আমি ধর্ষক বা শিশুকামী নই: এপস্টেইন ইস্যুতে ট্রাম্প

আমি ধর্ষক বা শিশুকামী নই: এপস্টেইন ইস্যুতে ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার অনুষ্ঠানে হামলাকারী অ্যালেনের ইশতেহার থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ায় এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সিবিএস নিউজের সাংবাদিক নোরাহ ও'ডোনেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেকে যেকোনো ধরনের অনৈতিক কাজ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে তিনি সরাসরি বলে ওঠেন, আমি ধর্ষক নই, আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ভয়ংকর আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তারা জেনেশুনেই একজন অসুস্থ ও উগ্রবাদী মানুষের আবোলতাবোল কথা প্রচার করছে। হামলাকারীর ইশতেহারে সরাসরি জেফ্রি এপস্টাইনের নাম উল্লেখ না থাকলেও ট্রাম্প মনে করেন, ওই শব্দগুলো মূলত প্রয়াত কলঙ্কিত অর্থদাতার সঙ্গে তার কল্পিত সম্পর্ককেই ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে। তিনি জানান, এসব কেলেঙ্কারির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি সব অভিযোগ থেকে মুক্ত। ডেমোক্র্যাট নেতারাই এসবের সঙ্গে জড়িত।
৩১ বছর বয়সী হামলাকারী কোল টমাস অ্যালেন সম্পর্কে ট্রাম্প জানান, ইশতেহারটি পড়ে তার মনে হয়েছে অ্যালেন একজন উগ্রবাদী এবং ধর্মবিদ্বেষী মানুষ। সে একসময় বিশ্বাসী খ্রিস্টান থাকলেও পরে বিদ্বেষী হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক এ রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য বিরোধীদের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেট স্পিচকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত দুই বছরে এটি তার ওপর তৃতীয় দফার প্রাণনাশের চেষ্টা হলেও ট্রাম্প জানান, গুলির শব্দ শুনে তিনি মোটেও বিচলিত হননি। বরং সিক্রেট সার্ভিস যখন তাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন তিনি নিজেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে চেয়েছিলেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হলেও ট্রাম্প নিজে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সাহসিকতার সঙ্গে কিছুটা সময় নেন।
এছাড়া ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন বলে জানান তিনি। এ পুরো ঘটনা ও ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট, নিজের ওপর হওয়া এই হামলাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধেও তিনি অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিচ্ছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার অনুষ্ঠানে হামলাকারী অ্যালেনের ইশতেহার থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ায় এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সিবিএস নিউজের সাংবাদিক নোরাহ ও'ডোনেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেকে যেকোনো ধরনের অনৈতিক কাজ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে তিনি সরাসরি বলে ওঠেন, আমি ধর্ষক নই, আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ভয়ংকর আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তারা জেনেশুনেই একজন অসুস্থ ও উগ্রবাদী মানুষের আবোলতাবোল কথা প্রচার করছে। হামলাকারীর ইশতেহারে সরাসরি জেফ্রি এপস্টাইনের নাম উল্লেখ না থাকলেও ট্রাম্প মনে করেন, ওই শব্দগুলো মূলত প্রয়াত কলঙ্কিত অর্থদাতার সঙ্গে তার কল্পিত সম্পর্ককেই ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে। তিনি জানান, এসব কেলেঙ্কারির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি সব অভিযোগ থেকে মুক্ত। ডেমোক্র্যাট নেতারাই এসবের সঙ্গে জড়িত।
৩১ বছর বয়সী হামলাকারী কোল টমাস অ্যালেন সম্পর্কে ট্রাম্প জানান, ইশতেহারটি পড়ে তার মনে হয়েছে অ্যালেন একজন উগ্রবাদী এবং ধর্মবিদ্বেষী মানুষ। সে একসময় বিশ্বাসী খ্রিস্টান থাকলেও পরে বিদ্বেষী হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক এ রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য বিরোধীদের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেট স্পিচকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত দুই বছরে এটি তার ওপর তৃতীয় দফার প্রাণনাশের চেষ্টা হলেও ট্রাম্প জানান, গুলির শব্দ শুনে তিনি মোটেও বিচলিত হননি। বরং সিক্রেট সার্ভিস যখন তাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন তিনি নিজেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে চেয়েছিলেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হলেও ট্রাম্প নিজে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সাহসিকতার সঙ্গে কিছুটা সময় নেন।
এছাড়া ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন বলে জানান তিনি। এ পুরো ঘটনা ও ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট, নিজের ওপর হওয়া এই হামলাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধেও তিনি অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিচ্ছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

আমি ধর্ষক বা শিশুকামী নই: এপস্টেইন ইস্যুতে ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার অনুষ্ঠানে হামলাকারী অ্যালেনের ইশতেহার থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ায় এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সিবিএস নিউজের সাংবাদিক নোরাহ ও'ডোনেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেকে যেকোনো ধরনের অনৈতিক কাজ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে তিনি সরাসরি বলে ওঠেন, আমি ধর্ষক নই, আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ভয়ংকর আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তারা জেনেশুনেই একজন অসুস্থ ও উগ্রবাদী মানুষের আবোলতাবোল কথা প্রচার করছে। হামলাকারীর ইশতেহারে সরাসরি জেফ্রি এপস্টাইনের নাম উল্লেখ না থাকলেও ট্রাম্প মনে করেন, ওই শব্দগুলো মূলত প্রয়াত কলঙ্কিত অর্থদাতার সঙ্গে তার কল্পিত সম্পর্ককেই ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে। তিনি জানান, এসব কেলেঙ্কারির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি সব অভিযোগ থেকে মুক্ত। ডেমোক্র্যাট নেতারাই এসবের সঙ্গে জড়িত।
৩১ বছর বয়সী হামলাকারী কোল টমাস অ্যালেন সম্পর্কে ট্রাম্প জানান, ইশতেহারটি পড়ে তার মনে হয়েছে অ্যালেন একজন উগ্রবাদী এবং ধর্মবিদ্বেষী মানুষ। সে একসময় বিশ্বাসী খ্রিস্টান থাকলেও পরে বিদ্বেষী হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক এ রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য বিরোধীদের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেট স্পিচকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত দুই বছরে এটি তার ওপর তৃতীয় দফার প্রাণনাশের চেষ্টা হলেও ট্রাম্প জানান, গুলির শব্দ শুনে তিনি মোটেও বিচলিত হননি। বরং সিক্রেট সার্ভিস যখন তাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন তিনি নিজেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে চেয়েছিলেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হলেও ট্রাম্প নিজে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সাহসিকতার সঙ্গে কিছুটা সময় নেন।
এছাড়া ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন বলে জানান তিনি। এ পুরো ঘটনা ও ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট, নিজের ওপর হওয়া এই হামলাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধেও তিনি অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিচ্ছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

নৈশভোজে হামলাকারী সম্ভবত মানসিকভাবে অসুস্থ: ট্রাম্প


