মুচকি হাসিতে জবাব রোনালদো-মার্তিনেজের

মুচকি হাসিতে জবাব রোনালদো-মার্তিনেজের
রুবেল আবিদ

বিশ্ব-নাচের মঞ্চে লিওনেল মেসি যখন স্তুতির পুষ্প বৃষ্টিতে ভিজছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নামলেন তার শেষ নাচের দ্বিতীয় পর্বে। প্রথম পর্বের ব্যর্থতায় পর্তুগিজ তারকার চিরকালীন ঋজু কাঁধটা তখন একটু যেন ঝুঁকেই ছিল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি গোল করতে পারেননি, দলও জিততে পারেনি। পর্তুগালের ১-১ গোলের ড্রয়ের সব দায় গিয়ে পড়েছিল রোনালদোর ঋজু কাঁধে। সেটা ঝুঁকে একটু যাবেই!
বিশ্ব-নাচের মঞ্চে তাই রোনালদো যখন তার দ্বিতীয় পর্বে পারফর্ম করতে নামেন, কোটি কোটি চোখ সার্চ লাইটের মতো নিবদ্ধ ছিল তার দিকে। পর্তুগাল-উজবেকিস্তান ম্যাচ, কিন্তু এ ম্যাচের আবহসঙ্গীত হিসেবে বাজছিল মেসির প্রশংসাগাঁথা। লাখ লাখ কলম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল রোনালদোর ক্যারিয়ারের এপিটাফ লিখে খেলতে।
কিন্তু নামটি যখন রোনালদো, যখন তখন তার এপিটাফ লিখে ফেলা কি এত সহজ! ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে জেগে ওঠার সামর্থ্য তার আছে এবং অতীতে অনেকবারই তিনি সেটা করে দেখিয়েছেন। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে স্থাণুবৎ দাঁড়িয়ে থাকা রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট খেলানোর জন্য চরম সমালোচিত পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও হয়তো তার সবচেয়ে বড় তারকার কানে ঢেলেছেন অতীতের সেই মধুময় স্মৃতি।

তাই তো বিশ্ব-নাচের মঞ্চে নিজের দ্বিতীয় পর্বের শুরু থেকেই রোনালদো সবাইকে জাগিয়ে তুললেন দারুণ ছন্দে। রেফারি ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজালেন, রোনালদোও দৌড় শুরু করলেন। ম্যাচ শুরুর খানিক পরই বল যায় পর্তুগালের সীমানায়, রোনালদোকে খুঁজে পাওয়া গেল সেখানে।
সবচেয়ে আরাধ্য মুহূর্তটি এলো ম্যাচের ৬ মিনিটে। জোয়াও কানসেলো ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে গেলেন উজবেকিস্তানের সীমানার গভীরে। রোনালদো বক্সের মধ্যেই ছিলেন, সেখানে পর্তুগালের আরও দুজন খেলোয়াড়। কিন্তু রোনালদোকে ঘিরে ছিলেন উজবেকিস্তানের তিনজন খেলোয়াড়। কানসেলো যেখানে ছিলেন, সেখান থেকে বলটি অবশ্য রোনালদোকে দেওয়া ছাড়া কিছু করার ছিল না।
কানসেলো কাটব্যাক করে বল বাড়ালেন রোনালদোর দিকেই। সামান্য একটু ফাঁকাই পেয়েছিলেন রোনালদো। দারুণ এক হাফ–ভলিতে সেই ফাঁকা দিয়েই বল উজবেকিস্তানের জালে পাঠিয়ে ছুটে গেলেন সতীর্থদের দিকে। সবার সঙ্গে আলিঙ্গন শেষে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মুচকি একটু হাসলেন। হয়তো সব সমালোচনার জবাবই ছিল তার এই মুচকি হাসি। তুমুল আবেগ আর উত্তেজনায় রোনালদো হয়তো তার ট্রেডমার্ক সিও উদ্যাপন করতে ভুলেই গিয়েছিলেন। সবশেষে সেটাও করে দেখালেন। এরই এক ফাঁকে ক্যামেরা চলে গেল ডাগআউটে দাঁড়িয়ে থাকা মার্তিনেজের দিকে। তার ঠোটেও তখন এক চিলতে মুচকি হাসি। হয়তো রোনালদোর মতো তিনিও সব সমালোচনার জবাব দিলেন এই মুচকি হাসিতে!
৬ মিনিটের গোলটি করেই বিশ্বকাপের অনন্য এক রেকর্ডে নিজের নামটি লিখিয়ে নিয়েছেন রোনালদো। এই নিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন পর্তুগালের সোনালি প্রজন্মের শেষ সদস্য। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে নিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপেই গোল করেছেন তিনি। এই কীর্তি নেই আর কারও।
রোনালদো অবশ্য রেকর্ডের আনন্দে ভেসে যাননি। প্রথম গোলটি পাওয়ার পরও সমান তালে খেলে গেছেন। বল নিয়ে আক্রমণে উঠেছেন, বল হারালে সেটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেছেন। এর ফলও পেয়েছেন ৩৯ মিনিটে, পর্তুগালের তৃতীয় গোলটি এসেছে তারই পা থেকে। ব্রুনো ফার্নান্দেজের বাড়ানো বলটি ধরতে যেভাবে পেছন থেকে দৌড়ে এসেছেন, সেটা দেখে অনেকেরই হয়তো তরুণ রোনালদোকে মনে পড়ে গেছে। এ গোলটির পরও মুচকি হেসেছেন রোনালদো–মার্তিনেজ। রোনালদো মহাসমারোহে করেছেন সিও উদ্যাপন। যার মানে সত্যিকার অর্থেই প্রথম ম্যাচে নিজের ভাস্কর্য-রূপ থেকে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বেরিয়ে এসেছেন আসল রোনালদো!

বিশ্ব-নাচের মঞ্চে লিওনেল মেসি যখন স্তুতির পুষ্প বৃষ্টিতে ভিজছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নামলেন তার শেষ নাচের দ্বিতীয় পর্বে। প্রথম পর্বের ব্যর্থতায় পর্তুগিজ তারকার চিরকালীন ঋজু কাঁধটা তখন একটু যেন ঝুঁকেই ছিল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি গোল করতে পারেননি, দলও জিততে পারেনি। পর্তুগালের ১-১ গোলের ড্রয়ের সব দায় গিয়ে পড়েছিল রোনালদোর ঋজু কাঁধে। সেটা ঝুঁকে একটু যাবেই!
বিশ্ব-নাচের মঞ্চে তাই রোনালদো যখন তার দ্বিতীয় পর্বে পারফর্ম করতে নামেন, কোটি কোটি চোখ সার্চ লাইটের মতো নিবদ্ধ ছিল তার দিকে। পর্তুগাল-উজবেকিস্তান ম্যাচ, কিন্তু এ ম্যাচের আবহসঙ্গীত হিসেবে বাজছিল মেসির প্রশংসাগাঁথা। লাখ লাখ কলম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল রোনালদোর ক্যারিয়ারের এপিটাফ লিখে খেলতে।
কিন্তু নামটি যখন রোনালদো, যখন তখন তার এপিটাফ লিখে ফেলা কি এত সহজ! ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে জেগে ওঠার সামর্থ্য তার আছে এবং অতীতে অনেকবারই তিনি সেটা করে দেখিয়েছেন। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে স্থাণুবৎ দাঁড়িয়ে থাকা রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট খেলানোর জন্য চরম সমালোচিত পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও হয়তো তার সবচেয়ে বড় তারকার কানে ঢেলেছেন অতীতের সেই মধুময় স্মৃতি।

তাই তো বিশ্ব-নাচের মঞ্চে নিজের দ্বিতীয় পর্বের শুরু থেকেই রোনালদো সবাইকে জাগিয়ে তুললেন দারুণ ছন্দে। রেফারি ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজালেন, রোনালদোও দৌড় শুরু করলেন। ম্যাচ শুরুর খানিক পরই বল যায় পর্তুগালের সীমানায়, রোনালদোকে খুঁজে পাওয়া গেল সেখানে।
সবচেয়ে আরাধ্য মুহূর্তটি এলো ম্যাচের ৬ মিনিটে। জোয়াও কানসেলো ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে গেলেন উজবেকিস্তানের সীমানার গভীরে। রোনালদো বক্সের মধ্যেই ছিলেন, সেখানে পর্তুগালের আরও দুজন খেলোয়াড়। কিন্তু রোনালদোকে ঘিরে ছিলেন উজবেকিস্তানের তিনজন খেলোয়াড়। কানসেলো যেখানে ছিলেন, সেখান থেকে বলটি অবশ্য রোনালদোকে দেওয়া ছাড়া কিছু করার ছিল না।
কানসেলো কাটব্যাক করে বল বাড়ালেন রোনালদোর দিকেই। সামান্য একটু ফাঁকাই পেয়েছিলেন রোনালদো। দারুণ এক হাফ–ভলিতে সেই ফাঁকা দিয়েই বল উজবেকিস্তানের জালে পাঠিয়ে ছুটে গেলেন সতীর্থদের দিকে। সবার সঙ্গে আলিঙ্গন শেষে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মুচকি একটু হাসলেন। হয়তো সব সমালোচনার জবাবই ছিল তার এই মুচকি হাসি। তুমুল আবেগ আর উত্তেজনায় রোনালদো হয়তো তার ট্রেডমার্ক সিও উদ্যাপন করতে ভুলেই গিয়েছিলেন। সবশেষে সেটাও করে দেখালেন। এরই এক ফাঁকে ক্যামেরা চলে গেল ডাগআউটে দাঁড়িয়ে থাকা মার্তিনেজের দিকে। তার ঠোটেও তখন এক চিলতে মুচকি হাসি। হয়তো রোনালদোর মতো তিনিও সব সমালোচনার জবাব দিলেন এই মুচকি হাসিতে!
৬ মিনিটের গোলটি করেই বিশ্বকাপের অনন্য এক রেকর্ডে নিজের নামটি লিখিয়ে নিয়েছেন রোনালদো। এই নিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন পর্তুগালের সোনালি প্রজন্মের শেষ সদস্য। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে নিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপেই গোল করেছেন তিনি। এই কীর্তি নেই আর কারও।
রোনালদো অবশ্য রেকর্ডের আনন্দে ভেসে যাননি। প্রথম গোলটি পাওয়ার পরও সমান তালে খেলে গেছেন। বল নিয়ে আক্রমণে উঠেছেন, বল হারালে সেটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেছেন। এর ফলও পেয়েছেন ৩৯ মিনিটে, পর্তুগালের তৃতীয় গোলটি এসেছে তারই পা থেকে। ব্রুনো ফার্নান্দেজের বাড়ানো বলটি ধরতে যেভাবে পেছন থেকে দৌড়ে এসেছেন, সেটা দেখে অনেকেরই হয়তো তরুণ রোনালদোকে মনে পড়ে গেছে। এ গোলটির পরও মুচকি হেসেছেন রোনালদো–মার্তিনেজ। রোনালদো মহাসমারোহে করেছেন সিও উদ্যাপন। যার মানে সত্যিকার অর্থেই প্রথম ম্যাচে নিজের ভাস্কর্য-রূপ থেকে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বেরিয়ে এসেছেন আসল রোনালদো!

মুচকি হাসিতে জবাব রোনালদো-মার্তিনেজের
রুবেল আবিদ

বিশ্ব-নাচের মঞ্চে লিওনেল মেসি যখন স্তুতির পুষ্প বৃষ্টিতে ভিজছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নামলেন তার শেষ নাচের দ্বিতীয় পর্বে। প্রথম পর্বের ব্যর্থতায় পর্তুগিজ তারকার চিরকালীন ঋজু কাঁধটা তখন একটু যেন ঝুঁকেই ছিল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি গোল করতে পারেননি, দলও জিততে পারেনি। পর্তুগালের ১-১ গোলের ড্রয়ের সব দায় গিয়ে পড়েছিল রোনালদোর ঋজু কাঁধে। সেটা ঝুঁকে একটু যাবেই!
বিশ্ব-নাচের মঞ্চে তাই রোনালদো যখন তার দ্বিতীয় পর্বে পারফর্ম করতে নামেন, কোটি কোটি চোখ সার্চ লাইটের মতো নিবদ্ধ ছিল তার দিকে। পর্তুগাল-উজবেকিস্তান ম্যাচ, কিন্তু এ ম্যাচের আবহসঙ্গীত হিসেবে বাজছিল মেসির প্রশংসাগাঁথা। লাখ লাখ কলম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল রোনালদোর ক্যারিয়ারের এপিটাফ লিখে খেলতে।
কিন্তু নামটি যখন রোনালদো, যখন তখন তার এপিটাফ লিখে ফেলা কি এত সহজ! ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে জেগে ওঠার সামর্থ্য তার আছে এবং অতীতে অনেকবারই তিনি সেটা করে দেখিয়েছেন। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে স্থাণুবৎ দাঁড়িয়ে থাকা রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট খেলানোর জন্য চরম সমালোচিত পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও হয়তো তার সবচেয়ে বড় তারকার কানে ঢেলেছেন অতীতের সেই মধুময় স্মৃতি।

তাই তো বিশ্ব-নাচের মঞ্চে নিজের দ্বিতীয় পর্বের শুরু থেকেই রোনালদো সবাইকে জাগিয়ে তুললেন দারুণ ছন্দে। রেফারি ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজালেন, রোনালদোও দৌড় শুরু করলেন। ম্যাচ শুরুর খানিক পরই বল যায় পর্তুগালের সীমানায়, রোনালদোকে খুঁজে পাওয়া গেল সেখানে।
সবচেয়ে আরাধ্য মুহূর্তটি এলো ম্যাচের ৬ মিনিটে। জোয়াও কানসেলো ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে গেলেন উজবেকিস্তানের সীমানার গভীরে। রোনালদো বক্সের মধ্যেই ছিলেন, সেখানে পর্তুগালের আরও দুজন খেলোয়াড়। কিন্তু রোনালদোকে ঘিরে ছিলেন উজবেকিস্তানের তিনজন খেলোয়াড়। কানসেলো যেখানে ছিলেন, সেখান থেকে বলটি অবশ্য রোনালদোকে দেওয়া ছাড়া কিছু করার ছিল না।
কানসেলো কাটব্যাক করে বল বাড়ালেন রোনালদোর দিকেই। সামান্য একটু ফাঁকাই পেয়েছিলেন রোনালদো। দারুণ এক হাফ–ভলিতে সেই ফাঁকা দিয়েই বল উজবেকিস্তানের জালে পাঠিয়ে ছুটে গেলেন সতীর্থদের দিকে। সবার সঙ্গে আলিঙ্গন শেষে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মুচকি একটু হাসলেন। হয়তো সব সমালোচনার জবাবই ছিল তার এই মুচকি হাসি। তুমুল আবেগ আর উত্তেজনায় রোনালদো হয়তো তার ট্রেডমার্ক সিও উদ্যাপন করতে ভুলেই গিয়েছিলেন। সবশেষে সেটাও করে দেখালেন। এরই এক ফাঁকে ক্যামেরা চলে গেল ডাগআউটে দাঁড়িয়ে থাকা মার্তিনেজের দিকে। তার ঠোটেও তখন এক চিলতে মুচকি হাসি। হয়তো রোনালদোর মতো তিনিও সব সমালোচনার জবাব দিলেন এই মুচকি হাসিতে!
৬ মিনিটের গোলটি করেই বিশ্বকাপের অনন্য এক রেকর্ডে নিজের নামটি লিখিয়ে নিয়েছেন রোনালদো। এই নিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন পর্তুগালের সোনালি প্রজন্মের শেষ সদস্য। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে নিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপেই গোল করেছেন তিনি। এই কীর্তি নেই আর কারও।
রোনালদো অবশ্য রেকর্ডের আনন্দে ভেসে যাননি। প্রথম গোলটি পাওয়ার পরও সমান তালে খেলে গেছেন। বল নিয়ে আক্রমণে উঠেছেন, বল হারালে সেটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেছেন। এর ফলও পেয়েছেন ৩৯ মিনিটে, পর্তুগালের তৃতীয় গোলটি এসেছে তারই পা থেকে। ব্রুনো ফার্নান্দেজের বাড়ানো বলটি ধরতে যেভাবে পেছন থেকে দৌড়ে এসেছেন, সেটা দেখে অনেকেরই হয়তো তরুণ রোনালদোকে মনে পড়ে গেছে। এ গোলটির পরও মুচকি হেসেছেন রোনালদো–মার্তিনেজ। রোনালদো মহাসমারোহে করেছেন সিও উদ্যাপন। যার মানে সত্যিকার অর্থেই প্রথম ম্যাচে নিজের ভাস্কর্য-রূপ থেকে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বেরিয়ে এসেছেন আসল রোনালদো!

মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন করায় বিরক্ত রোনালদো


