ভিএআরের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ফ্রয়েলার, ফিফার কাছে চাইলেন ব্যাখ্যা

ভিএআরের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ফ্রয়েলার, ফিফার কাছে চাইলেন ব্যাখ্যা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ থেকে সুইজারল্যান্ডের বিদায়ের চেয়েও ফুটবল মহলে এখন আলোচনায় রেফারিংয়ের একটি সিদ্ধান্ত। কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে সুইসরা। তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী মুহূর্তে ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলোর লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভিএআরের সাহায্যে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন সুইস মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়েলার।
দলের এমন বিদায়ে তীব্র হতাশা প্রকাশ করলেও সতীর্থদের লড়াইকে উঁচিয়ে ধরেছেন ফ্রয়েলার। তিনি জানিয়েছেন, দেশের জন্য শতভাগ উজাড় করে দিয়ে লড়লেও ভিএআরের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, ফিফাকে অবশ্যই এর স্পষ্ট জবাব দিতে হবে। মূলত এবারের বিশ্বকাপে চালু হওয়া ‘ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণ’ সংক্রান্ত নতুন নিয়মের গ্যাঁড়াকলে পড়েই মাঠ ছাড়তে হয় এম্বোলোকে। মধ্যমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে সুইস ফরোয়ার্ডের সংঘর্ষের পর রেফারি প্রথমে ভুলবশত আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভিএআর প্রযুক্তির ফুটেজ দেখে রেফারি নিজের ভুল সংশোধন করেন এবং এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত অবশ্য মাঠের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনাকে সমানে সমানে টেক্কা দিয়েছিল সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে আলবিসেলেস্তেরা লিড নিলেও, দ্বিতীয়ার্ধে দান এনদোয়ে গোল করে সুইসদের সমতায় ফেরান। কিন্তু শেষদিকের লাল কার্ডের ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি সুইজারল্যান্ড। একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা সুইস রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ গোল করে আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন।

বিশ্বকাপ থেকে সুইজারল্যান্ডের বিদায়ের চেয়েও ফুটবল মহলে এখন আলোচনায় রেফারিংয়ের একটি সিদ্ধান্ত। কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে সুইসরা। তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী মুহূর্তে ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলোর লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভিএআরের সাহায্যে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন সুইস মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়েলার।
দলের এমন বিদায়ে তীব্র হতাশা প্রকাশ করলেও সতীর্থদের লড়াইকে উঁচিয়ে ধরেছেন ফ্রয়েলার। তিনি জানিয়েছেন, দেশের জন্য শতভাগ উজাড় করে দিয়ে লড়লেও ভিএআরের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, ফিফাকে অবশ্যই এর স্পষ্ট জবাব দিতে হবে। মূলত এবারের বিশ্বকাপে চালু হওয়া ‘ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণ’ সংক্রান্ত নতুন নিয়মের গ্যাঁড়াকলে পড়েই মাঠ ছাড়তে হয় এম্বোলোকে। মধ্যমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে সুইস ফরোয়ার্ডের সংঘর্ষের পর রেফারি প্রথমে ভুলবশত আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভিএআর প্রযুক্তির ফুটেজ দেখে রেফারি নিজের ভুল সংশোধন করেন এবং এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত অবশ্য মাঠের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনাকে সমানে সমানে টেক্কা দিয়েছিল সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে আলবিসেলেস্তেরা লিড নিলেও, দ্বিতীয়ার্ধে দান এনদোয়ে গোল করে সুইসদের সমতায় ফেরান। কিন্তু শেষদিকের লাল কার্ডের ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি সুইজারল্যান্ড। একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা সুইস রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ গোল করে আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন।

ভিএআরের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ফ্রয়েলার, ফিফার কাছে চাইলেন ব্যাখ্যা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ থেকে সুইজারল্যান্ডের বিদায়ের চেয়েও ফুটবল মহলে এখন আলোচনায় রেফারিংয়ের একটি সিদ্ধান্ত। কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে সুইসরা। তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী মুহূর্তে ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলোর লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভিএআরের সাহায্যে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন সুইস মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়েলার।
দলের এমন বিদায়ে তীব্র হতাশা প্রকাশ করলেও সতীর্থদের লড়াইকে উঁচিয়ে ধরেছেন ফ্রয়েলার। তিনি জানিয়েছেন, দেশের জন্য শতভাগ উজাড় করে দিয়ে লড়লেও ভিএআরের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, ফিফাকে অবশ্যই এর স্পষ্ট জবাব দিতে হবে। মূলত এবারের বিশ্বকাপে চালু হওয়া ‘ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণ’ সংক্রান্ত নতুন নিয়মের গ্যাঁড়াকলে পড়েই মাঠ ছাড়তে হয় এম্বোলোকে। মধ্যমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে সুইস ফরোয়ার্ডের সংঘর্ষের পর রেফারি প্রথমে ভুলবশত আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভিএআর প্রযুক্তির ফুটেজ দেখে রেফারি নিজের ভুল সংশোধন করেন এবং এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত অবশ্য মাঠের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনাকে সমানে সমানে টেক্কা দিয়েছিল সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে আলবিসেলেস্তেরা লিড নিলেও, দ্বিতীয়ার্ধে দান এনদোয়ে গোল করে সুইসদের সমতায় ফেরান। কিন্তু শেষদিকের লাল কার্ডের ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি সুইজারল্যান্ড। একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা সুইস রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ গোল করে আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন।

আর্জেন্টিনার জয়ে ব্যর্থ স্পিডের ‘কুফা’ মিশন

