টাইব্রেকারের আগে এমবাপ্পের ভিডিও দেখে বাজিমাত মিসরের

টাইব্রেকারের আগে এমবাপ্পের ভিডিও দেখে বাজিমাত মিসরের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় পেয়ে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মিসর। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে টাইব্রেকার শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ডাগআউটে মিসরীয় ফুটবলারদের ল্যাপটপ স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকার একটি দৃশ্য বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মোহাম্মদ সালাহদের এমন রহস্যময় আচরণের পেছনের আসল ঘটনাটি প্রকাশ্যে এনেছে ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোল ডটকম।
জানা গেছে, পেনাল্টি শুটআউটের ঠিক আগমুহূর্তে মিসরের ফুটবলাররা রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি পেনাল্টি শটের ভিডিও ক্লিপ দেখছিলেন। তবে তাদের মূল লক্ষ্য এমবাপ্পে ছিলেন না, বরং তাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানো অস্ট্রেলিয়ার বদলি গোলরক্ষক ম্যাট রায়ান। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ১২০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার ঠিক এক মিনিট আগে এক বিশেষ কৌশল খাটান অজি কোচ। মূল গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচকে তুলে নিয়ে টাইব্রেকার স্পেশালিস্ট খ্যাত ম্যাট রায়ানকে মাঠে নামানো হয় মিসরীয়দের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে।
কিন্তু প্রতিপক্ষের এ আকস্মিক চাল ভেস্তে দিতে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেননি মিসরের টেকনিক্যাল অ্যানালিস্টরা। তারা দ্রুত ডাগআউটে ল্যাপটপ খুলে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি লা লিগায় অনুষ্ঠিত রিয়াল মাদ্রিদ বনাম লেভান্তের ম্যাচের একটি ভিডিও ক্লিপ বের করেন। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ম্যাট রায়ানের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি নিয়েছিলেন এমবাপ্পে। সাধারণত রায়ানের একটি পরিচিত কৌশল হলো, পেনাল্টি শটের আগে তিনি গোললাইনে শরীর দুলিয়ে নাচানাচি করেন, যেন শুটার মনোযোগ হারিয়ে বিভ্রান্ত হন। সেই ম্যাচে এমবাপ্পে কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে রায়ানকে ভুল দিকে পাঠিয়ে গোল করেছিলেন এবং পরে রায়ানের সেই নাচের ভঙ্গি নকল করে উদযাপনও করেন।
মিসরের কোচিং স্টাফরা দলের খেলোয়াড়দের মূলত দুটি বিষয় বুঝিয়েছিলেন। প্রথমত, রায়ানের শরীর দোলানোর গতিবিধি ও তার ডাইভ দেওয়ার প্রিয় দিক এবং দ্বিতীয়ত, তার এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কীভাবে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শট নিতে হয়। এই তাৎক্ষণিক হোমওয়ার্কের সুফল হাতেনাতে পায় মিসর। দলের প্রথম পেনাল্টি নিতে এসে অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ ঠিক এমবাপ্পের কায়দাতেই রায়ানকে বোকা বানিয়ে চিপ শটে (পেনেনকা) দুর্দান্ত গোল করেন। ল্যাপটপে রায়ানের কৌশল আগেই ধরে ফেলায় অজি গোলরক্ষক মিসরের একটি শটও ঠেকাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সুটার ও লুকাস হ্যারিংটন শট মিস করলে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে শেষ ১৬-তে পা রাখে মিশর।

বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় পেয়ে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মিসর। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে টাইব্রেকার শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ডাগআউটে মিসরীয় ফুটবলারদের ল্যাপটপ স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকার একটি দৃশ্য বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মোহাম্মদ সালাহদের এমন রহস্যময় আচরণের পেছনের আসল ঘটনাটি প্রকাশ্যে এনেছে ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোল ডটকম।
জানা গেছে, পেনাল্টি শুটআউটের ঠিক আগমুহূর্তে মিসরের ফুটবলাররা রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি পেনাল্টি শটের ভিডিও ক্লিপ দেখছিলেন। তবে তাদের মূল লক্ষ্য এমবাপ্পে ছিলেন না, বরং তাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানো অস্ট্রেলিয়ার বদলি গোলরক্ষক ম্যাট রায়ান। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ১২০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার ঠিক এক মিনিট আগে এক বিশেষ কৌশল খাটান অজি কোচ। মূল গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচকে তুলে নিয়ে টাইব্রেকার স্পেশালিস্ট খ্যাত ম্যাট রায়ানকে মাঠে নামানো হয় মিসরীয়দের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে।
কিন্তু প্রতিপক্ষের এ আকস্মিক চাল ভেস্তে দিতে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেননি মিসরের টেকনিক্যাল অ্যানালিস্টরা। তারা দ্রুত ডাগআউটে ল্যাপটপ খুলে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি লা লিগায় অনুষ্ঠিত রিয়াল মাদ্রিদ বনাম লেভান্তের ম্যাচের একটি ভিডিও ক্লিপ বের করেন। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ম্যাট রায়ানের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি নিয়েছিলেন এমবাপ্পে। সাধারণত রায়ানের একটি পরিচিত কৌশল হলো, পেনাল্টি শটের আগে তিনি গোললাইনে শরীর দুলিয়ে নাচানাচি করেন, যেন শুটার মনোযোগ হারিয়ে বিভ্রান্ত হন। সেই ম্যাচে এমবাপ্পে কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে রায়ানকে ভুল দিকে পাঠিয়ে গোল করেছিলেন এবং পরে রায়ানের সেই নাচের ভঙ্গি নকল করে উদযাপনও করেন।
মিসরের কোচিং স্টাফরা দলের খেলোয়াড়দের মূলত দুটি বিষয় বুঝিয়েছিলেন। প্রথমত, রায়ানের শরীর দোলানোর গতিবিধি ও তার ডাইভ দেওয়ার প্রিয় দিক এবং দ্বিতীয়ত, তার এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কীভাবে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শট নিতে হয়। এই তাৎক্ষণিক হোমওয়ার্কের সুফল হাতেনাতে পায় মিসর। দলের প্রথম পেনাল্টি নিতে এসে অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ ঠিক এমবাপ্পের কায়দাতেই রায়ানকে বোকা বানিয়ে চিপ শটে (পেনেনকা) দুর্দান্ত গোল করেন। ল্যাপটপে রায়ানের কৌশল আগেই ধরে ফেলায় অজি গোলরক্ষক মিসরের একটি শটও ঠেকাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সুটার ও লুকাস হ্যারিংটন শট মিস করলে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে শেষ ১৬-তে পা রাখে মিশর।

টাইব্রেকারের আগে এমবাপ্পের ভিডিও দেখে বাজিমাত মিসরের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় পেয়ে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে মিসর। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে টাইব্রেকার শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে ডাগআউটে মিসরীয় ফুটবলারদের ল্যাপটপ স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকার একটি দৃশ্য বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মোহাম্মদ সালাহদের এমন রহস্যময় আচরণের পেছনের আসল ঘটনাটি প্রকাশ্যে এনেছে ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোল ডটকম।
জানা গেছে, পেনাল্টি শুটআউটের ঠিক আগমুহূর্তে মিসরের ফুটবলাররা রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি পেনাল্টি শটের ভিডিও ক্লিপ দেখছিলেন। তবে তাদের মূল লক্ষ্য এমবাপ্পে ছিলেন না, বরং তাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানো অস্ট্রেলিয়ার বদলি গোলরক্ষক ম্যাট রায়ান। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ১২০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার ঠিক এক মিনিট আগে এক বিশেষ কৌশল খাটান অজি কোচ। মূল গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচকে তুলে নিয়ে টাইব্রেকার স্পেশালিস্ট খ্যাত ম্যাট রায়ানকে মাঠে নামানো হয় মিসরীয়দের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে।
কিন্তু প্রতিপক্ষের এ আকস্মিক চাল ভেস্তে দিতে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেননি মিসরের টেকনিক্যাল অ্যানালিস্টরা। তারা দ্রুত ডাগআউটে ল্যাপটপ খুলে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি লা লিগায় অনুষ্ঠিত রিয়াল মাদ্রিদ বনাম লেভান্তের ম্যাচের একটি ভিডিও ক্লিপ বের করেন। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ম্যাট রায়ানের মুখোমুখি হয়ে পেনাল্টি নিয়েছিলেন এমবাপ্পে। সাধারণত রায়ানের একটি পরিচিত কৌশল হলো, পেনাল্টি শটের আগে তিনি গোললাইনে শরীর দুলিয়ে নাচানাচি করেন, যেন শুটার মনোযোগ হারিয়ে বিভ্রান্ত হন। সেই ম্যাচে এমবাপ্পে কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে রায়ানকে ভুল দিকে পাঠিয়ে গোল করেছিলেন এবং পরে রায়ানের সেই নাচের ভঙ্গি নকল করে উদযাপনও করেন।
মিসরের কোচিং স্টাফরা দলের খেলোয়াড়দের মূলত দুটি বিষয় বুঝিয়েছিলেন। প্রথমত, রায়ানের শরীর দোলানোর গতিবিধি ও তার ডাইভ দেওয়ার প্রিয় দিক এবং দ্বিতীয়ত, তার এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কীভাবে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শট নিতে হয়। এই তাৎক্ষণিক হোমওয়ার্কের সুফল হাতেনাতে পায় মিসর। দলের প্রথম পেনাল্টি নিতে এসে অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ ঠিক এমবাপ্পের কায়দাতেই রায়ানকে বোকা বানিয়ে চিপ শটে (পেনেনকা) দুর্দান্ত গোল করেন। ল্যাপটপে রায়ানের কৌশল আগেই ধরে ফেলায় অজি গোলরক্ষক মিসরের একটি শটও ঠেকাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সুটার ও লুকাস হ্যারিংটন শট মিস করলে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে শেষ ১৬-তে পা রাখে মিশর।

অস্ট্রেলিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলোতে মিসর


