বিয়ের সাক্ষী কে বা কারা হতে পারবেন

বিয়ের সাক্ষী কে বা কারা হতে পারবেন
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী, বিবাহ কেবল সামাজিক চুক্তি নয়, এটি একটি ইবাদাত। বিয়ের মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী ও সামাজিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। তবে ইসলামে বিয়ের কিছু নিয়ম বা শর্ত আছে। এর একটি হলো সাক্ষীর উপস্থিতি।
অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, বিয়েতে কতজন সাক্ষী প্রয়োজন বা যিনি বিয়ে পড়ান তিনি সাক্ষী হতে পারবেন কি না? এসব বিষয় জেনে রাখা জরুরি।
বিয়েতে কতজন সাক্ষী থাকা আবশ্যক?
জমহুর ফকিহদের মতে, বিয়ের আকদ (চুক্তি) শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র-পাত্রী ছাড়াও সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক। বিয়েতে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম পুরুষ সাক্ষী থাকতে হবে। অথবা একজন পুরুষ ও দুজন নারী সাক্ষী থাকা আবশ্যক।
রাসুল (সা.) বলেছেন- ‘অভিভাবক ও দুজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া কোনো বিয়ে সম্পন্ন হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ ১৯৫১৮, ইবনু হিব্বান ৪০৭৫)
যিনি বিয়ে পড়ান, তিনি সাক্ষী হতে পারবেন কি না?
যিনি বিয়ে পড়ান, যেমন ইমাম, আলেম বা কাজি- তিনি বিয়ের সাক্ষী হতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে বিয়ের সাক্ষীর যাবতীয় যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো- প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া, সুস্থ বিবেকসম্পন্ন, মুসলিম, ন্যায়পরায়ণ ও ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ) প্রত্যক্ষ করেন। এসব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি সাক্ষী হিসেবে গণ্য হতে পারবেন। তবে শুধু যিনি বিয়ে পড়াচ্ছেন, তিনি এককভাবে সাক্ষী দিলে হবে না।
কাজি বা রেজিস্ট্রার কি সাক্ষী হতে পারবেন?
যিনি বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন, তিনিও সাক্ষীর যোগ্যতা পূরণ করলে সাক্ষী হতে পারেন। তবে যদি কাজি ও পাত্র-পাত্রী ছাড়া আর কেউ উপস্থিত না থাকে, তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে বিয়ের সাক্ষীর শর্ত পূর্ণ হবে না।
সাক্ষী ঘোষণা করা কি জরুরি?
বিয়ের সময় দুজন ব্যক্তিকে আলাদা করে ‘সাক্ষী’ হিসেবে ঘোষণা করা জরুরি নয়। যদি অনেক মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ হয় এবং সেখানে উপস্থিত যোগ্য ব্যক্তিরা ইজাব ও কবুল শুনতে পান, তাহলে তারা সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। যেমন- মসজিদে বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ে হলে, সেখানে যারা বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করবেন এবং সাক্ষীর যোগ্যতা রাখবেন, তারা সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ইজাব ও কবুল কী?
বিয়ের মূল ভিত্তি হলো ইজাব বা বিয়ের প্রস্তাব প্রদান এবং কবুল বা সেই প্রস্তাব গ্রহণ।
সাধারণত কনের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং বর তা গ্রহণ করেন। যেমন, কনের অভিভাবক যদি কনের সম্মতি নিয়ে সাক্ষীদের সামনে বলেন, ‘আমি অমুককে আপনার সঙ্গে বিবাহ দিলাম,’ এবং বর বলেন, ‘আমি গ্রহণ করলাম।’ তাহলে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয়ে যায়।
বিয়েতে কনের উপস্থিতি কি জরুরি?
বিয়ের আকদের সময় কনের সেখানে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কনের সম্মতি নেওয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-
‘বিধবা নারীকে তার নির্দেশনা (স্পষ্ট সম্মতি) ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না।’ সাহাবারা তখন জিজ্ঞাসা করেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! তার অনুমতি কীভাবে বোঝা যাবে?’ জবাবে রাসূল (সা.) বলেন,‘তার নীরবতাই তার অনুমতি।’ (বুখারি ৫১৩৬, মুসলিম ১৪১৯)
বিয়ের সাক্ষী কেন জরুরি?
ইসলামী শরীয়ত অনুযয়ী, বিয়ে গোপন কোনো বিষয় নয়, বরং এমন একটি বৈধ বন্ধন, যার মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ইসলামে বিয়ের সাক্ষীর উপস্থিতি জরুরি। এর মাধ্যমে বিয়ের বৈধতার প্রমাণ দেয়, ভবিষ্যতের বিরোধ থেকে রক্ষা করে, নারী ও পুরুষ উভয়ের অধিকার সংরক্ষণ করে এবং সমাজে সম্পর্কের স্বচ্ছতা বজায় রাখে। সাক্ষী শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, একটি আমানত।

ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী, বিবাহ কেবল সামাজিক চুক্তি নয়, এটি একটি ইবাদাত। বিয়ের মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী ও সামাজিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। তবে ইসলামে বিয়ের কিছু নিয়ম বা শর্ত আছে। এর একটি হলো সাক্ষীর উপস্থিতি।
অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, বিয়েতে কতজন সাক্ষী প্রয়োজন বা যিনি বিয়ে পড়ান তিনি সাক্ষী হতে পারবেন কি না? এসব বিষয় জেনে রাখা জরুরি।
বিয়েতে কতজন সাক্ষী থাকা আবশ্যক?
জমহুর ফকিহদের মতে, বিয়ের আকদ (চুক্তি) শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র-পাত্রী ছাড়াও সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক। বিয়েতে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম পুরুষ সাক্ষী থাকতে হবে। অথবা একজন পুরুষ ও দুজন নারী সাক্ষী থাকা আবশ্যক।
রাসুল (সা.) বলেছেন- ‘অভিভাবক ও দুজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া কোনো বিয়ে সম্পন্ন হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ ১৯৫১৮, ইবনু হিব্বান ৪০৭৫)
যিনি বিয়ে পড়ান, তিনি সাক্ষী হতে পারবেন কি না?
যিনি বিয়ে পড়ান, যেমন ইমাম, আলেম বা কাজি- তিনি বিয়ের সাক্ষী হতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে বিয়ের সাক্ষীর যাবতীয় যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো- প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া, সুস্থ বিবেকসম্পন্ন, মুসলিম, ন্যায়পরায়ণ ও ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ) প্রত্যক্ষ করেন। এসব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি সাক্ষী হিসেবে গণ্য হতে পারবেন। তবে শুধু যিনি বিয়ে পড়াচ্ছেন, তিনি এককভাবে সাক্ষী দিলে হবে না।
কাজি বা রেজিস্ট্রার কি সাক্ষী হতে পারবেন?
যিনি বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন, তিনিও সাক্ষীর যোগ্যতা পূরণ করলে সাক্ষী হতে পারেন। তবে যদি কাজি ও পাত্র-পাত্রী ছাড়া আর কেউ উপস্থিত না থাকে, তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে বিয়ের সাক্ষীর শর্ত পূর্ণ হবে না।
সাক্ষী ঘোষণা করা কি জরুরি?
বিয়ের সময় দুজন ব্যক্তিকে আলাদা করে ‘সাক্ষী’ হিসেবে ঘোষণা করা জরুরি নয়। যদি অনেক মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ হয় এবং সেখানে উপস্থিত যোগ্য ব্যক্তিরা ইজাব ও কবুল শুনতে পান, তাহলে তারা সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। যেমন- মসজিদে বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ে হলে, সেখানে যারা বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করবেন এবং সাক্ষীর যোগ্যতা রাখবেন, তারা সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ইজাব ও কবুল কী?
বিয়ের মূল ভিত্তি হলো ইজাব বা বিয়ের প্রস্তাব প্রদান এবং কবুল বা সেই প্রস্তাব গ্রহণ।
সাধারণত কনের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং বর তা গ্রহণ করেন। যেমন, কনের অভিভাবক যদি কনের সম্মতি নিয়ে সাক্ষীদের সামনে বলেন, ‘আমি অমুককে আপনার সঙ্গে বিবাহ দিলাম,’ এবং বর বলেন, ‘আমি গ্রহণ করলাম।’ তাহলে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয়ে যায়।
বিয়েতে কনের উপস্থিতি কি জরুরি?
বিয়ের আকদের সময় কনের সেখানে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কনের সম্মতি নেওয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-
‘বিধবা নারীকে তার নির্দেশনা (স্পষ্ট সম্মতি) ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না।’ সাহাবারা তখন জিজ্ঞাসা করেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! তার অনুমতি কীভাবে বোঝা যাবে?’ জবাবে রাসূল (সা.) বলেন,‘তার নীরবতাই তার অনুমতি।’ (বুখারি ৫১৩৬, মুসলিম ১৪১৯)
বিয়ের সাক্ষী কেন জরুরি?
ইসলামী শরীয়ত অনুযয়ী, বিয়ে গোপন কোনো বিষয় নয়, বরং এমন একটি বৈধ বন্ধন, যার মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ইসলামে বিয়ের সাক্ষীর উপস্থিতি জরুরি। এর মাধ্যমে বিয়ের বৈধতার প্রমাণ দেয়, ভবিষ্যতের বিরোধ থেকে রক্ষা করে, নারী ও পুরুষ উভয়ের অধিকার সংরক্ষণ করে এবং সমাজে সম্পর্কের স্বচ্ছতা বজায় রাখে। সাক্ষী শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, একটি আমানত।

বিয়ের সাক্ষী কে বা কারা হতে পারবেন
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী, বিবাহ কেবল সামাজিক চুক্তি নয়, এটি একটি ইবাদাত। বিয়ের মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী ও সামাজিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। তবে ইসলামে বিয়ের কিছু নিয়ম বা শর্ত আছে। এর একটি হলো সাক্ষীর উপস্থিতি।
অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, বিয়েতে কতজন সাক্ষী প্রয়োজন বা যিনি বিয়ে পড়ান তিনি সাক্ষী হতে পারবেন কি না? এসব বিষয় জেনে রাখা জরুরি।
বিয়েতে কতজন সাক্ষী থাকা আবশ্যক?
জমহুর ফকিহদের মতে, বিয়ের আকদ (চুক্তি) শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র-পাত্রী ছাড়াও সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক। বিয়েতে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম পুরুষ সাক্ষী থাকতে হবে। অথবা একজন পুরুষ ও দুজন নারী সাক্ষী থাকা আবশ্যক।
রাসুল (সা.) বলেছেন- ‘অভিভাবক ও দুজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া কোনো বিয়ে সম্পন্ন হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ ১৯৫১৮, ইবনু হিব্বান ৪০৭৫)
যিনি বিয়ে পড়ান, তিনি সাক্ষী হতে পারবেন কি না?
যিনি বিয়ে পড়ান, যেমন ইমাম, আলেম বা কাজি- তিনি বিয়ের সাক্ষী হতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে বিয়ের সাক্ষীর যাবতীয় যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো- প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া, সুস্থ বিবেকসম্পন্ন, মুসলিম, ন্যায়পরায়ণ ও ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ) প্রত্যক্ষ করেন। এসব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি সাক্ষী হিসেবে গণ্য হতে পারবেন। তবে শুধু যিনি বিয়ে পড়াচ্ছেন, তিনি এককভাবে সাক্ষী দিলে হবে না।
কাজি বা রেজিস্ট্রার কি সাক্ষী হতে পারবেন?
যিনি বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন, তিনিও সাক্ষীর যোগ্যতা পূরণ করলে সাক্ষী হতে পারেন। তবে যদি কাজি ও পাত্র-পাত্রী ছাড়া আর কেউ উপস্থিত না থাকে, তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে বিয়ের সাক্ষীর শর্ত পূর্ণ হবে না।
সাক্ষী ঘোষণা করা কি জরুরি?
বিয়ের সময় দুজন ব্যক্তিকে আলাদা করে ‘সাক্ষী’ হিসেবে ঘোষণা করা জরুরি নয়। যদি অনেক মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ হয় এবং সেখানে উপস্থিত যোগ্য ব্যক্তিরা ইজাব ও কবুল শুনতে পান, তাহলে তারা সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। যেমন- মসজিদে বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ে হলে, সেখানে যারা বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করবেন এবং সাক্ষীর যোগ্যতা রাখবেন, তারা সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ইজাব ও কবুল কী?
বিয়ের মূল ভিত্তি হলো ইজাব বা বিয়ের প্রস্তাব প্রদান এবং কবুল বা সেই প্রস্তাব গ্রহণ।
সাধারণত কনের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং বর তা গ্রহণ করেন। যেমন, কনের অভিভাবক যদি কনের সম্মতি নিয়ে সাক্ষীদের সামনে বলেন, ‘আমি অমুককে আপনার সঙ্গে বিবাহ দিলাম,’ এবং বর বলেন, ‘আমি গ্রহণ করলাম।’ তাহলে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয়ে যায়।
বিয়েতে কনের উপস্থিতি কি জরুরি?
বিয়ের আকদের সময় কনের সেখানে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তবে প্রাপ্তবয়স্ক কনের সম্মতি নেওয়া ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-
‘বিধবা নারীকে তার নির্দেশনা (স্পষ্ট সম্মতি) ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না।’ সাহাবারা তখন জিজ্ঞাসা করেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! তার অনুমতি কীভাবে বোঝা যাবে?’ জবাবে রাসূল (সা.) বলেন,‘তার নীরবতাই তার অনুমতি।’ (বুখারি ৫১৩৬, মুসলিম ১৪১৯)
বিয়ের সাক্ষী কেন জরুরি?
ইসলামী শরীয়ত অনুযয়ী, বিয়ে গোপন কোনো বিষয় নয়, বরং এমন একটি বৈধ বন্ধন, যার মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ইসলামে বিয়ের সাক্ষীর উপস্থিতি জরুরি। এর মাধ্যমে বিয়ের বৈধতার প্রমাণ দেয়, ভবিষ্যতের বিরোধ থেকে রক্ষা করে, নারী ও পুরুষ উভয়ের অধিকার সংরক্ষণ করে এবং সমাজে সম্পর্কের স্বচ্ছতা বজায় রাখে। সাক্ষী শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, একটি আমানত।

ঘুমের সময় যে ৯ কাজ সুন্নত







