বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো লড়াই করবে: ডি ভিলিয়ার্স

বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো লড়াই করবে: ডি ভিলিয়ার্স
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলা যে কোনো দলের জন্যই কঠিন পরীক্ষা। তবে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। আগামী নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। সফরে দুই টেস্টের পাশাপাশি রয়েছে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি।
টেস্ট ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে ভালো করেছে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের জয়ের পর বিশ্ব ক্রিকেটে প্রশংসা পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
ডি ভিলিয়ার্সের ধারণা, টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনের কঠিন বাস্তবতাও তুলে ধরেছেন তিনি।
এক পডকাস্টে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার মনে হয়, বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো লড়াই করবে। এটি বিশ্বের অন্যতম কঠিন জায়গা সফরের জন্য, বিশেষ করে ব্যাটারদের জন্য। বল পিচ করার পর শুধু সুইংই করে না, সিমও করে। অনেক খেলোয়াড়ই এই কন্ডিশনে খেলার সঙ্গে অভ্যস্ত নয়।’
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে। পাকিস্তানে টেস্ট সিরিজ জিতেছে। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত এই দুটি দলের বিপক্ষেই টেস্ট জয় অধরা।
নিজের ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এমন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আমার কয়েকটি কৌশল ছিল। কখনও ক্রিজ ছেড়ে সামনে এগিয়ে যেতাম, কখনো পুরোপুরি স্টাম্প ঢেকে খেলতাম, আবার কখনো পরিস্থিতি বুঝে স্টাম্প উন্মুক্ত রেখেও খেলতাম।’
বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে।

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলা যে কোনো দলের জন্যই কঠিন পরীক্ষা। তবে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। আগামী নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। সফরে দুই টেস্টের পাশাপাশি রয়েছে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি।
টেস্ট ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে ভালো করেছে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের জয়ের পর বিশ্ব ক্রিকেটে প্রশংসা পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
ডি ভিলিয়ার্সের ধারণা, টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনের কঠিন বাস্তবতাও তুলে ধরেছেন তিনি।
এক পডকাস্টে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার মনে হয়, বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো লড়াই করবে। এটি বিশ্বের অন্যতম কঠিন জায়গা সফরের জন্য, বিশেষ করে ব্যাটারদের জন্য। বল পিচ করার পর শুধু সুইংই করে না, সিমও করে। অনেক খেলোয়াড়ই এই কন্ডিশনে খেলার সঙ্গে অভ্যস্ত নয়।’
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে। পাকিস্তানে টেস্ট সিরিজ জিতেছে। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত এই দুটি দলের বিপক্ষেই টেস্ট জয় অধরা।
নিজের ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এমন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আমার কয়েকটি কৌশল ছিল। কখনও ক্রিজ ছেড়ে সামনে এগিয়ে যেতাম, কখনো পুরোপুরি স্টাম্প ঢেকে খেলতাম, আবার কখনো পরিস্থিতি বুঝে স্টাম্প উন্মুক্ত রেখেও খেলতাম।’
বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে।

বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো লড়াই করবে: ডি ভিলিয়ার্স
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলা যে কোনো দলের জন্যই কঠিন পরীক্ষা। তবে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। আগামী নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। সফরে দুই টেস্টের পাশাপাশি রয়েছে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি।
টেস্ট ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে ভালো করেছে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের জয়ের পর বিশ্ব ক্রিকেটে প্রশংসা পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
ডি ভিলিয়ার্সের ধারণা, টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনের কঠিন বাস্তবতাও তুলে ধরেছেন তিনি।
এক পডকাস্টে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার মনে হয়, বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো লড়াই করবে। এটি বিশ্বের অন্যতম কঠিন জায়গা সফরের জন্য, বিশেষ করে ব্যাটারদের জন্য। বল পিচ করার পর শুধু সুইংই করে না, সিমও করে। অনেক খেলোয়াড়ই এই কন্ডিশনে খেলার সঙ্গে অভ্যস্ত নয়।’
বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে। পাকিস্তানে টেস্ট সিরিজ জিতেছে। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত এই দুটি দলের বিপক্ষেই টেস্ট জয় অধরা।
নিজের ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এমন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আমার কয়েকটি কৌশল ছিল। কখনও ক্রিজ ছেড়ে সামনে এগিয়ে যেতাম, কখনো পুরোপুরি স্টাম্প ঢেকে খেলতাম, আবার কখনো পরিস্থিতি বুঝে স্টাম্প উন্মুক্ত রেখেও খেলতাম।’
বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে।

ছেলেদের বিপক্ষে খেলে প্রস্তুতি নিলো পাকিস্তানের মেয়েরা






