টিকিটের দামে রেকর্ড গড়লো ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল

টিকিটের দামে রেকর্ড গড়লো ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এ মেগা ফাইনালকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে। কিন্তু টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম ভক্তদের মাঝে চরম হতাশা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টিকিট বিক্রয়কারী প্ল্যাটফরম ‘টিকপিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়া ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে এবারের ফাইনালের গড় টিকিটের মূল্য পৌঁছেছে রেকর্ড ১১ হাজার ৩২৭ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ লাখ টাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো ক্রীড়া ইভেন্টে এটিই সর্বোচ্চ গড় টিকিট মূল্যের রেকর্ড।
নজিরবিহীন এ মূল্যবৃদ্ধির কারণে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ফাইনাল ম্যাচের একটি সর্বনিম্ন টিকিট কিনতে গুনতে হচ্ছে ৬ হাজার ৯৪৩ ডলার বা প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার আগে এ টিকিটের দাম ছিল প্রায় ৭ হাজার ২০০ ডলার। দুই পরাশক্তি ফাইনাল নিশ্চিত করার পর দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এমনকি এ ম্যাচের সর্বোচ্চ দামের একটি টিকিট বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ২৮ হাজার ৪৭৯ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার সমান।
টিকপিকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টের তালিকায় ২০২৪ সালের সুপার বোল (গড় মূল্য ৯,৪১১ ডলার) এবং ২০২৬ সালের এনবিএ ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচকে (৬,৩০৮ ডলার) পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল। অপরদিকে, টুর্নামেন্ট থেকে ইংল্যান্ড বিদায় নেওয়ার পর ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের টিকিটের দাম প্রায় ৩০০ ডলার কমে এখন সর্বনিম্ন ৯০০ ডলারে নেমে এসেছে।
টিকিট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিটপিকের তথ্যমতে, ফিফার ৯৬ বছরের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের শুরুতে গড় টিকিটের দাম ১ হাজার ৬২২ ডলার থাকলেও সেমিফাইনাল পর্বে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬২ ডলারে। তবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর রিসেল বা পুনর্বিক্রয় বাজারে স্পেন-বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল।
পুনর্বিক্রয় বাজারের হিসাব বাদ দিলেও ফিফা প্রথম ধাপে ফাইনাল ম্যাচের সর্বোচ্চ অফিশিয়াল মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার, যা ফুটবল ইতিহাসে সাধারণ দর্শকদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ টিকিট মূল্য। এ আকাশছোঁয়া দামের কারণে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, বিশ্বকাপ এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়ে ধনীদের আসরে পরিণত হয়েছে। ব্যাপক সমালোচনার মুখে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির কৌশল ও নীতিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এ মেগা ফাইনালকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে। কিন্তু টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম ভক্তদের মাঝে চরম হতাশা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টিকিট বিক্রয়কারী প্ল্যাটফরম ‘টিকপিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়া ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে এবারের ফাইনালের গড় টিকিটের মূল্য পৌঁছেছে রেকর্ড ১১ হাজার ৩২৭ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ লাখ টাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো ক্রীড়া ইভেন্টে এটিই সর্বোচ্চ গড় টিকিট মূল্যের রেকর্ড।
নজিরবিহীন এ মূল্যবৃদ্ধির কারণে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ফাইনাল ম্যাচের একটি সর্বনিম্ন টিকিট কিনতে গুনতে হচ্ছে ৬ হাজার ৯৪৩ ডলার বা প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার আগে এ টিকিটের দাম ছিল প্রায় ৭ হাজার ২০০ ডলার। দুই পরাশক্তি ফাইনাল নিশ্চিত করার পর দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এমনকি এ ম্যাচের সর্বোচ্চ দামের একটি টিকিট বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ২৮ হাজার ৪৭৯ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার সমান।
টিকপিকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টের তালিকায় ২০২৪ সালের সুপার বোল (গড় মূল্য ৯,৪১১ ডলার) এবং ২০২৬ সালের এনবিএ ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচকে (৬,৩০৮ ডলার) পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল। অপরদিকে, টুর্নামেন্ট থেকে ইংল্যান্ড বিদায় নেওয়ার পর ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের টিকিটের দাম প্রায় ৩০০ ডলার কমে এখন সর্বনিম্ন ৯০০ ডলারে নেমে এসেছে।
টিকিট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিটপিকের তথ্যমতে, ফিফার ৯৬ বছরের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের শুরুতে গড় টিকিটের দাম ১ হাজার ৬২২ ডলার থাকলেও সেমিফাইনাল পর্বে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬২ ডলারে। তবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর রিসেল বা পুনর্বিক্রয় বাজারে স্পেন-বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল।
পুনর্বিক্রয় বাজারের হিসাব বাদ দিলেও ফিফা প্রথম ধাপে ফাইনাল ম্যাচের সর্বোচ্চ অফিশিয়াল মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার, যা ফুটবল ইতিহাসে সাধারণ দর্শকদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ টিকিট মূল্য। এ আকাশছোঁয়া দামের কারণে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, বিশ্বকাপ এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়ে ধনীদের আসরে পরিণত হয়েছে। ব্যাপক সমালোচনার মুখে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির কৌশল ও নীতিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

টিকিটের দামে রেকর্ড গড়লো ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এ মেগা ফাইনালকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে। কিন্তু টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম ভক্তদের মাঝে চরম হতাশা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টিকিট বিক্রয়কারী প্ল্যাটফরম ‘টিকপিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়া ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে এবারের ফাইনালের গড় টিকিটের মূল্য পৌঁছেছে রেকর্ড ১১ হাজার ৩২৭ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ লাখ টাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো ক্রীড়া ইভেন্টে এটিই সর্বোচ্চ গড় টিকিট মূল্যের রেকর্ড।
নজিরবিহীন এ মূল্যবৃদ্ধির কারণে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ফাইনাল ম্যাচের একটি সর্বনিম্ন টিকিট কিনতে গুনতে হচ্ছে ৬ হাজার ৯৪৩ ডলার বা প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার আগে এ টিকিটের দাম ছিল প্রায় ৭ হাজার ২০০ ডলার। দুই পরাশক্তি ফাইনাল নিশ্চিত করার পর দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এমনকি এ ম্যাচের সর্বোচ্চ দামের একটি টিকিট বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ২৮ হাজার ৪৭৯ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার সমান।
টিকপিকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টের তালিকায় ২০২৪ সালের সুপার বোল (গড় মূল্য ৯,৪১১ ডলার) এবং ২০২৬ সালের এনবিএ ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচকে (৬,৩০৮ ডলার) পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল। অপরদিকে, টুর্নামেন্ট থেকে ইংল্যান্ড বিদায় নেওয়ার পর ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের টিকিটের দাম প্রায় ৩০০ ডলার কমে এখন সর্বনিম্ন ৯০০ ডলারে নেমে এসেছে।
টিকিট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিটপিকের তথ্যমতে, ফিফার ৯৬ বছরের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের শুরুতে গড় টিকিটের দাম ১ হাজার ৬২২ ডলার থাকলেও সেমিফাইনাল পর্বে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬২ ডলারে। তবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর রিসেল বা পুনর্বিক্রয় বাজারে স্পেন-বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল।
পুনর্বিক্রয় বাজারের হিসাব বাদ দিলেও ফিফা প্রথম ধাপে ফাইনাল ম্যাচের সর্বোচ্চ অফিশিয়াল মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার, যা ফুটবল ইতিহাসে সাধারণ দর্শকদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ টিকিট মূল্য। এ আকাশছোঁয়া দামের কারণে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, বিশ্বকাপ এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়ে ধনীদের আসরে পরিণত হয়েছে। ব্যাপক সমালোচনার মুখে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির কৌশল ও নীতিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

ফাইনালের দায়িত্বে আর্জেন্টিনা-সৌদি ম্যাচের সেই বিতর্কিত রেফারি





