রেজওয়ানার মতো ‘হারাম মেয়ে’ থাকায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি: অলি আহমেদ

রেজওয়ানার মতো ‘হারাম মেয়ে’ থাকায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি: অলি আহমেদ
সিজেডএন ডেস্ক

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন, ১১ দলীয় জোট একসময় ক্ষমতায় আসার কাছাকাছি ছিল। তবে রেজওয়ানা হাসানের মতো কিছু মানুষ থাকায় তাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ চলাকালে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমর্থকদের উদ্দেশে অলি আহমেদ বলেন, ‘আপনারা ক্ষমতায় আসছিলেন। রেজওয়ানার মতো কিছু হারাম মেয়ে ছিল বিধায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই। কারণ তারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে না, নামাজ পড়ে না, আল্লাহর রসুলে বিশ্বাস করে না। এ কারণেই তারা মুসলমানদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই।’
বর্তমান সরকারের পতন নিয়েও মন্তব্য করেন এলডিপি সভাপতি। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এখন আলোচনা চলছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হতে পারে। সরকারকে কিছু করতে না হলেও ‘নিজের ভারেই নিজে পড়ে যাবে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অলি আহমেদ বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনারা ক্ষমতায় আসবেন। আপনারা শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। শৃঙ্খলা থাকলে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসবে।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তখন দেশ ছাড়লে কাপড়চোপড় সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন, পরে গেলে এক কাপড়ে যেতে হবে। বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতির ব্যত্যয় হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে অলি আহমেদ বলেন, তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছ থেকে একই ধরনের কথা শুনছেন—বর্তমান সরকারকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পুরোনো একটি স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’—এই কথাটি আগেই মির্জা ফখরুল বলেছেন। এখন তারাও একই দাবি জানাচ্ছেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে অলি আহমেদ বলেন, চারদিকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাস্তানি, ভূমি দখল, নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও মাদকের বিস্তার ঘটেছে। এসব কারণে দেশ ‘জাহান্নামে পরিণত হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, ১১ দলীয় জোট ছাড়া দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীকে বুঝতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির উপদেষ্টাদের নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও করেন অলি আহমেদ। তিনি বলেন, সম্প্রতি দুজনের মধ্যে একটি কথোপকথনের কথা তিনি শুনেছেন, যেখানে ‘তৈল মর্দন করে কীভাবে এডভাইজার হওয়া যায়’—এ বিষয়ে স্কুল খোলার কথা বলা হচ্ছিল। এ জন্য আলাদা স্কুলের প্রয়োজন নেই, বিএনপির উপদেষ্টাদের কাছে গেলেই এ বিষয়ে শেখা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে অলি আহমেদ বলেন, দেশকে বিদেশিদের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জোটকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে স্কুল-কলেজে শিক্ষার পরিবেশ নেই। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পরিবর্তে মোবাইল ফোনে বেশি সময় ব্যয় করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পথসভার শেষ দিকে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে অলি আহমেদ জানতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চান কি না। এ সময় তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ে সরকারকে ধীরে ধীরে বাধ্য করা হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে সরকারকে বিদায় নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন, ১১ দলীয় জোট একসময় ক্ষমতায় আসার কাছাকাছি ছিল। তবে রেজওয়ানা হাসানের মতো কিছু মানুষ থাকায় তাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ চলাকালে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমর্থকদের উদ্দেশে অলি আহমেদ বলেন, ‘আপনারা ক্ষমতায় আসছিলেন। রেজওয়ানার মতো কিছু হারাম মেয়ে ছিল বিধায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই। কারণ তারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে না, নামাজ পড়ে না, আল্লাহর রসুলে বিশ্বাস করে না। এ কারণেই তারা মুসলমানদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই।’
বর্তমান সরকারের পতন নিয়েও মন্তব্য করেন এলডিপি সভাপতি। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এখন আলোচনা চলছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হতে পারে। সরকারকে কিছু করতে না হলেও ‘নিজের ভারেই নিজে পড়ে যাবে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অলি আহমেদ বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনারা ক্ষমতায় আসবেন। আপনারা শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। শৃঙ্খলা থাকলে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসবে।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তখন দেশ ছাড়লে কাপড়চোপড় সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন, পরে গেলে এক কাপড়ে যেতে হবে। বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতির ব্যত্যয় হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে অলি আহমেদ বলেন, তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছ থেকে একই ধরনের কথা শুনছেন—বর্তমান সরকারকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পুরোনো একটি স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’—এই কথাটি আগেই মির্জা ফখরুল বলেছেন। এখন তারাও একই দাবি জানাচ্ছেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে অলি আহমেদ বলেন, চারদিকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাস্তানি, ভূমি দখল, নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও মাদকের বিস্তার ঘটেছে। এসব কারণে দেশ ‘জাহান্নামে পরিণত হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, ১১ দলীয় জোট ছাড়া দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীকে বুঝতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির উপদেষ্টাদের নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও করেন অলি আহমেদ। তিনি বলেন, সম্প্রতি দুজনের মধ্যে একটি কথোপকথনের কথা তিনি শুনেছেন, যেখানে ‘তৈল মর্দন করে কীভাবে এডভাইজার হওয়া যায়’—এ বিষয়ে স্কুল খোলার কথা বলা হচ্ছিল। এ জন্য আলাদা স্কুলের প্রয়োজন নেই, বিএনপির উপদেষ্টাদের কাছে গেলেই এ বিষয়ে শেখা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে অলি আহমেদ বলেন, দেশকে বিদেশিদের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জোটকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে স্কুল-কলেজে শিক্ষার পরিবেশ নেই। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পরিবর্তে মোবাইল ফোনে বেশি সময় ব্যয় করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পথসভার শেষ দিকে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে অলি আহমেদ জানতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চান কি না। এ সময় তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ে সরকারকে ধীরে ধীরে বাধ্য করা হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে সরকারকে বিদায় নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রেজওয়ানার মতো ‘হারাম মেয়ে’ থাকায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি: অলি আহমেদ
সিজেডএন ডেস্ক

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন, ১১ দলীয় জোট একসময় ক্ষমতায় আসার কাছাকাছি ছিল। তবে রেজওয়ানা হাসানের মতো কিছু মানুষ থাকায় তাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ চলাকালে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমর্থকদের উদ্দেশে অলি আহমেদ বলেন, ‘আপনারা ক্ষমতায় আসছিলেন। রেজওয়ানার মতো কিছু হারাম মেয়ে ছিল বিধায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই। কারণ তারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে না, নামাজ পড়ে না, আল্লাহর রসুলে বিশ্বাস করে না। এ কারণেই তারা মুসলমানদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই।’
বর্তমান সরকারের পতন নিয়েও মন্তব্য করেন এলডিপি সভাপতি। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এখন আলোচনা চলছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হতে পারে। সরকারকে কিছু করতে না হলেও ‘নিজের ভারেই নিজে পড়ে যাবে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অলি আহমেদ বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনারা ক্ষমতায় আসবেন। আপনারা শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। শৃঙ্খলা থাকলে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসবে।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তখন দেশ ছাড়লে কাপড়চোপড় সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন, পরে গেলে এক কাপড়ে যেতে হবে। বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতির ব্যত্যয় হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে অলি আহমেদ বলেন, তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছ থেকে একই ধরনের কথা শুনছেন—বর্তমান সরকারকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পুরোনো একটি স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’—এই কথাটি আগেই মির্জা ফখরুল বলেছেন। এখন তারাও একই দাবি জানাচ্ছেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে অলি আহমেদ বলেন, চারদিকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাস্তানি, ভূমি দখল, নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও মাদকের বিস্তার ঘটেছে। এসব কারণে দেশ ‘জাহান্নামে পরিণত হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, ১১ দলীয় জোট ছাড়া দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীকে বুঝতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির উপদেষ্টাদের নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও করেন অলি আহমেদ। তিনি বলেন, সম্প্রতি দুজনের মধ্যে একটি কথোপকথনের কথা তিনি শুনেছেন, যেখানে ‘তৈল মর্দন করে কীভাবে এডভাইজার হওয়া যায়’—এ বিষয়ে স্কুল খোলার কথা বলা হচ্ছিল। এ জন্য আলাদা স্কুলের প্রয়োজন নেই, বিএনপির উপদেষ্টাদের কাছে গেলেই এ বিষয়ে শেখা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে অলি আহমেদ বলেন, দেশকে বিদেশিদের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জোটকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে স্কুল-কলেজে শিক্ষার পরিবেশ নেই। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পরিবর্তে মোবাইল ফোনে বেশি সময় ব্যয় করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পথসভার শেষ দিকে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে অলি আহমেদ জানতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চান কি না। এ সময় তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ে সরকারকে ধীরে ধীরে বাধ্য করা হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে সরকারকে বিদায় নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।









