মেসিকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন আর্জেন্টাইন কোচ

মেসিকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন আর্জেন্টাইন কোচ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোট নিয়ে আর্জেন্টিনা শিবিরের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা এবার রূপ নিল বাস্তবে। জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার সময় আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক পুরোপুরি ফিট থাকবেন না বলে জানিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। এতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি ইন্টার মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন আটবারের ব্যাল ডি'অরজয়ী মহাতারকা। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ৬-৪ গোলের একটি শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি, যার পর থেকেই শুরু হয় এ উৎকণ্ঠা।
অবশ্য এখনই আশা হারাচ্ছেন না কোচ স্কালোনি। প্রাথমিক মেডিকেল রিপোর্টে পরিস্থিতি খুব একটা গুরুতর মনে না হলেও, চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য আরও কিছু পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দল। এ প্রসঙ্গে ডিস্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কালোনি জানান, প্রাথমিক আপডেট ইতিবাচক হলেও পরিস্থিতি কীভাবে মোড় নেয় তা দেখতে হবে। মূলত ম্যাচে একটি ফ্রি-কিক নেওয়ার সময় বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করেন মেসি। চোটের ধরণ যেমনই হোক, আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ ‘জে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে অধিনায়ককে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী আর্জেন্টিনা। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতে তিনি কতটা চেনা ছন্দে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। কোচ আরও বলেছেন, কেবল মেসিই নন, দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার বর্তমানে চোট কাটিয়ে সুস্থ হওয়ার লড়াইয়ে আছেন, যাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিশ্বকাপে সেরা অবস্থায় নামানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
আগামী ২ জুনের মধ্যে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার শেষ সময়সীমা থাকলেও স্কালোনির কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করেছে দলের দীর্ঘ চোটের তালিকা। ইউরোপা লিগের ফাইনালের ওয়ার্মআপের সময় ডান হাতের অনামিকা আঙুল ভেঙে বসেছেন নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যদিও প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়ার আশা রয়েছে। তবে ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে নিয়ে উদ্বেগটা একটু বেশি। কারণ টটেনহ্যামের অধিনায়ক ডান হাঁটুর লিগামেন্টের চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন। এর বাইরে পেশির চোটে ভুগছেন দুই ফুলব্যাক নাহুয়েল মলিনা ও গঞ্জালো মন্তিয়েল। হাঁটুর সমস্যায় সিরি আ-র শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি কোমোর মিডফিল্ডার নিকো পাস এবং নিকোলাস গনসালেসও সবেমাত্র চোট কাটিয়ে ফেরার শেষ ধাপে রয়েছেন।
এমন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বিকল্প প্রস্তুত রাখতে আসন্ন প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর জন্য প্রাথমিক স্কোয়াডের বহর বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন স্কালোনি। ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন একঝাঁক তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার, যাদের মধ্যে রয়েছেন রিভার প্লেটের সান্তিয়াগো বেলত্রান ও হোয়াকিন ফ্রেইতাস, হামবুর্গের নিকোলাস কাপালদো এবং পালমেইরাসের আগুস্তিন গিয়াই। স্কালোনির মতে, তরুণদের ডাকা শুধু ভবিষ্যতের দল গঠনের দূরদর্শী পরিকল্পনাই নয়, বরং যেকোনো আকস্মিক সংকট সামাল দেওয়ার আগাম প্রস্তুতি। কারণ চূড়ান্ত দল ঘোষণার পর প্রথম ম্যাচের আগ পর্যন্ত যেকোনো অঘটন বা নতুন ইনজুরির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার সুযোগ থাকবে, আর সেই সুযোগটাই হাতছাড়া করতে চায় না বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোট নিয়ে আর্জেন্টিনা শিবিরের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা এবার রূপ নিল বাস্তবে। জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার সময় আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক পুরোপুরি ফিট থাকবেন না বলে জানিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। এতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি ইন্টার মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন আটবারের ব্যাল ডি'অরজয়ী মহাতারকা। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ৬-৪ গোলের একটি শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি, যার পর থেকেই শুরু হয় এ উৎকণ্ঠা।
অবশ্য এখনই আশা হারাচ্ছেন না কোচ স্কালোনি। প্রাথমিক মেডিকেল রিপোর্টে পরিস্থিতি খুব একটা গুরুতর মনে না হলেও, চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য আরও কিছু পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দল। এ প্রসঙ্গে ডিস্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কালোনি জানান, প্রাথমিক আপডেট ইতিবাচক হলেও পরিস্থিতি কীভাবে মোড় নেয় তা দেখতে হবে। মূলত ম্যাচে একটি ফ্রি-কিক নেওয়ার সময় বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করেন মেসি। চোটের ধরণ যেমনই হোক, আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ ‘জে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে অধিনায়ককে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী আর্জেন্টিনা। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতে তিনি কতটা চেনা ছন্দে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। কোচ আরও বলেছেন, কেবল মেসিই নন, দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার বর্তমানে চোট কাটিয়ে সুস্থ হওয়ার লড়াইয়ে আছেন, যাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিশ্বকাপে সেরা অবস্থায় নামানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
আগামী ২ জুনের মধ্যে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার শেষ সময়সীমা থাকলেও স্কালোনির কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করেছে দলের দীর্ঘ চোটের তালিকা। ইউরোপা লিগের ফাইনালের ওয়ার্মআপের সময় ডান হাতের অনামিকা আঙুল ভেঙে বসেছেন নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যদিও প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়ার আশা রয়েছে। তবে ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে নিয়ে উদ্বেগটা একটু বেশি। কারণ টটেনহ্যামের অধিনায়ক ডান হাঁটুর লিগামেন্টের চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন। এর বাইরে পেশির চোটে ভুগছেন দুই ফুলব্যাক নাহুয়েল মলিনা ও গঞ্জালো মন্তিয়েল। হাঁটুর সমস্যায় সিরি আ-র শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি কোমোর মিডফিল্ডার নিকো পাস এবং নিকোলাস গনসালেসও সবেমাত্র চোট কাটিয়ে ফেরার শেষ ধাপে রয়েছেন।
এমন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বিকল্প প্রস্তুত রাখতে আসন্ন প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর জন্য প্রাথমিক স্কোয়াডের বহর বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন স্কালোনি। ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন একঝাঁক তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার, যাদের মধ্যে রয়েছেন রিভার প্লেটের সান্তিয়াগো বেলত্রান ও হোয়াকিন ফ্রেইতাস, হামবুর্গের নিকোলাস কাপালদো এবং পালমেইরাসের আগুস্তিন গিয়াই। স্কালোনির মতে, তরুণদের ডাকা শুধু ভবিষ্যতের দল গঠনের দূরদর্শী পরিকল্পনাই নয়, বরং যেকোনো আকস্মিক সংকট সামাল দেওয়ার আগাম প্রস্তুতি। কারণ চূড়ান্ত দল ঘোষণার পর প্রথম ম্যাচের আগ পর্যন্ত যেকোনো অঘটন বা নতুন ইনজুরির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার সুযোগ থাকবে, আর সেই সুযোগটাই হাতছাড়া করতে চায় না বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

মেসিকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন আর্জেন্টাইন কোচ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোট নিয়ে আর্জেন্টিনা শিবিরের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা এবার রূপ নিল বাস্তবে। জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার সময় আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক পুরোপুরি ফিট থাকবেন না বলে জানিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। এতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি ইন্টার মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন আটবারের ব্যাল ডি'অরজয়ী মহাতারকা। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ৬-৪ গোলের একটি শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি, যার পর থেকেই শুরু হয় এ উৎকণ্ঠা।
অবশ্য এখনই আশা হারাচ্ছেন না কোচ স্কালোনি। প্রাথমিক মেডিকেল রিপোর্টে পরিস্থিতি খুব একটা গুরুতর মনে না হলেও, চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য আরও কিছু পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দল। এ প্রসঙ্গে ডিস্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কালোনি জানান, প্রাথমিক আপডেট ইতিবাচক হলেও পরিস্থিতি কীভাবে মোড় নেয় তা দেখতে হবে। মূলত ম্যাচে একটি ফ্রি-কিক নেওয়ার সময় বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করেন মেসি। চোটের ধরণ যেমনই হোক, আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ ‘জে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে অধিনায়ককে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী আর্জেন্টিনা। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতে তিনি কতটা চেনা ছন্দে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। কোচ আরও বলেছেন, কেবল মেসিই নন, দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার বর্তমানে চোট কাটিয়ে সুস্থ হওয়ার লড়াইয়ে আছেন, যাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিশ্বকাপে সেরা অবস্থায় নামানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
আগামী ২ জুনের মধ্যে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার শেষ সময়সীমা থাকলেও স্কালোনির কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করেছে দলের দীর্ঘ চোটের তালিকা। ইউরোপা লিগের ফাইনালের ওয়ার্মআপের সময় ডান হাতের অনামিকা আঙুল ভেঙে বসেছেন নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যদিও প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়ার আশা রয়েছে। তবে ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে নিয়ে উদ্বেগটা একটু বেশি। কারণ টটেনহ্যামের অধিনায়ক ডান হাঁটুর লিগামেন্টের চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন। এর বাইরে পেশির চোটে ভুগছেন দুই ফুলব্যাক নাহুয়েল মলিনা ও গঞ্জালো মন্তিয়েল। হাঁটুর সমস্যায় সিরি আ-র শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি কোমোর মিডফিল্ডার নিকো পাস এবং নিকোলাস গনসালেসও সবেমাত্র চোট কাটিয়ে ফেরার শেষ ধাপে রয়েছেন।
এমন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বিকল্প প্রস্তুত রাখতে আসন্ন প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর জন্য প্রাথমিক স্কোয়াডের বহর বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন স্কালোনি। ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন একঝাঁক তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার, যাদের মধ্যে রয়েছেন রিভার প্লেটের সান্তিয়াগো বেলত্রান ও হোয়াকিন ফ্রেইতাস, হামবুর্গের নিকোলাস কাপালদো এবং পালমেইরাসের আগুস্তিন গিয়াই। স্কালোনির মতে, তরুণদের ডাকা শুধু ভবিষ্যতের দল গঠনের দূরদর্শী পরিকল্পনাই নয়, বরং যেকোনো আকস্মিক সংকট সামাল দেওয়ার আগাম প্রস্তুতি। কারণ চূড়ান্ত দল ঘোষণার পর প্রথম ম্যাচের আগ পর্যন্ত যেকোনো অঘটন বা নতুন ইনজুরির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার সুযোগ থাকবে, আর সেই সুযোগটাই হাতছাড়া করতে চায় না বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিশ্বকাপে মরক্কোর দল ঘোষণা
কমনওয়েলথ দাবায় স্বর্ণ জিতলেন সাকলাইন

