জবি ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা র্যাবের, শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে উদ্ধার

জবি ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা র্যাবের, শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে উদ্ধার
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রীদের একটি মেসে অভিযান চালিয়ে বর্ষা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থীকে র্যাব পরিচয়ে গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের হস্তক্ষেপ করলে তাকে না নিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন র্যাব সদস্যরা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কলতাবাজার এলাকার ওই মেসে এ ঘটনা ঘটে। এমন কান্ডে মেসে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী বর্ষা খাতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সকালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং বিষয়টি সূত্রাপুর থানার ওসিকে জানান। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত হন। র্যাব পরিচয়ে আসা ব্যক্তিদের নিয়ে শুরুতে সন্দেহ তৈরি হলেও পরে র্যাবের সদস্যরা সেখানে আসেন। শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আহমেদ ইহসানুল কবির বলেন, খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে একজন শিক্ষার্থীকে র্যাবের গাড়িতে তোলা হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা থাকলে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার পেছনে কোনো অনিয়ম বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. তারেক বিন আতিক বলেন, সকালে এক শিক্ষার্থী ফোন করে মেসে র্যাব পরিচয়ে লোকজন আসার বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে প্রথমে ওই ব্যক্তিরা ভুল করে সেখানে এসেছেন বলে জানান। পরে তারা চুরির মামলার আসামি ধরতে এসেছেন বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যেতে নিষেধ করেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রক্টর অফিস ও উপাচার্যকে জানিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
অধ্যাপক তারেকের অভিযোগ, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে চুরির মামলার কথা বলা হলেও মামলার বিস্তারিত তাদের জানানো হয়নি। ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় ও মোবাইল নম্বর জানতে চাইলে তারা তা দিতে রাজি হননি। পরে তারা এক প্রকার পলায়ন করে।
এসব বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে আসা ব্যক্তিরা র্যাবের সদস্য এবং একটি মামলার অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীকে নিতে এসেছিলেন। পরে জানা যায়, মামলাটি পারিবারিক বিরোধের কারণে করা হয়েছে। পরে শিক্ষার্থীকে না নিয়েই তারা চলে যান।
মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় যোগাযোগ করে খোঁজ নেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান ওসি আনোয়ার।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্ষা খাতুনের বোনের সাবেক স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রীদের একটি মেসে অভিযান চালিয়ে বর্ষা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থীকে র্যাব পরিচয়ে গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের হস্তক্ষেপ করলে তাকে না নিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন র্যাব সদস্যরা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কলতাবাজার এলাকার ওই মেসে এ ঘটনা ঘটে। এমন কান্ডে মেসে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী বর্ষা খাতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সকালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং বিষয়টি সূত্রাপুর থানার ওসিকে জানান। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত হন। র্যাব পরিচয়ে আসা ব্যক্তিদের নিয়ে শুরুতে সন্দেহ তৈরি হলেও পরে র্যাবের সদস্যরা সেখানে আসেন। শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আহমেদ ইহসানুল কবির বলেন, খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে একজন শিক্ষার্থীকে র্যাবের গাড়িতে তোলা হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা থাকলে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার পেছনে কোনো অনিয়ম বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. তারেক বিন আতিক বলেন, সকালে এক শিক্ষার্থী ফোন করে মেসে র্যাব পরিচয়ে লোকজন আসার বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে প্রথমে ওই ব্যক্তিরা ভুল করে সেখানে এসেছেন বলে জানান। পরে তারা চুরির মামলার আসামি ধরতে এসেছেন বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যেতে নিষেধ করেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রক্টর অফিস ও উপাচার্যকে জানিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
অধ্যাপক তারেকের অভিযোগ, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে চুরির মামলার কথা বলা হলেও মামলার বিস্তারিত তাদের জানানো হয়নি। ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় ও মোবাইল নম্বর জানতে চাইলে তারা তা দিতে রাজি হননি। পরে তারা এক প্রকার পলায়ন করে।
এসব বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে আসা ব্যক্তিরা র্যাবের সদস্য এবং একটি মামলার অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীকে নিতে এসেছিলেন। পরে জানা যায়, মামলাটি পারিবারিক বিরোধের কারণে করা হয়েছে। পরে শিক্ষার্থীকে না নিয়েই তারা চলে যান।
মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় যোগাযোগ করে খোঁজ নেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান ওসি আনোয়ার।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্ষা খাতুনের বোনের সাবেক স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।

জবি ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা র্যাবের, শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে উদ্ধার
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রীদের একটি মেসে অভিযান চালিয়ে বর্ষা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থীকে র্যাব পরিচয়ে গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের হস্তক্ষেপ করলে তাকে না নিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন র্যাব সদস্যরা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কলতাবাজার এলাকার ওই মেসে এ ঘটনা ঘটে। এমন কান্ডে মেসে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী বর্ষা খাতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সকালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং বিষয়টি সূত্রাপুর থানার ওসিকে জানান। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত হন। র্যাব পরিচয়ে আসা ব্যক্তিদের নিয়ে শুরুতে সন্দেহ তৈরি হলেও পরে র্যাবের সদস্যরা সেখানে আসেন। শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আহমেদ ইহসানুল কবির বলেন, খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে একজন শিক্ষার্থীকে র্যাবের গাড়িতে তোলা হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা থাকলে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার পেছনে কোনো অনিয়ম বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. তারেক বিন আতিক বলেন, সকালে এক শিক্ষার্থী ফোন করে মেসে র্যাব পরিচয়ে লোকজন আসার বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে প্রথমে ওই ব্যক্তিরা ভুল করে সেখানে এসেছেন বলে জানান। পরে তারা চুরির মামলার আসামি ধরতে এসেছেন বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যেতে নিষেধ করেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রক্টর অফিস ও উপাচার্যকে জানিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
অধ্যাপক তারেকের অভিযোগ, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে চুরির মামলার কথা বলা হলেও মামলার বিস্তারিত তাদের জানানো হয়নি। ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় ও মোবাইল নম্বর জানতে চাইলে তারা তা দিতে রাজি হননি। পরে তারা এক প্রকার পলায়ন করে।
এসব বিষয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে আসা ব্যক্তিরা র্যাবের সদস্য এবং একটি মামলার অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীকে নিতে এসেছিলেন। পরে জানা যায়, মামলাটি পারিবারিক বিরোধের কারণে করা হয়েছে। পরে শিক্ষার্থীকে না নিয়েই তারা চলে যান।
মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় যোগাযোগ করে খোঁজ নেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান ওসি আনোয়ার।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্ষা খাতুনের বোনের সাবেক স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।

জবি ফিচার, কলাম ও কনটেন্ট রাইটার্সের নেতৃত্বে ফাহিম-অমি







