‘৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে’

‘৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে’
রংপুর সংবাদদাতা

আগামী ৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয় মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের কেউ যেন দুর্নীতিতে না জড়ায় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কারণ দিনশেষে জনপ্রতিনিধিকে জনগণের কাছে এবং সরকারকে সংসদে জবাবদিহি করতে হয়। তাই দুর্নীতি করলে কেউ ক্ষমা পাবে না। বিগত দিনের দুর্নীতি নিয়ে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। সরকারের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে উপকারভোগী হতে হলে কিছু মানদণ্ড রয়েছে। উপকারভোগীদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে প্রথমে জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য কম্পিউটার যাচাই করে নির্ধারণ করবে কারা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন। আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুর নগরীসহ সারাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি সেবা কার্যক্রমে এখন আর কোনো নগদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা নেই। সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের টাকাও উপকারভোগী সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচ্ছেন। মধ্যস্বত্ত্বভোগী না থাকায় উপকারভোগীরা স্বস্তিতে রয়েছেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬ ভাগ প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছে। দেশে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছে। সেই প্রতিবন্ধীদের সাপোর্ট করাসহ জনসম্পদে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট প্রতিবন্ধীদের জন্য এলাকায় গিয়ে কাজ করছে। আগামীতে এর কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব ছিল। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে নিয়মিত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। একসময় এমন নির্বাচন হয়েছে যেখানে ভোটার উপস্থিত না থাকলেও ভোট সম্পন্ন হয়েছে। রাতে ভোট হয়েছে, কোথাও প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল না, আবার কোথাও ডামি নির্বাচন হয়েছে। ফলে জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা ছিল কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি, জনগণের প্রতি নয়।

আগামী ৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয় মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের কেউ যেন দুর্নীতিতে না জড়ায় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কারণ দিনশেষে জনপ্রতিনিধিকে জনগণের কাছে এবং সরকারকে সংসদে জবাবদিহি করতে হয়। তাই দুর্নীতি করলে কেউ ক্ষমা পাবে না। বিগত দিনের দুর্নীতি নিয়ে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। সরকারের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে উপকারভোগী হতে হলে কিছু মানদণ্ড রয়েছে। উপকারভোগীদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে প্রথমে জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য কম্পিউটার যাচাই করে নির্ধারণ করবে কারা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন। আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুর নগরীসহ সারাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি সেবা কার্যক্রমে এখন আর কোনো নগদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা নেই। সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের টাকাও উপকারভোগী সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচ্ছেন। মধ্যস্বত্ত্বভোগী না থাকায় উপকারভোগীরা স্বস্তিতে রয়েছেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬ ভাগ প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছে। দেশে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছে। সেই প্রতিবন্ধীদের সাপোর্ট করাসহ জনসম্পদে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট প্রতিবন্ধীদের জন্য এলাকায় গিয়ে কাজ করছে। আগামীতে এর কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব ছিল। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে নিয়মিত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। একসময় এমন নির্বাচন হয়েছে যেখানে ভোটার উপস্থিত না থাকলেও ভোট সম্পন্ন হয়েছে। রাতে ভোট হয়েছে, কোথাও প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল না, আবার কোথাও ডামি নির্বাচন হয়েছে। ফলে জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা ছিল কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি, জনগণের প্রতি নয়।

‘৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে’
রংপুর সংবাদদাতা

আগামী ৩ মাসের মধ্যে দেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয় মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের কেউ যেন দুর্নীতিতে না জড়ায় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কারণ দিনশেষে জনপ্রতিনিধিকে জনগণের কাছে এবং সরকারকে সংসদে জবাবদিহি করতে হয়। তাই দুর্নীতি করলে কেউ ক্ষমা পাবে না। বিগত দিনের দুর্নীতি নিয়ে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। সরকারের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে উপকারভোগী হতে হলে কিছু মানদণ্ড রয়েছে। উপকারভোগীদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে প্রথমে জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য কম্পিউটার যাচাই করে নির্ধারণ করবে কারা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন। আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুর নগরীসহ সারাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি সেবা কার্যক্রমে এখন আর কোনো নগদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা নেই। সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের টাকাও উপকারভোগী সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচ্ছেন। মধ্যস্বত্ত্বভোগী না থাকায় উপকারভোগীরা স্বস্তিতে রয়েছেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬ ভাগ প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছে। দেশে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছে। সেই প্রতিবন্ধীদের সাপোর্ট করাসহ জনসম্পদে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট প্রতিবন্ধীদের জন্য এলাকায় গিয়ে কাজ করছে। আগামীতে এর কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব ছিল। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে নিয়মিত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। একসময় এমন নির্বাচন হয়েছে যেখানে ভোটার উপস্থিত না থাকলেও ভোট সম্পন্ন হয়েছে। রাতে ভোট হয়েছে, কোথাও প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল না, আবার কোথাও ডামি নির্বাচন হয়েছে। ফলে জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা ছিল কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি, জনগণের প্রতি নয়।

নারী উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী


