নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাওলানা আবদুল জব্বারকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মাওলানা আবদুল জব্বার জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার আয়োজনে এক কর্মী সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল জব্বার মেয়র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ২৭টি ওয়ার্ডে যোগ্য প্রার্থী দেওয়ার অঙ্গীকার করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও জনগণের সম্পদ লুটপাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অতীতে যারা ব্যাংক লুট, দখলদারিত্ব ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, শুধু তাদের হাতবদল হয়েছে, সমস্যার সমাধান হয়নি। এসবের জবাব জনগণ যথাসময়ে দেবে।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জকে চাঁদাবাজ ও অসৎ নেতৃত্বমুক্ত, শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে অনির্বাচিত প্রশাসক অপসারণ করে দ্রুত সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে। জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করা হলে সেই জনগণই হিমালয়ের মতো দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। চব্বিশ হয়েছিল বলেই ছাব্বিশে একটি নির্বাচন হয়েছে। ২০২৪ সালের আন্দোলনে আহত ও নিহতদের প্রতি অবহেলা করা হলে তা হবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাওলানা আবদুল জব্বারকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মাওলানা আবদুল জব্বার জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার আয়োজনে এক কর্মী সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল জব্বার মেয়র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ২৭টি ওয়ার্ডে যোগ্য প্রার্থী দেওয়ার অঙ্গীকার করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও জনগণের সম্পদ লুটপাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অতীতে যারা ব্যাংক লুট, দখলদারিত্ব ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, শুধু তাদের হাতবদল হয়েছে, সমস্যার সমাধান হয়নি। এসবের জবাব জনগণ যথাসময়ে দেবে।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জকে চাঁদাবাজ ও অসৎ নেতৃত্বমুক্ত, শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে অনির্বাচিত প্রশাসক অপসারণ করে দ্রুত সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে। জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করা হলে সেই জনগণই হিমালয়ের মতো দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। চব্বিশ হয়েছিল বলেই ছাব্বিশে একটি নির্বাচন হয়েছে। ২০২৪ সালের আন্দোলনে আহত ও নিহতদের প্রতি অবহেলা করা হলে তা হবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাওলানা আবদুল জব্বারকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মাওলানা আবদুল জব্বার জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার আয়োজনে এক কর্মী সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল জব্বার মেয়র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ২৭টি ওয়ার্ডে যোগ্য প্রার্থী দেওয়ার অঙ্গীকার করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও জনগণের সম্পদ লুটপাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অতীতে যারা ব্যাংক লুট, দখলদারিত্ব ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, শুধু তাদের হাতবদল হয়েছে, সমস্যার সমাধান হয়নি। এসবের জবাব জনগণ যথাসময়ে দেবে।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জকে চাঁদাবাজ ও অসৎ নেতৃত্বমুক্ত, শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে অনির্বাচিত প্রশাসক অপসারণ করে দ্রুত সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে। জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করা হলে সেই জনগণই হিমালয়ের মতো দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। চব্বিশ হয়েছিল বলেই ছাব্বিশে একটি নির্বাচন হয়েছে। ২০২৪ সালের আন্দোলনে আহত ও নিহতদের প্রতি অবহেলা করা হলে তা হবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে ১৩ ফেব্রুয়ারি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা ছিল: জামায়াত আমির


