বিএনপি ৪টির বেশি আসন না ছাড়ায় জামায়াত জোটে যোগ দিয়েছে এনসিপি: রাশেদ খান

বিএনপি ৪টির বেশি আসন না ছাড়ায় জামায়াত জোটে যোগ দিয়েছে এনসিপি: রাশেদ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, বিএনপি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) চারটির বেশি আসন ছেড়ে না দেওয়ার কারণেই দলটি জামায়াতে ইসলামীর জোটে যোগ দিয়েছে।
রাশেদ খাঁন আজ রবিবার নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন। তিনি ওই পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। যেহেতু তারা সহযোগিতা চেয়েছিলো, পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জামায়াতের গাড়ি বহর নিয়ে যায়। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করতো।’
এরপরও জামায়াত পরিস্থিতিটাকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিল বলে অভিযোগ করেন রাশেদ। তিনি বলেন, ‘তবে পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্লান ছিলো জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোঁটা জড়ো করেছিলো। জানিনা, এই লাঠিগুলো পরবর্তীতে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না। তবে জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছে, হৈ হৈ রৈ রৈ ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই!’

রাশেদ খাঁনের দাবি, পুরো লংমার্চটি কার্যত জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে পরিচালিত হলেও এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে জামায়াত নিজে ঝুঁকি এড়িয়ে পর্দার আড়ালে থেকে রাজনীতি করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছে, সবকিছু দেখে মনে হলো, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনায়, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লংমার্চ। জামায়াত যেহেতু সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না, সেক্ষেত্রে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামীলীগকে পেছনে রেখে, মাঝখানে থেকে খেলতে চায়!’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, বিএনপি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) চারটির বেশি আসন ছেড়ে না দেওয়ার কারণেই দলটি জামায়াতে ইসলামীর জোটে যোগ দিয়েছে।
রাশেদ খাঁন আজ রবিবার নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন। তিনি ওই পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। যেহেতু তারা সহযোগিতা চেয়েছিলো, পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জামায়াতের গাড়ি বহর নিয়ে যায়। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করতো।’
এরপরও জামায়াত পরিস্থিতিটাকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিল বলে অভিযোগ করেন রাশেদ। তিনি বলেন, ‘তবে পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্লান ছিলো জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোঁটা জড়ো করেছিলো। জানিনা, এই লাঠিগুলো পরবর্তীতে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না। তবে জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছে, হৈ হৈ রৈ রৈ ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই!’

রাশেদ খাঁনের দাবি, পুরো লংমার্চটি কার্যত জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে পরিচালিত হলেও এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে জামায়াত নিজে ঝুঁকি এড়িয়ে পর্দার আড়ালে থেকে রাজনীতি করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছে, সবকিছু দেখে মনে হলো, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনায়, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লংমার্চ। জামায়াত যেহেতু সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না, সেক্ষেত্রে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামীলীগকে পেছনে রেখে, মাঝখানে থেকে খেলতে চায়!’

বিএনপি ৪টির বেশি আসন না ছাড়ায় জামায়াত জোটে যোগ দিয়েছে এনসিপি: রাশেদ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, বিএনপি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) চারটির বেশি আসন ছেড়ে না দেওয়ার কারণেই দলটি জামায়াতে ইসলামীর জোটে যোগ দিয়েছে।
রাশেদ খাঁন আজ রবিবার নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন। তিনি ওই পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। যেহেতু তারা সহযোগিতা চেয়েছিলো, পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জামায়াতের গাড়ি বহর নিয়ে যায়। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করতো।’
এরপরও জামায়াত পরিস্থিতিটাকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিল বলে অভিযোগ করেন রাশেদ। তিনি বলেন, ‘তবে পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্লান ছিলো জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোঁটা জড়ো করেছিলো। জানিনা, এই লাঠিগুলো পরবর্তীতে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না। তবে জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছে, হৈ হৈ রৈ রৈ ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই!’

রাশেদ খাঁনের দাবি, পুরো লংমার্চটি কার্যত জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে পরিচালিত হলেও এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে জামায়াত নিজে ঝুঁকি এড়িয়ে পর্দার আড়ালে থেকে রাজনীতি করতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছে, সবকিছু দেখে মনে হলো, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনায়, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লংমার্চ। জামায়াত যেহেতু সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না, সেক্ষেত্রে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামীলীগকে পেছনে রেখে, মাঝখানে থেকে খেলতে চায়!’








