শিরোনাম

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্টে স্নিকোমিটার বিতর্ক!

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্টে স্নিকোমিটার বিতর্ক!
মাঠের জায়ান্টস্ক্রিনে তাকিয়ে রিভিউয়ের ফল পাওয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল

গেল গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড অ্যাশেজ সিরিজে স্নিকো প্রযুক্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ডারউইনে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ টেস্টে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আবার এই প্রযুক্তি নিয়ে উঠছে বিতর্ক।

সকালের সেশনে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ২১তম ওভারের ঘটনা। বাংলাদেশের পেসার এবাদত হোসেনের চতুর্থ ডেলিভারি অফ স্টাম্পের বাইরে স্মিথের ব্যাটের খুব কাছ দিয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ক্যাচের আবেদনে আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা আউট দেননি।

রিভিউ নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। এই রিভিউ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতেই ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটা শুরু করেন স্মিথ। তখন তিনি ৭ রানে অপরাজিত। আলট্রাএজে কোনো ‘স্পাইক’ বা শব্দতরঙ্গ ধরা পড়েনি। ফলে টিভি আম্পায়ারের মাঠের আম্পায়ার ধর্মসেনার নটআউট সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন।

স্মিথ ইনিংস সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন।

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই রিভিউতে একই ছিল। তবে স্মিথের ড্রেসিং রুমের পথে যাওয়ার বিষয়টির কারণেই প্রযুক্তি নিয়ে উঠছে পারে বিতর্ক। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল সেভেন’ এর ধারাভাষ্যকার টিম লেন বলেন, ‘সাইড-অন ক্যামেরা থেকে দেখা যাচ্ছে, স্মিথ মিড উইকেটের দিকে প্রায় ২০ মিটার হেঁটে গেছেন। স্মিথ ড্রেসিংরুমের পথে ছিলেন। কিন্তু জীবন পাওয়ার সম্ভাবনা টের পেয়ে এখন আবার ক্রিজে ফিরে এসেছেন।’

প্রযুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ম্যাথু হেইডেন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত মতামত হলো, এটি খেলায় প্রচুর বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তবে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে আছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা দুই আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ ও ধর্মসেনা, তারা নিজেরাও অসাধারণ খেলোয়াড় ছিলেন। প্রশংসা করতেই হবে যে ভুল সিদ্ধান্ত নেননি।’

অদ্ভুত লেগেছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারেরও। অস্ট্রেলিয়ার ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভিস ‘কায়ো স্পোর্টস’কে ওয়ার্নার বলেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার। কারণ সে ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটা শুরু করে দিয়েছিল।’ ওয়ার্নারের এ কথার প্রতিক্রিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার আরেক সাবেক ওপেনার মার্ক ওয়াহ বলেন, ‘বিষয়টি ঠিক বুঝতে পারছি না। মনে হয় না প্রথম স্লিপের ফিল্ডার আগ্রহ দেখিয়েছে। আমি কোনো শব্দ শুনতে পাইনি।’

/টিই/