যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে চার গুণ ক্ষতি: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে চার গুণ ক্ষতি: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ০৭

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। ছবি: এপি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অনিশ্চয়তার মাঝেই প্রতিবেশী দেশগুলোকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি পরিষ্কার করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পাশে দাঁড়ালে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং সেই ক্ষতির মাত্রা হবে বহুগুণ বেশি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সাগাব এসফাহানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সরাসরি সতর্ক করে বলেন, যেকোনো ধরনের যুদ্ধাত্মক পদক্ষেপের জবাব দিতে প্রস্তুত তাদের দেশ।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি এই অবরোধের কারণে ইরানের তেলক্ষেত্র বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে যারা আক্রমণকারী পক্ষকে সহায়তা করবে তাদেরও কঠিন মূল্য দিতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমাদের হিসাব আলাদা, একটি তেলকূপের ক্ষতির জবাবে চারটি তেলকূপ ধ্বংস করা হবে।’
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও চাপ ধরে রাখার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, ইরান বর্তমানে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় দেশটি প্রতিদিন বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়ছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান দ্রুতই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বাধ্য হবে, কারণ অর্থের সংকটে তারা কার্যত হাহাকার করছে। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, দেশটির সামরিক ও পুলিশ সদস্যরাও নিয়মিত বেতন পাচ্ছে না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, বর্তমান চাপ অব্যাহত থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের তেল পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।
তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানের হাতে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা রয়েছে, যেগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়নি।
তার মতে, হরমুজ প্রণালিতে এখনো আংশিক চাপ তৈরি করা হয়েছে মাত্র। এর বাইরে বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পাইপলাইন এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজনে এসব রুটে প্রভাব ফেলা হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের হাতে থাকা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প, যেমন কৌশলগত তেল মজুত থেকে সরবরাহ বাড়ানো বা বাজারে দামের ওঠানামা ব্যবহার করে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ইতোমধ্যেই অনেকাংশে ব্যবহৃত হয়ে গেছে। ফলে সামনে এগুলো কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার একটি দিক তুলে ধরেন। গ্রীষ্মকালে দেশটিতে জ্বালানির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। এই সময় যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে, তাহলে মার্কিন বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়তে পারে। এর প্রভাব শুধু অর্থনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও চাপ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে।
পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি, অর্থনৈতিক চাপ এবং কৌশলগত হিসাব-নিকাশের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চল আবারও এক অনিশ্চিত ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে। এর প্রভাব যে শুধু আঞ্চলিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও পড়বে তা এখন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অনিশ্চয়তার মাঝেই প্রতিবেশী দেশগুলোকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি পরিষ্কার করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পাশে দাঁড়ালে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং সেই ক্ষতির মাত্রা হবে বহুগুণ বেশি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সাগাব এসফাহানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সরাসরি সতর্ক করে বলেন, যেকোনো ধরনের যুদ্ধাত্মক পদক্ষেপের জবাব দিতে প্রস্তুত তাদের দেশ।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি এই অবরোধের কারণে ইরানের তেলক্ষেত্র বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে যারা আক্রমণকারী পক্ষকে সহায়তা করবে তাদেরও কঠিন মূল্য দিতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমাদের হিসাব আলাদা, একটি তেলকূপের ক্ষতির জবাবে চারটি তেলকূপ ধ্বংস করা হবে।’
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও চাপ ধরে রাখার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, ইরান বর্তমানে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় দেশটি প্রতিদিন বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়ছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান দ্রুতই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বাধ্য হবে, কারণ অর্থের সংকটে তারা কার্যত হাহাকার করছে। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, দেশটির সামরিক ও পুলিশ সদস্যরাও নিয়মিত বেতন পাচ্ছে না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, বর্তমান চাপ অব্যাহত থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের তেল পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।
তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানের হাতে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা রয়েছে, যেগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়নি।
তার মতে, হরমুজ প্রণালিতে এখনো আংশিক চাপ তৈরি করা হয়েছে মাত্র। এর বাইরে বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পাইপলাইন এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজনে এসব রুটে প্রভাব ফেলা হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের হাতে থাকা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প, যেমন কৌশলগত তেল মজুত থেকে সরবরাহ বাড়ানো বা বাজারে দামের ওঠানামা ব্যবহার করে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ইতোমধ্যেই অনেকাংশে ব্যবহৃত হয়ে গেছে। ফলে সামনে এগুলো কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার একটি দিক তুলে ধরেন। গ্রীষ্মকালে দেশটিতে জ্বালানির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। এই সময় যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে, তাহলে মার্কিন বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়তে পারে। এর প্রভাব শুধু অর্থনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও চাপ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে।
পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি, অর্থনৈতিক চাপ এবং কৌশলগত হিসাব-নিকাশের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চল আবারও এক অনিশ্চিত ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে। এর প্রভাব যে শুধু আঞ্চলিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও পড়বে তা এখন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে চার গুণ ক্ষতি: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ০৭

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। ছবি: এপি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অনিশ্চয়তার মাঝেই প্রতিবেশী দেশগুলোকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি পরিষ্কার করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পাশে দাঁড়ালে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং সেই ক্ষতির মাত্রা হবে বহুগুণ বেশি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সাগাব এসফাহানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সরাসরি সতর্ক করে বলেন, যেকোনো ধরনের যুদ্ধাত্মক পদক্ষেপের জবাব দিতে প্রস্তুত তাদের দেশ।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি এই অবরোধের কারণে ইরানের তেলক্ষেত্র বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে যারা আক্রমণকারী পক্ষকে সহায়তা করবে তাদেরও কঠিন মূল্য দিতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমাদের হিসাব আলাদা, একটি তেলকূপের ক্ষতির জবাবে চারটি তেলকূপ ধ্বংস করা হবে।’
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও চাপ ধরে রাখার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, ইরান বর্তমানে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় দেশটি প্রতিদিন বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়ছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান দ্রুতই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বাধ্য হবে, কারণ অর্থের সংকটে তারা কার্যত হাহাকার করছে। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, দেশটির সামরিক ও পুলিশ সদস্যরাও নিয়মিত বেতন পাচ্ছে না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, বর্তমান চাপ অব্যাহত থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের তেল পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।
তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইরানের হাতে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুবিধা রয়েছে, যেগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়নি।
তার মতে, হরমুজ প্রণালিতে এখনো আংশিক চাপ তৈরি করা হয়েছে মাত্র। এর বাইরে বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পাইপলাইন এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজনে এসব রুটে প্রভাব ফেলা হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের হাতে থাকা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প, যেমন কৌশলগত তেল মজুত থেকে সরবরাহ বাড়ানো বা বাজারে দামের ওঠানামা ব্যবহার করে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ইতোমধ্যেই অনেকাংশে ব্যবহৃত হয়ে গেছে। ফলে সামনে এগুলো কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার একটি দিক তুলে ধরেন। গ্রীষ্মকালে দেশটিতে জ্বালানির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। এই সময় যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে, তাহলে মার্কিন বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়তে পারে। এর প্রভাব শুধু অর্থনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও চাপ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে।
পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি, অর্থনৈতিক চাপ এবং কৌশলগত হিসাব-নিকাশের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চল আবারও এক অনিশ্চিত ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে। এর প্রভাব যে শুধু আঞ্চলিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও পড়বে তা এখন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




