২০২৬ বিশ্বকাপ: অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে ফিফার সুখবর

২০২৬ বিশ্বকাপ: অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে ফিফার সুখবর
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর আর্থিক শঙ্কা দূর করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিতব্য এই মেগা টুর্নামেন্টে ভ্রমণ, ব্যবস্থাপনা ও কর সংক্রান্ত উচ্চ ব্যয়ের কথা মাথায় রেখে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় ৪৮টি দেশের জন্য বরাদ্দ ১৫ শতাংশ বাড়ানোর এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
ফিফার নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, মোট তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৭১ মিলিয়ন ডলার, গত ডিসেম্বরে এ তহবিল ছিলো ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দল এখন প্রস্তুতি বাবদ ২.৫ মিলিয়ন ডলার পাবে, যা আগে ছিল ১.৫ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ফি ৯ মিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে। এর বাইরে প্রতিনিধিদলের যাতায়াত খরচ ও অন্যান্য সুবিধাসহ প্রায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত ভর্তুকিও থাকছে।
ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফাসহ বেশ কিছু দেশ আগে থেকেই উত্তর আমেরিকায় দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ ও ভিন্ন করব্যবস্থার কারণে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। এমনকি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছালেও খরচ মেটানো কঠিন হবে বলে অনেক দেশ উদ্বেগ জানিয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ফিফা সভাপতি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে রয়েছে এবং এ সম্পদ ফুটবলের উন্নয়নেই পুনরায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের প্রথম আসর যেখানে ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি দল অংশ নেবে। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ টুর্নামেন্টকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করতে সদস্য দেশগুলোকে আগামী চার বছরে ৫ মিলিয়ন ডলার করে এবং মহাদেশীয় সংস্থাগুলোকে ৬০ মিলিয়ন ডলার করে অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করেছে ফিফা। অতিরিক্ত ম্যাচ, টিকিট ও স্পন্সরশিপ থেকে রেকর্ড আয়ের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত বিশ্বকাপকে ইতিহাসের সবচেয়ে লাভজনক আসর হিসেবে দেখছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর আর্থিক শঙ্কা দূর করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিতব্য এই মেগা টুর্নামেন্টে ভ্রমণ, ব্যবস্থাপনা ও কর সংক্রান্ত উচ্চ ব্যয়ের কথা মাথায় রেখে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় ৪৮টি দেশের জন্য বরাদ্দ ১৫ শতাংশ বাড়ানোর এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
ফিফার নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, মোট তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৭১ মিলিয়ন ডলার, গত ডিসেম্বরে এ তহবিল ছিলো ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দল এখন প্রস্তুতি বাবদ ২.৫ মিলিয়ন ডলার পাবে, যা আগে ছিল ১.৫ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ফি ৯ মিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে। এর বাইরে প্রতিনিধিদলের যাতায়াত খরচ ও অন্যান্য সুবিধাসহ প্রায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত ভর্তুকিও থাকছে।
ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফাসহ বেশ কিছু দেশ আগে থেকেই উত্তর আমেরিকায় দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ ও ভিন্ন করব্যবস্থার কারণে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। এমনকি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছালেও খরচ মেটানো কঠিন হবে বলে অনেক দেশ উদ্বেগ জানিয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ফিফা সভাপতি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে রয়েছে এবং এ সম্পদ ফুটবলের উন্নয়নেই পুনরায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের প্রথম আসর যেখানে ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি দল অংশ নেবে। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ টুর্নামেন্টকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করতে সদস্য দেশগুলোকে আগামী চার বছরে ৫ মিলিয়ন ডলার করে এবং মহাদেশীয় সংস্থাগুলোকে ৬০ মিলিয়ন ডলার করে অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করেছে ফিফা। অতিরিক্ত ম্যাচ, টিকিট ও স্পন্সরশিপ থেকে রেকর্ড আয়ের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত বিশ্বকাপকে ইতিহাসের সবচেয়ে লাভজনক আসর হিসেবে দেখছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

২০২৬ বিশ্বকাপ: অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে ফিফার সুখবর
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর আর্থিক শঙ্কা দূর করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিতব্য এই মেগা টুর্নামেন্টে ভ্রমণ, ব্যবস্থাপনা ও কর সংক্রান্ত উচ্চ ব্যয়ের কথা মাথায় রেখে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় ৪৮টি দেশের জন্য বরাদ্দ ১৫ শতাংশ বাড়ানোর এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
ফিফার নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, মোট তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৭১ মিলিয়ন ডলার, গত ডিসেম্বরে এ তহবিল ছিলো ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দল এখন প্রস্তুতি বাবদ ২.৫ মিলিয়ন ডলার পাবে, যা আগে ছিল ১.৫ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ফি ৯ মিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে। এর বাইরে প্রতিনিধিদলের যাতায়াত খরচ ও অন্যান্য সুবিধাসহ প্রায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত ভর্তুকিও থাকছে।
ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফাসহ বেশ কিছু দেশ আগে থেকেই উত্তর আমেরিকায় দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ ও ভিন্ন করব্যবস্থার কারণে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। এমনকি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছালেও খরচ মেটানো কঠিন হবে বলে অনেক দেশ উদ্বেগ জানিয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ফিফা সভাপতি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে রয়েছে এবং এ সম্পদ ফুটবলের উন্নয়নেই পুনরায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের প্রথম আসর যেখানে ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি দল অংশ নেবে। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ টুর্নামেন্টকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করতে সদস্য দেশগুলোকে আগামী চার বছরে ৫ মিলিয়ন ডলার করে এবং মহাদেশীয় সংস্থাগুলোকে ৬০ মিলিয়ন ডলার করে অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করেছে ফিফা। অতিরিক্ত ম্যাচ, টিকিট ও স্পন্সরশিপ থেকে রেকর্ড আয়ের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত বিশ্বকাপকে ইতিহাসের সবচেয়ে লাভজনক আসর হিসেবে দেখছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

৯ গোলের রেকর্ড গড়া সেমিফাইনালে বায়ার্নকে হারালো পিএসজি
ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট কত টাকা


