কিউইদের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে জিতলো বাংলাদেশ

কিউইদের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে জিতলো বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জিততে হলে গড়তে হতো রেকর্ড। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেটিই করে দেখালো বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। তাওহীদ হৃদয়, শামমীম পাটোয়ারী আর পারভেজ হোসেনের ব্যাটিং তাণ্ডবে বাংলাদেশ ১৮৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ১২ বল হাতে রেখে। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান করে বাংলাদেশ। যা ১০ ওভার শেষে দাঁড়ায় ৭৭। শেষ ৭ ওভারে দরকার ছিল ৬৪ রান।
ক্রিজে ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। ইশ সোধি ইনিংসের ১৪তম ওভারে দিলেন ৬ রান। ক্লার্কসনের করা ১৫তম ওভারে আসে ৯ রান। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন। ২ ছক্কা ও ১ চারে ১৪ বলে ২৮ রান করেন তিনি। তাতে হৃদয়ের সঙ্গে তাঁর ৫৭ রানের জুটিও ভাঙল।
একপ্রান্ত আগলে রাখেন হৃদয়। সঙ্গে সময় উপযোগী ব্যাটিং করেন শামীম পাটোয়ারী। হৃদয় ২৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। হৃদয় ২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৭ বলে ৫১ আর শামীম ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৩ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন।
কিউইদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল টাইগাররা। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২১৫ করে জিতেছিল টাইগাররা।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৮২ রানের শক্ত পুঁজি পায়। কাতেনে ক্লার্ক (৫১) ও ড্যান ক্লেভার (৫১) ফিফটি তুলে নিয়ে কিউইদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।
রিশাদ ৩২ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। শেষ দিকে অধিনায়ক নিক কেলির ৩৯ ও জশ ক্লার্কসনের ২৭ রানের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা হন হৃদয়।

জিততে হলে গড়তে হতো রেকর্ড। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেটিই করে দেখালো বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। তাওহীদ হৃদয়, শামমীম পাটোয়ারী আর পারভেজ হোসেনের ব্যাটিং তাণ্ডবে বাংলাদেশ ১৮৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ১২ বল হাতে রেখে। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান করে বাংলাদেশ। যা ১০ ওভার শেষে দাঁড়ায় ৭৭। শেষ ৭ ওভারে দরকার ছিল ৬৪ রান।
ক্রিজে ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। ইশ সোধি ইনিংসের ১৪তম ওভারে দিলেন ৬ রান। ক্লার্কসনের করা ১৫তম ওভারে আসে ৯ রান। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন। ২ ছক্কা ও ১ চারে ১৪ বলে ২৮ রান করেন তিনি। তাতে হৃদয়ের সঙ্গে তাঁর ৫৭ রানের জুটিও ভাঙল।
একপ্রান্ত আগলে রাখেন হৃদয়। সঙ্গে সময় উপযোগী ব্যাটিং করেন শামীম পাটোয়ারী। হৃদয় ২৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। হৃদয় ২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৭ বলে ৫১ আর শামীম ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৩ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন।
কিউইদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল টাইগাররা। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২১৫ করে জিতেছিল টাইগাররা।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৮২ রানের শক্ত পুঁজি পায়। কাতেনে ক্লার্ক (৫১) ও ড্যান ক্লেভার (৫১) ফিফটি তুলে নিয়ে কিউইদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।
রিশাদ ৩২ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। শেষ দিকে অধিনায়ক নিক কেলির ৩৯ ও জশ ক্লার্কসনের ২৭ রানের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা হন হৃদয়।

কিউইদের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে জিতলো বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জিততে হলে গড়তে হতো রেকর্ড। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেটিই করে দেখালো বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। তাওহীদ হৃদয়, শামমীম পাটোয়ারী আর পারভেজ হোসেনের ব্যাটিং তাণ্ডবে বাংলাদেশ ১৮৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ১২ বল হাতে রেখে। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান করে বাংলাদেশ। যা ১০ ওভার শেষে দাঁড়ায় ৭৭। শেষ ৭ ওভারে দরকার ছিল ৬৪ রান।
ক্রিজে ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। ইশ সোধি ইনিংসের ১৪তম ওভারে দিলেন ৬ রান। ক্লার্কসনের করা ১৫তম ওভারে আসে ৯ রান। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন। ২ ছক্কা ও ১ চারে ১৪ বলে ২৮ রান করেন তিনি। তাতে হৃদয়ের সঙ্গে তাঁর ৫৭ রানের জুটিও ভাঙল।
একপ্রান্ত আগলে রাখেন হৃদয়। সঙ্গে সময় উপযোগী ব্যাটিং করেন শামীম পাটোয়ারী। হৃদয় ২৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। হৃদয় ২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৭ বলে ৫১ আর শামীম ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৩ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন।
কিউইদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল টাইগাররা। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২১৫ করে জিতেছিল টাইগাররা।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ১৮২ রানের শক্ত পুঁজি পায়। কাতেনে ক্লার্ক (৫১) ও ড্যান ক্লেভার (৫১) ফিফটি তুলে নিয়ে কিউইদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।
রিশাদ ৩২ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। শেষ দিকে অধিনায়ক নিক কেলির ৩৯ ও জশ ক্লার্কসনের ২৭ রানের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
২৭ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা হন হৃদয়।

জিততে রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশের
ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিংকু


