বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড

বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

এবারের বিশ্বকাপে যেন আত্মঘাতী গোলের ছড়াছড়ি। রাউন্ড অব থার্টির শেষ ম্যাচ দিবসেও দুটি আত্মঘাতী গোল হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিসর পিছিয়ে পড়েছিল মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে। এই গোলটির পরই বিশ্বকাপের এক আসরে আত্মঘাতীর রেকর্ড যায় ভেঙে। পরে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দেও হেরেছে আত্মঘাতী গোলে।
এ দুটি নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আত্মঘাতী গোল হয়েছে ১৪টি। এর আগে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ আত্মঘাতী গোল ছিল ১২টি। রেকর্ডটি হয়েছিল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে। এবার রাউন্ড অব বত্রিশেই রেকর্ড ভেঙে গেল। এটি যে কোথায় গিয়ে থামে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে কেন এত বেশি আত্মঘাতী গোল হচ্ছে? এরই মধ্যে ফুটবলবিশ্বে অনেকেই এই প্রশ্নটি তুলেছেন। একটা সাধারণ যুক্তি তো আছেই, এর আগে বিশ্বকাপ হতো ৩২ দল নিয়ে। এবার বিশ্বকাপ হচ্ছে ৪৮ দলের। ম্যাচসংখ্যা বাড়ায় স্বাভাবিক গোল আর আত্মঘাতী গোল এমনিতেই বাড়ার কথা। আগে বিশ্বকাপে মোট ম্যাচই হতো ৬৪টি। এবার হবে ১০৪টি। এবার এখন পর্যন্ত যে ১৪টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে, তা মোট ৮৮টি ম্যাচে।
কারিগরি ও কৌশলগত কিছু বিষয়ও আছে। টেলিভিশন ফুটেজের উন্নতি, ভিএআর রিপ্লে ও ক্যামেরাসংখ্যা বাড়ায় এখন আগের মতো গোল কে করেছেন, সেটা নিয়ে আর দ্বিধা থাকে না। সে কারণে কোনো ডিফেন্ডারের আত্মঘাতী গোল করে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি আক্রমণের ধরনে বদল আসার প্রভাবও পড়েছে আত্মঘাতী গোলে।
আগে সাধারণত বক্সের কোনা থেকে ক্রসের একটা প্রচলন ছিল, যেগুলো গোলপোস্ট থেকে কিছু দূরে বাঁক খেয়ে যেত। বিশেষ করে ডান পায়ের ফুটবলারদের ডান দিক থেকে দেওয়া ক্রস– যেমনটা করতেন ডেভিড বেকহ্যাম। এ ধরনের ক্রসে সাধারণত ডিফেন্ডারদের আত্মঘাতী গোল করার ঝুঁকি তেমন একটা থাকে না।
কিন্তু এখন দলগুলোর আক্রমণ অনেক বেশি গতিময়। খেলোয়াড়রা এখন একদম বাইলাইন পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে বক্সের ভেতর আড়াআড়ি বল বাড়ান। ফলে ডিফেন্ডারদের বাধ্য হয়ে নিজেদের গোলপোস্টের দিকে তীব্র গতিতে ছুটে যেতে হয়। বলগুলো এমনভাবে বক্সে ঢোকে যে অনেক সময় ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে কিংবা হেড করতে গিয়ে তারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে ফেলেন। বেলজিয়াম ও মিসরের বিপক্ষে হানির দুটি আত্মঘাতী গোলই প্রায় এমনই।
ডিফেন্ডিংয়ের ধরনও আত্মঘাতী গোলে ভূমিকা রাখছে। ‘লো ব্লক’ বা রক্ষণাত্মক কৌশলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও আত্মঘাতী গোল বাড়ার কারণ। গ্রুপ পর্বে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ইরাক ফরোয়ার্ড আয়মান হুসেইন নিচে নেমে রক্ষণভাগকে সাহায্য করতে গিয়ে এভাবে বিপত্তি বাধিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন।

এবারের বিশ্বকাপে যেন আত্মঘাতী গোলের ছড়াছড়ি। রাউন্ড অব থার্টির শেষ ম্যাচ দিবসেও দুটি আত্মঘাতী গোল হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিসর পিছিয়ে পড়েছিল মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে। এই গোলটির পরই বিশ্বকাপের এক আসরে আত্মঘাতীর রেকর্ড যায় ভেঙে। পরে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দেও হেরেছে আত্মঘাতী গোলে।
এ দুটি নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আত্মঘাতী গোল হয়েছে ১৪টি। এর আগে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ আত্মঘাতী গোল ছিল ১২টি। রেকর্ডটি হয়েছিল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে। এবার রাউন্ড অব বত্রিশেই রেকর্ড ভেঙে গেল। এটি যে কোথায় গিয়ে থামে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে কেন এত বেশি আত্মঘাতী গোল হচ্ছে? এরই মধ্যে ফুটবলবিশ্বে অনেকেই এই প্রশ্নটি তুলেছেন। একটা সাধারণ যুক্তি তো আছেই, এর আগে বিশ্বকাপ হতো ৩২ দল নিয়ে। এবার বিশ্বকাপ হচ্ছে ৪৮ দলের। ম্যাচসংখ্যা বাড়ায় স্বাভাবিক গোল আর আত্মঘাতী গোল এমনিতেই বাড়ার কথা। আগে বিশ্বকাপে মোট ম্যাচই হতো ৬৪টি। এবার হবে ১০৪টি। এবার এখন পর্যন্ত যে ১৪টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে, তা মোট ৮৮টি ম্যাচে।
কারিগরি ও কৌশলগত কিছু বিষয়ও আছে। টেলিভিশন ফুটেজের উন্নতি, ভিএআর রিপ্লে ও ক্যামেরাসংখ্যা বাড়ায় এখন আগের মতো গোল কে করেছেন, সেটা নিয়ে আর দ্বিধা থাকে না। সে কারণে কোনো ডিফেন্ডারের আত্মঘাতী গোল করে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি আক্রমণের ধরনে বদল আসার প্রভাবও পড়েছে আত্মঘাতী গোলে।
আগে সাধারণত বক্সের কোনা থেকে ক্রসের একটা প্রচলন ছিল, যেগুলো গোলপোস্ট থেকে কিছু দূরে বাঁক খেয়ে যেত। বিশেষ করে ডান পায়ের ফুটবলারদের ডান দিক থেকে দেওয়া ক্রস– যেমনটা করতেন ডেভিড বেকহ্যাম। এ ধরনের ক্রসে সাধারণত ডিফেন্ডারদের আত্মঘাতী গোল করার ঝুঁকি তেমন একটা থাকে না।
কিন্তু এখন দলগুলোর আক্রমণ অনেক বেশি গতিময়। খেলোয়াড়রা এখন একদম বাইলাইন পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে বক্সের ভেতর আড়াআড়ি বল বাড়ান। ফলে ডিফেন্ডারদের বাধ্য হয়ে নিজেদের গোলপোস্টের দিকে তীব্র গতিতে ছুটে যেতে হয়। বলগুলো এমনভাবে বক্সে ঢোকে যে অনেক সময় ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে কিংবা হেড করতে গিয়ে তারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে ফেলেন। বেলজিয়াম ও মিসরের বিপক্ষে হানির দুটি আত্মঘাতী গোলই প্রায় এমনই।
ডিফেন্ডিংয়ের ধরনও আত্মঘাতী গোলে ভূমিকা রাখছে। ‘লো ব্লক’ বা রক্ষণাত্মক কৌশলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও আত্মঘাতী গোল বাড়ার কারণ। গ্রুপ পর্বে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ইরাক ফরোয়ার্ড আয়মান হুসেইন নিচে নেমে রক্ষণভাগকে সাহায্য করতে গিয়ে এভাবে বিপত্তি বাধিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন।

বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

এবারের বিশ্বকাপে যেন আত্মঘাতী গোলের ছড়াছড়ি। রাউন্ড অব থার্টির শেষ ম্যাচ দিবসেও দুটি আত্মঘাতী গোল হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিসর পিছিয়ে পড়েছিল মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে। এই গোলটির পরই বিশ্বকাপের এক আসরে আত্মঘাতীর রেকর্ড যায় ভেঙে। পরে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দেও হেরেছে আত্মঘাতী গোলে।
এ দুটি নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আত্মঘাতী গোল হয়েছে ১৪টি। এর আগে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ আত্মঘাতী গোল ছিল ১২টি। রেকর্ডটি হয়েছিল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে। এবার রাউন্ড অব বত্রিশেই রেকর্ড ভেঙে গেল। এটি যে কোথায় গিয়ে থামে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে কেন এত বেশি আত্মঘাতী গোল হচ্ছে? এরই মধ্যে ফুটবলবিশ্বে অনেকেই এই প্রশ্নটি তুলেছেন। একটা সাধারণ যুক্তি তো আছেই, এর আগে বিশ্বকাপ হতো ৩২ দল নিয়ে। এবার বিশ্বকাপ হচ্ছে ৪৮ দলের। ম্যাচসংখ্যা বাড়ায় স্বাভাবিক গোল আর আত্মঘাতী গোল এমনিতেই বাড়ার কথা। আগে বিশ্বকাপে মোট ম্যাচই হতো ৬৪টি। এবার হবে ১০৪টি। এবার এখন পর্যন্ত যে ১৪টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে, তা মোট ৮৮টি ম্যাচে।
কারিগরি ও কৌশলগত কিছু বিষয়ও আছে। টেলিভিশন ফুটেজের উন্নতি, ভিএআর রিপ্লে ও ক্যামেরাসংখ্যা বাড়ায় এখন আগের মতো গোল কে করেছেন, সেটা নিয়ে আর দ্বিধা থাকে না। সে কারণে কোনো ডিফেন্ডারের আত্মঘাতী গোল করে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি আক্রমণের ধরনে বদল আসার প্রভাবও পড়েছে আত্মঘাতী গোলে।
আগে সাধারণত বক্সের কোনা থেকে ক্রসের একটা প্রচলন ছিল, যেগুলো গোলপোস্ট থেকে কিছু দূরে বাঁক খেয়ে যেত। বিশেষ করে ডান পায়ের ফুটবলারদের ডান দিক থেকে দেওয়া ক্রস– যেমনটা করতেন ডেভিড বেকহ্যাম। এ ধরনের ক্রসে সাধারণত ডিফেন্ডারদের আত্মঘাতী গোল করার ঝুঁকি তেমন একটা থাকে না।
কিন্তু এখন দলগুলোর আক্রমণ অনেক বেশি গতিময়। খেলোয়াড়রা এখন একদম বাইলাইন পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে বক্সের ভেতর আড়াআড়ি বল বাড়ান। ফলে ডিফেন্ডারদের বাধ্য হয়ে নিজেদের গোলপোস্টের দিকে তীব্র গতিতে ছুটে যেতে হয়। বলগুলো এমনভাবে বক্সে ঢোকে যে অনেক সময় ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে কিংবা হেড করতে গিয়ে তারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে ফেলেন। বেলজিয়াম ও মিসরের বিপক্ষে হানির দুটি আত্মঘাতী গোলই প্রায় এমনই।
ডিফেন্ডিংয়ের ধরনও আত্মঘাতী গোলে ভূমিকা রাখছে। ‘লো ব্লক’ বা রক্ষণাত্মক কৌশলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও আত্মঘাতী গোল বাড়ার কারণ। গ্রুপ পর্বে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ইরাক ফরোয়ার্ড আয়মান হুসেইন নিচে নেমে রক্ষণভাগকে সাহায্য করতে গিয়ে এভাবে বিপত্তি বাধিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন।




