৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে জার্মানির জয়

৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে জার্মানির জয়
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে এবারের বিশ্বকাপের নবাগত দল কুরাসাওয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ৩-১ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানি। প্রথমার্ধে করা ওই এক গোলেই ইতহাস গড়েছিল কুরাসাও। তবে দলটি যে জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে তারা দিলো আরও চার গোল। তাতে ৭-১ ব্যবধানে কুরাসওকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
একটা সময় মনে হচ্ছিলো এই ম্যাচে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়বে জার্মানি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোনো দলের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০ গোল করার রেকর্ড আছে। ১৯৮২’র বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ১০-১ গোলে হারায় এল সালভাদোরকে।
২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ের পর টানা দুই বিশ্বকাপে তারা বাদ পড়েছিল গ্রুপ পর্বেই। তবে এবার প্রথম ম্যাচেই আবারও ২০১৪’র সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি ফিরিয়ে আনলো জার্মানি। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানি ৭-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। ১২ বছর পর আবার জার্মানরা জিতলো একই ব্যবধানে, তবে এবার গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর প্রতিপক্ষ কুরাসাও।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যায় জার্মানি। গোল করেছেন জার্মান মিডফিল্ডার এনমেচা। তবে ২১ মিনিটেই গোল শোধ করে কুরাসাও! বক্সের ভেতর থেকে কুরাসাও রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়ার বাঁ পায়ের শট ঠেকাতে পারেননি জার্মানি গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যার। বিশ্বকাপে প্রথম গোল কুরাসাওয়ের! তাতে হিউস্টন স্টেডিয়ামের গ্যালারির একটি অংশে ‘নীল ঢেউ’ এর গর্জন ওঠে। মুহূর্তটা কখনো ভুলবে না ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও।
৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে সহজ হেডে গোল করেন জার্মানির ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক। ২–১ গোলে এগিয়ে জার্মানি। ম্যাচের যোগকরা সময়ে পেনাল্টি পায় নাগেলসমানের দল। স্পটকিক থেকে প্রথমার্ধেই স্কোর ৩-১ করেন কাই হাভার্টজ।
দ্বিতীয়ার্ধের পর শুরুতেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন জামাল মুসিয়ালা। কিমিখের পাস ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন মুসিয়ালা। ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। দশ মিনিট পর ম্যাচে দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন দেনিজ উনদাভ। ৮৮ মিনিটে আবারও গোল করে ৭-১’র স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন কাই হাভার্টজ।
এই বড় জয়ের ফলে আরও একটি রেকর্ড গড়েছে জার্মানি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি গোল (২৩৯টি) তাদের। এ রেকর্ডেও জার্মানি পেছনে ফেলেছে ব্রাজিলকে।
২০১৪ সালে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ম্যানুয়েল নয়্যার আজও ছিলেন শুরুর একাদশে।
এদিন রেকর্ড গড়েছেন কুরাসাওয়ের কোচও। ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজতেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ হিসেবে লেখা হয়ে যায় আটফোকাটের নাম। এদিন তার বয়স ৭৮ বছর ২৬০ দিন।

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে এবারের বিশ্বকাপের নবাগত দল কুরাসাওয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ৩-১ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানি। প্রথমার্ধে করা ওই এক গোলেই ইতহাস গড়েছিল কুরাসাও। তবে দলটি যে জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে তারা দিলো আরও চার গোল। তাতে ৭-১ ব্যবধানে কুরাসওকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
একটা সময় মনে হচ্ছিলো এই ম্যাচে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়বে জার্মানি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোনো দলের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০ গোল করার রেকর্ড আছে। ১৯৮২’র বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ১০-১ গোলে হারায় এল সালভাদোরকে।
২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ের পর টানা দুই বিশ্বকাপে তারা বাদ পড়েছিল গ্রুপ পর্বেই। তবে এবার প্রথম ম্যাচেই আবারও ২০১৪’র সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি ফিরিয়ে আনলো জার্মানি। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানি ৭-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। ১২ বছর পর আবার জার্মানরা জিতলো একই ব্যবধানে, তবে এবার গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর প্রতিপক্ষ কুরাসাও।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যায় জার্মানি। গোল করেছেন জার্মান মিডফিল্ডার এনমেচা। তবে ২১ মিনিটেই গোল শোধ করে কুরাসাও! বক্সের ভেতর থেকে কুরাসাও রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়ার বাঁ পায়ের শট ঠেকাতে পারেননি জার্মানি গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যার। বিশ্বকাপে প্রথম গোল কুরাসাওয়ের! তাতে হিউস্টন স্টেডিয়ামের গ্যালারির একটি অংশে ‘নীল ঢেউ’ এর গর্জন ওঠে। মুহূর্তটা কখনো ভুলবে না ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও।
৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে সহজ হেডে গোল করেন জার্মানির ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক। ২–১ গোলে এগিয়ে জার্মানি। ম্যাচের যোগকরা সময়ে পেনাল্টি পায় নাগেলসমানের দল। স্পটকিক থেকে প্রথমার্ধেই স্কোর ৩-১ করেন কাই হাভার্টজ।
দ্বিতীয়ার্ধের পর শুরুতেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন জামাল মুসিয়ালা। কিমিখের পাস ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন মুসিয়ালা। ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। দশ মিনিট পর ম্যাচে দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন দেনিজ উনদাভ। ৮৮ মিনিটে আবারও গোল করে ৭-১’র স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন কাই হাভার্টজ।
এই বড় জয়ের ফলে আরও একটি রেকর্ড গড়েছে জার্মানি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি গোল (২৩৯টি) তাদের। এ রেকর্ডেও জার্মানি পেছনে ফেলেছে ব্রাজিলকে।
২০১৪ সালে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ম্যানুয়েল নয়্যার আজও ছিলেন শুরুর একাদশে।
এদিন রেকর্ড গড়েছেন কুরাসাওয়ের কোচও। ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজতেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ হিসেবে লেখা হয়ে যায় আটফোকাটের নাম। এদিন তার বয়স ৭৮ বছর ২৬০ দিন।

৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে জার্মানির জয়
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে এবারের বিশ্বকাপের নবাগত দল কুরাসাওয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ৩-১ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানি। প্রথমার্ধে করা ওই এক গোলেই ইতহাস গড়েছিল কুরাসাও। তবে দলটি যে জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে তারা দিলো আরও চার গোল। তাতে ৭-১ ব্যবধানে কুরাসওকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
একটা সময় মনে হচ্ছিলো এই ম্যাচে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়বে জার্মানি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোনো দলের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০ গোল করার রেকর্ড আছে। ১৯৮২’র বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ১০-১ গোলে হারায় এল সালভাদোরকে।
২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ের পর টানা দুই বিশ্বকাপে তারা বাদ পড়েছিল গ্রুপ পর্বেই। তবে এবার প্রথম ম্যাচেই আবারও ২০১৪’র সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি ফিরিয়ে আনলো জার্মানি। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানি ৭-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। ১২ বছর পর আবার জার্মানরা জিতলো একই ব্যবধানে, তবে এবার গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর প্রতিপক্ষ কুরাসাও।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যায় জার্মানি। গোল করেছেন জার্মান মিডফিল্ডার এনমেচা। তবে ২১ মিনিটেই গোল শোধ করে কুরাসাও! বক্সের ভেতর থেকে কুরাসাও রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়ার বাঁ পায়ের শট ঠেকাতে পারেননি জার্মানি গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যার। বিশ্বকাপে প্রথম গোল কুরাসাওয়ের! তাতে হিউস্টন স্টেডিয়ামের গ্যালারির একটি অংশে ‘নীল ঢেউ’ এর গর্জন ওঠে। মুহূর্তটা কখনো ভুলবে না ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও।
৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে সহজ হেডে গোল করেন জার্মানির ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক। ২–১ গোলে এগিয়ে জার্মানি। ম্যাচের যোগকরা সময়ে পেনাল্টি পায় নাগেলসমানের দল। স্পটকিক থেকে প্রথমার্ধেই স্কোর ৩-১ করেন কাই হাভার্টজ।
দ্বিতীয়ার্ধের পর শুরুতেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন জামাল মুসিয়ালা। কিমিখের পাস ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন মুসিয়ালা। ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। দশ মিনিট পর ম্যাচে দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন দেনিজ উনদাভ। ৮৮ মিনিটে আবারও গোল করে ৭-১’র স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন কাই হাভার্টজ।
এই বড় জয়ের ফলে আরও একটি রেকর্ড গড়েছে জার্মানি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি গোল (২৩৯টি) তাদের। এ রেকর্ডেও জার্মানি পেছনে ফেলেছে ব্রাজিলকে।
২০১৪ সালে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ম্যানুয়েল নয়্যার আজও ছিলেন শুরুর একাদশে।
এদিন রেকর্ড গড়েছেন কুরাসাওয়ের কোচও। ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজতেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ হিসেবে লেখা হয়ে যায় আটফোকাটের নাম। এদিন তার বয়স ৭৮ বছর ২৬০ দিন।

জাপান ম্যাচের আগে সুখবর পেলো ডাচরা
২ বছর পর জার্মানির একাদশে নয়্যার

