ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস: মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের লাই ডিটেক্টরে পরীক্ষা

ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস: মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের লাই ডিটেক্টরে পরীক্ষা
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তথ্য সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে পেন্টাগন। তথ্যের ফাঁসের উৎস খুঁজে বের করতে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পলিগ্রাফ বা লাই ডিটেক্টর পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
আগস্টে মার্কিন জয়েন্ট স্টাফের প্রায় ডজনখানেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। তাদের মধ্যে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সহ অন্যান্য কমব্যাট্যান্ট কমান্ডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও ছিলেন। তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত কিন্তু চরম অত্যাধুনিক অস্ত্র, বিশেষ করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের দ্রুত ব্যবহারসংক্রান্ত বেশ কিছু খবর। ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের আশঙ্কা, এসব গোপনীয় তথ্য কেবল সাংবাদিকদের হাতেই পৌঁছায়নি, এর পেছনে বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার হাত থাকার ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
পলিগ্রাফ পরীক্ষায় জাতীয় নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রশ্ন করা হলেও তথ্য ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ দিতে পেরেছেন বা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন- এমন কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়টি স্বীকার না করলেও পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘বিভাগটি অভ্যন্তরীণ কর্মী বা তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তার গোপন তথ্য ফাঁসের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী তদন্ত করা হয়।’ তবে পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সবাইকে এ ঝক্কি পোহাতে হয়নি। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনকে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর মার্কিন অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হতে থাকলে ওয়াশিংটনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তথ্য প্রকাশ ঠেকাতে জুলাইয়ে পেন্টাগন ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। টাস্কফোর্সকে তদন্তের স্বার্থে যেকোনো তথ্য ও দলিল তলব করার ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়। কঠোর বার্তা দিয়ে হেগসেথ বলেছিলেন, ‘কোনো তথ্য ফাঁস হলে দ্রুত বিচার বিভাগ ও এফবিআইসহ ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কার্যকর তথ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’
অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে তৈরি হওয়া এসব প্রতিবেদন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি এসব খবরকে ‘দেশদ্রোহী’ অ্যাখ্যা দিয়ে উড়িয়ে দেন। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোলাবারুদের বিশাল মজুত রয়েছে এবং বর্তমানে দেশে ঐতিহাসিক হারে অস্ত্র উৎপাদন চলছে।
তথ্য ফাঁসের ঘটনা কেন্দ্র করে পেন্টাগন এখন সামরিক তথ্যের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার পাশাপাশি ইরান যুদ্ধসংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংও বাতিল করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এমনকি রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে এক সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সামরিক সংবাদপত্র ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’-এর একাধিক শীর্ষ পদে রদবদল ও কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তথ্য সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে পেন্টাগন। তথ্যের ফাঁসের উৎস খুঁজে বের করতে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পলিগ্রাফ বা লাই ডিটেক্টর পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
আগস্টে মার্কিন জয়েন্ট স্টাফের প্রায় ডজনখানেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। তাদের মধ্যে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সহ অন্যান্য কমব্যাট্যান্ট কমান্ডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও ছিলেন। তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত কিন্তু চরম অত্যাধুনিক অস্ত্র, বিশেষ করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের দ্রুত ব্যবহারসংক্রান্ত বেশ কিছু খবর। ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের আশঙ্কা, এসব গোপনীয় তথ্য কেবল সাংবাদিকদের হাতেই পৌঁছায়নি, এর পেছনে বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার হাত থাকার ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
পলিগ্রাফ পরীক্ষায় জাতীয় নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রশ্ন করা হলেও তথ্য ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ দিতে পেরেছেন বা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন- এমন কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়টি স্বীকার না করলেও পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘বিভাগটি অভ্যন্তরীণ কর্মী বা তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তার গোপন তথ্য ফাঁসের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী তদন্ত করা হয়।’ তবে পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সবাইকে এ ঝক্কি পোহাতে হয়নি। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনকে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর মার্কিন অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হতে থাকলে ওয়াশিংটনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তথ্য প্রকাশ ঠেকাতে জুলাইয়ে পেন্টাগন ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। টাস্কফোর্সকে তদন্তের স্বার্থে যেকোনো তথ্য ও দলিল তলব করার ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়। কঠোর বার্তা দিয়ে হেগসেথ বলেছিলেন, ‘কোনো তথ্য ফাঁস হলে দ্রুত বিচার বিভাগ ও এফবিআইসহ ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কার্যকর তথ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’
অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে তৈরি হওয়া এসব প্রতিবেদন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি এসব খবরকে ‘দেশদ্রোহী’ অ্যাখ্যা দিয়ে উড়িয়ে দেন। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোলাবারুদের বিশাল মজুত রয়েছে এবং বর্তমানে দেশে ঐতিহাসিক হারে অস্ত্র উৎপাদন চলছে।
তথ্য ফাঁসের ঘটনা কেন্দ্র করে পেন্টাগন এখন সামরিক তথ্যের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার পাশাপাশি ইরান যুদ্ধসংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংও বাতিল করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এমনকি রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে এক সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সামরিক সংবাদপত্র ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’-এর একাধিক শীর্ষ পদে রদবদল ও কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস: মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের লাই ডিটেক্টরে পরীক্ষা
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তথ্য সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে পেন্টাগন। তথ্যের ফাঁসের উৎস খুঁজে বের করতে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পলিগ্রাফ বা লাই ডিটেক্টর পরীক্ষার মুখোমুখি করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
আগস্টে মার্কিন জয়েন্ট স্টাফের প্রায় ডজনখানেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। তাদের মধ্যে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সহ অন্যান্য কমব্যাট্যান্ট কমান্ডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও ছিলেন। তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত কিন্তু চরম অত্যাধুনিক অস্ত্র, বিশেষ করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের দ্রুত ব্যবহারসংক্রান্ত বেশ কিছু খবর। ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের আশঙ্কা, এসব গোপনীয় তথ্য কেবল সাংবাদিকদের হাতেই পৌঁছায়নি, এর পেছনে বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার হাত থাকার ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
পলিগ্রাফ পরীক্ষায় জাতীয় নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রশ্ন করা হলেও তথ্য ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ দিতে পেরেছেন বা পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন- এমন কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়টি স্বীকার না করলেও পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘বিভাগটি অভ্যন্তরীণ কর্মী বা তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তার গোপন তথ্য ফাঁসের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী তদন্ত করা হয়।’ তবে পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সবাইকে এ ঝক্কি পোহাতে হয়নি। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনকে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর মার্কিন অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হতে থাকলে ওয়াশিংটনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তথ্য প্রকাশ ঠেকাতে জুলাইয়ে পেন্টাগন ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। টাস্কফোর্সকে তদন্তের স্বার্থে যেকোনো তথ্য ও দলিল তলব করার ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়। কঠোর বার্তা দিয়ে হেগসেথ বলেছিলেন, ‘কোনো তথ্য ফাঁস হলে দ্রুত বিচার বিভাগ ও এফবিআইসহ ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কার্যকর তথ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’
অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে তৈরি হওয়া এসব প্রতিবেদন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি এসব খবরকে ‘দেশদ্রোহী’ অ্যাখ্যা দিয়ে উড়িয়ে দেন। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোলাবারুদের বিশাল মজুত রয়েছে এবং বর্তমানে দেশে ঐতিহাসিক হারে অস্ত্র উৎপাদন চলছে।
তথ্য ফাঁসের ঘটনা কেন্দ্র করে পেন্টাগন এখন সামরিক তথ্যের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার পাশাপাশি ইরান যুদ্ধসংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংও বাতিল করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এমনকি রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে এক সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সামরিক সংবাদপত্র ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’-এর একাধিক শীর্ষ পদে রদবদল ও কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

ইরানে জ্বালানি ট্যাংকারে বিস্ফোরণ, নিহত ১০
সৌদিকে ৫০০ কোটি ডলারের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র






