শেখ হাসিনা আমার অধীনেই বন্দি ছিলেন: ট্রাইব্যুনালে আযমী
সিটিজেন ডেস্ক

শেখ হাসিনা আমার অধীনেই বন্দি ছিলেন: ট্রাইব্যুনালে আযমী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ১৭

অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। ফাইল ছবি
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে শেখ হাসিনা তার অধীনে বন্দি ছিলেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) ‘গুম ও নির্যাতনের’ অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিপক্ষের জেরার সময় তিনি এ কথা বলেন।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বেঞ্চে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।
জেরার একপর্যায়ে আইনজীবী দুলু জানতে চান, শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কখনো দেখা হয়েছিল কি না।
জবাবে আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কয়েকবার দেখা হয়েছিল।
তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে আমি আমার কোম্পানিসহ থাকতাম। ওই সময় মার্শাল লর দায়িত্ব পালন করতাম। তখন ওই বাড়িতে শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল।
১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এরশাদের সামরিক শাসনামলে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তৎকালীন সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার অভিযোগে তাকে এবং আওয়ামী লীগের আরও ৩১ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছিল। পরে ১৫ দিন অন্তরীণ থাকার পর মুক্তি পান তিনি।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ২০১৩ সালে ওই ট্রাইব্যুনাল ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার’ দায়ে গোলাম আযমকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেন। ২০১৪ সালে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ২৩ জুন গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার আযমীকে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাই কোর্টে গেলেও তখন নিজের পক্ষে রায় পাননি।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে। পরে ২০০৯ সালের ২৪ জুন থেকে তাকে ভূতাপেক্ষভাবে অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর দেওয়া হয়। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার হিসেবে তার আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার পথ খোলে।
২০১৬ সালের ২২ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে তার পরিবার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই দিন পর তিনি বাড়ি ফেরেন।
পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তাকে ‘গুম’ করে আয়নাঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। আট বছর তিনি সূর্যের আলো দেখেননি বলেও জানান।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে পুনর্গঠন করে ‘চব্বিশের আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধ’ ও গুম-নির্যাতনের অভিযোগে বিচার শুরু হয়।
জেআইসিতে ‘গুম ও নির্যাতনের’ মামলায় ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
এই মামলায় কারাগারে থাকা তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে সোমাবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।
তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করছেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, শাইখ মাহদী ও মঈনুল করিম।

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে শেখ হাসিনা তার অধীনে বন্দি ছিলেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) ‘গুম ও নির্যাতনের’ অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিপক্ষের জেরার সময় তিনি এ কথা বলেন।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বেঞ্চে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।
জেরার একপর্যায়ে আইনজীবী দুলু জানতে চান, শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কখনো দেখা হয়েছিল কি না।
জবাবে আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কয়েকবার দেখা হয়েছিল।
তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে আমি আমার কোম্পানিসহ থাকতাম। ওই সময় মার্শাল লর দায়িত্ব পালন করতাম। তখন ওই বাড়িতে শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল।
১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এরশাদের সামরিক শাসনামলে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তৎকালীন সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার অভিযোগে তাকে এবং আওয়ামী লীগের আরও ৩১ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছিল। পরে ১৫ দিন অন্তরীণ থাকার পর মুক্তি পান তিনি।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ২০১৩ সালে ওই ট্রাইব্যুনাল ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার’ দায়ে গোলাম আযমকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেন। ২০১৪ সালে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ২৩ জুন গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার আযমীকে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাই কোর্টে গেলেও তখন নিজের পক্ষে রায় পাননি।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে। পরে ২০০৯ সালের ২৪ জুন থেকে তাকে ভূতাপেক্ষভাবে অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর দেওয়া হয়। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার হিসেবে তার আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার পথ খোলে।
২০১৬ সালের ২২ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে তার পরিবার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই দিন পর তিনি বাড়ি ফেরেন।
পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তাকে ‘গুম’ করে আয়নাঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। আট বছর তিনি সূর্যের আলো দেখেননি বলেও জানান।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে পুনর্গঠন করে ‘চব্বিশের আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধ’ ও গুম-নির্যাতনের অভিযোগে বিচার শুরু হয়।
জেআইসিতে ‘গুম ও নির্যাতনের’ মামলায় ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
এই মামলায় কারাগারে থাকা তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে সোমাবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।
তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করছেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, শাইখ মাহদী ও মঈনুল করিম।

শেখ হাসিনা আমার অধীনেই বন্দি ছিলেন: ট্রাইব্যুনালে আযমী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ১৭

অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। ফাইল ছবি
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে শেখ হাসিনা তার অধীনে বন্দি ছিলেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) ‘গুম ও নির্যাতনের’ অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিপক্ষের জেরার সময় তিনি এ কথা বলেন।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বেঞ্চে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।
জেরার একপর্যায়ে আইনজীবী দুলু জানতে চান, শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কখনো দেখা হয়েছিল কি না।
জবাবে আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কয়েকবার দেখা হয়েছিল।
তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে আমি আমার কোম্পানিসহ থাকতাম। ওই সময় মার্শাল লর দায়িত্ব পালন করতাম। তখন ওই বাড়িতে শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল।
১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এরশাদের সামরিক শাসনামলে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তৎকালীন সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার অভিযোগে তাকে এবং আওয়ামী লীগের আরও ৩১ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছিল। পরে ১৫ দিন অন্তরীণ থাকার পর মুক্তি পান তিনি।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ২০১৩ সালে ওই ট্রাইব্যুনাল ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার’ দায়ে গোলাম আযমকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেন। ২০১৪ সালে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ২৩ জুন গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার আযমীকে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাই কোর্টে গেলেও তখন নিজের পক্ষে রায় পাননি।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে। পরে ২০০৯ সালের ২৪ জুন থেকে তাকে ভূতাপেক্ষভাবে অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর দেওয়া হয়। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার হিসেবে তার আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার পথ খোলে।
২০১৬ সালের ২২ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে তার পরিবার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই দিন পর তিনি বাড়ি ফেরেন।
পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তাকে ‘গুম’ করে আয়নাঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। আট বছর তিনি সূর্যের আলো দেখেননি বলেও জানান।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে পুনর্গঠন করে ‘চব্বিশের আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধ’ ও গুম-নির্যাতনের অভিযোগে বিচার শুরু হয়।
জেআইসিতে ‘গুম ও নির্যাতনের’ মামলায় ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
এই মামলায় কারাগারে থাকা তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে সোমাবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।
তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করছেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, শাইখ মাহদী ও মঈনুল করিম।
/এসএ/

চিকিৎসা শেষে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আবার ৩ দিনের রিমান্ডে


