরচ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রেসিং কার ও ট্র্যাকের বিশেষ নকশার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বললেই চলে। শাও জিয়ানের স্বপ্ন, একদিন চীনের হয়ে ওয়ার্ল্ড র্যালি চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

যে বয়সে শিশুর খেলনা গাড়ি নিয়ে খেলার কথা, সেই বয়সেই হয়ে গেলেন পেশাদার রেসার। অবাক হলেও এমন ঘটনা ঘটেছে চীনে।
পূর্ব চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ওয়েনজু শহরের বাসিন্দা শাও জিয়ান। পাঁচ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসারের স্বীকৃতি পেয়েছে সে। আর সাত বছর বয়সে হয়েছে দেশের সর্ব কনিষ্ঠ কার রেসার।
শিশুটির বাবা জানান, খুব ছোটবেলা থেকেই শাও জিয়ানের গাড়ি রেসিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। মাত্র এক বছর বয়সেই সে বাসায় রেসিং সিমুলেটর ব্যবহার শুরু করে।
ছেলের মধ্যে গাড়ি চালানোর অসাধারণ দক্ষতার লক্ষণ দেখতে পেয়ে তার বাবা অনুশীলনের জন্য একটি ছোট আকারের সিমুলেটর তৈরি করে দেন। পরে তিনি শাওয়ের জন্য একটি ইলেকট্রিক গো-কার্ট কিনে আনেন।
তবে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শাও জিয়ানের কাছে সেই ইলেকট্রিক গাড়ির গতি ধীর মনে হতে থাকে। ছেলের বাড়তে থাকা আগ্রহ ও সক্ষমতা দেখে তার বাবা পরে একটি জ্বালানিচালিত গাড়ি কিনে দেন এবং গো-কার্ট প্রশিক্ষণে ভর্তি করে দেন।
শাও জিয়ানের বাবা আরও জানান, তার ছেলে আন্তর্জাতিক রেসিং প্রতিযোগিতার ভিডিও দেখে পেশাদার চালকদের নানা কৌশল রপ্ত করেছে। এমনকি জাপানি অ্যানিমেশন ইনিশিয়াল ডি থেকেও সে কিছু বিশেষ ড্রাইভিং কৌশল শিখেছে।
মাত্র চার বছর বয়সেই শাও জিয়ান সিমুলেশন গেমের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৩০তম স্থান অর্জন করে। আশ্চর্যের বিষয়, তার বাবা নিজেও একজন অভিজ্ঞ সিমুলেটর খেলোয়াড় হয়েও তিন হাজারের নিচে অবস্থান করতে পারেননি।
এর পাশাপাশি খুব অল্প বয়সেই সে র্যালি কার চালানো শুরু করে এবং টানা ৪০ দিন বরফের ওপর গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করে। পাঁচ বছর বয়সে সে চীনের ফেডারেশন অব অটোমোবাইল অ্যান্ড মোটরসাইকেল স্পোর্টস থেকে পেশাদার র্যালি রেসার হিসেবে সনদ পায়।
পরে তার বাবা প্রায় দুই লাখ ইউয়ান খরচ করে একটি পুরনো সুজুকি সুইফট র্যালি কার নতুনভাবে তৈরি করে দেন।
শাওয়ের বাবা জানান, তিনি বেইজিংয়ে ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। মূলত গাড়ি সম্পর্কিত কাজই করেন। ছেলের রেসিং ক্যারিয়ারের পেছনে ব্যয়ের বড় অংশ এসেছে তার নিজের সঞ্চয় ও শাও জিয়ানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীদের সহায়তা থেকে। বর্তমানে একটি প্ল্যাটফর্মেই শাওয়ের অনুসারী সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।
সম্প্রতি একটি জাতীয় পর্যায়ের র্যালি রেসে জয়লাভ করে শাও জিয়ান বিশ্বের কনিষ্ঠতম র্যালি বিজয়ীর স্বীকৃতি পেয়েছে। ছেলের এই যাত্রায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার বাবাও এখন পেশাদার র্যালি রেসার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়েও কীভাবে সে রেসিং করছে এমন প্রশ্নের জবাবে তার বাবা জানান, তারা আইন মেনেই সবকিছু করছেন। সাধারণ সড়কে যেহেতু অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই, তাই প্রতিযোগিতার ভেন্যুতে গাড়িটি ট্রাকে করে নেওয়া হয়। গাড়ি সংস্কার ও পরিবহনে এখন পর্যন্ত আট লাখ ইউয়ানেরও বেশি খরচ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রেসিং কার ও ট্র্যাকের বিশেষ নকশার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বললেই চলে। শাও জিয়ানের স্বপ্ন, একদিন চীনের হয়ে ওয়ার্ল্ড র্যালি চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

৭ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসার, অবাক নেটিজেনরা
সিটিজেন ডেস্ক

যে বয়সে শিশুর খেলনা গাড়ি নিয়ে খেলার কথা, সেই বয়সেই হয়ে গেলেন পেশাদার রেসার। অবাক হলেও এমন ঘটনা ঘটেছে চীনে।
পূর্ব চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ওয়েনজু শহরের বাসিন্দা শাও জিয়ান। পাঁচ বছর বয়সেই পেশাদার কার রেসারের স্বীকৃতি পেয়েছে সে। আর সাত বছর বয়সে হয়েছে দেশের সর্ব কনিষ্ঠ কার রেসার।
শিশুটির বাবা জানান, খুব ছোটবেলা থেকেই শাও জিয়ানের গাড়ি রেসিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। মাত্র এক বছর বয়সেই সে বাসায় রেসিং সিমুলেটর ব্যবহার শুরু করে।
ছেলের মধ্যে গাড়ি চালানোর অসাধারণ দক্ষতার লক্ষণ দেখতে পেয়ে তার বাবা অনুশীলনের জন্য একটি ছোট আকারের সিমুলেটর তৈরি করে দেন। পরে তিনি শাওয়ের জন্য একটি ইলেকট্রিক গো-কার্ট কিনে আনেন।
তবে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শাও জিয়ানের কাছে সেই ইলেকট্রিক গাড়ির গতি ধীর মনে হতে থাকে। ছেলের বাড়তে থাকা আগ্রহ ও সক্ষমতা দেখে তার বাবা পরে একটি জ্বালানিচালিত গাড়ি কিনে দেন এবং গো-কার্ট প্রশিক্ষণে ভর্তি করে দেন।
শাও জিয়ানের বাবা আরও জানান, তার ছেলে আন্তর্জাতিক রেসিং প্রতিযোগিতার ভিডিও দেখে পেশাদার চালকদের নানা কৌশল রপ্ত করেছে। এমনকি জাপানি অ্যানিমেশন ইনিশিয়াল ডি থেকেও সে কিছু বিশেষ ড্রাইভিং কৌশল শিখেছে।
মাত্র চার বছর বয়সেই শাও জিয়ান সিমুলেশন গেমের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৩০তম স্থান অর্জন করে। আশ্চর্যের বিষয়, তার বাবা নিজেও একজন অভিজ্ঞ সিমুলেটর খেলোয়াড় হয়েও তিন হাজারের নিচে অবস্থান করতে পারেননি।
এর পাশাপাশি খুব অল্প বয়সেই সে র্যালি কার চালানো শুরু করে এবং টানা ৪০ দিন বরফের ওপর গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করে। পাঁচ বছর বয়সে সে চীনের ফেডারেশন অব অটোমোবাইল অ্যান্ড মোটরসাইকেল স্পোর্টস থেকে পেশাদার র্যালি রেসার হিসেবে সনদ পায়।
পরে তার বাবা প্রায় দুই লাখ ইউয়ান খরচ করে একটি পুরনো সুজুকি সুইফট র্যালি কার নতুনভাবে তৈরি করে দেন।
শাওয়ের বাবা জানান, তিনি বেইজিংয়ে ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। মূলত গাড়ি সম্পর্কিত কাজই করেন। ছেলের রেসিং ক্যারিয়ারের পেছনে ব্যয়ের বড় অংশ এসেছে তার নিজের সঞ্চয় ও শাও জিয়ানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীদের সহায়তা থেকে। বর্তমানে একটি প্ল্যাটফর্মেই শাওয়ের অনুসারী সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।
সম্প্রতি একটি জাতীয় পর্যায়ের র্যালি রেসে জয়লাভ করে শাও জিয়ান বিশ্বের কনিষ্ঠতম র্যালি বিজয়ীর স্বীকৃতি পেয়েছে। ছেলের এই যাত্রায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার বাবাও এখন পেশাদার র্যালি রেসার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়েও কীভাবে সে রেসিং করছে এমন প্রশ্নের জবাবে তার বাবা জানান, তারা আইন মেনেই সবকিছু করছেন। সাধারণ সড়কে যেহেতু অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই, তাই প্রতিযোগিতার ভেন্যুতে গাড়িটি ট্রাকে করে নেওয়া হয়। গাড়ি সংস্কার ও পরিবহনে এখন পর্যন্ত আট লাখ ইউয়ানেরও বেশি খরচ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রেসিং কার ও ট্র্যাকের বিশেষ নকশার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বললেই চলে। শাও জিয়ানের স্বপ্ন, একদিন চীনের হয়ে ওয়ার্ল্ড র্যালি চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট




