গণমাধ্যম কোনো দলের সম্পদ নয়: আসিফ মাহমুদ

গণমাধ্যম কোনো দলের সম্পদ নয়: আসিফ মাহমুদ
সিজেডএন ডেস্ক

গণমাধ্যম কোনো শাসকের মুখপত্র নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম কোনো দলের সম্পদ নয় বা কোনো ক্ষমতাকেন্দ্রের হাতিয়ার নয়। গণমাধ্যমের আনুগত্য কেবল সত্যের প্রতি, জনগণের প্রতি।
১৬ জুন (মঙ্গলবার) ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, রাষ্ট্রক্ষমতা কীভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে পারে তার একটি নির্মম স্মারক। ১৯৭৫ সালের এই দিনে শেখ মুজিবের বাকশাল সরকার মাত্র চারটি সংবাদপত্র রেখে দেশের বাকি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল। হাজার হাজার সাংবাদিক, মুদ্রণকর্মী ও সংবাদপত্রকর্মী রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা, স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জাতির স্বাধীন কণ্ঠ।
বাকশালের পতনের পরও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বারবার আঘাতের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এনসিপির মুখপাত্র অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ, ভিন্নমতকে দমন, সমালোচনামূলক সাংবাদিকতাকে প্রভাব খাটিয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রের অনুগত তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার অসংখ্য ন্যাক্কারজনক ঘটনা দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অবনতি ছিল সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার পরিবর্তনের পরও যদি সেই সংস্কৃতির পরিবর্তন না হয়, তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। বর্তমান সরকারকে মনে রাখতে হবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা, পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমকে ভাগ করা, কিংবা সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে দেখা এসবই সেই পুরোনো পথের পুনরাবৃত্তি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, যে রাষ্ট্র সত্যকে ভয় পায়, সে রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত জনগণকেও ভয় পায়। আর যে সরকার স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে সহ্য করতে পারে না, সে সরকার মুখে গণতন্ত্রের ভাষা বললেও গণতন্ত্রের চর্চা করে না।
তিনি বলেন, সংবাদপত্রের কালো দিবসে আমরা শুধু ১৯৭৫-এর বাকশালের একনায়কতন্ত্রকে ঘৃণাভরে স্মরণ করি না; আমরা সতর্ক করি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সরকারকে।
দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ইতিহাসের এই কালো দিনের কথা স্মরণ করে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর যে কোনো আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।
সবশেষ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাকশালী মানসিকতা, ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের সকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

গণমাধ্যম কোনো শাসকের মুখপত্র নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম কোনো দলের সম্পদ নয় বা কোনো ক্ষমতাকেন্দ্রের হাতিয়ার নয়। গণমাধ্যমের আনুগত্য কেবল সত্যের প্রতি, জনগণের প্রতি।
১৬ জুন (মঙ্গলবার) ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, রাষ্ট্রক্ষমতা কীভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে পারে তার একটি নির্মম স্মারক। ১৯৭৫ সালের এই দিনে শেখ মুজিবের বাকশাল সরকার মাত্র চারটি সংবাদপত্র রেখে দেশের বাকি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল। হাজার হাজার সাংবাদিক, মুদ্রণকর্মী ও সংবাদপত্রকর্মী রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা, স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জাতির স্বাধীন কণ্ঠ।
বাকশালের পতনের পরও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বারবার আঘাতের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এনসিপির মুখপাত্র অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ, ভিন্নমতকে দমন, সমালোচনামূলক সাংবাদিকতাকে প্রভাব খাটিয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রের অনুগত তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার অসংখ্য ন্যাক্কারজনক ঘটনা দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অবনতি ছিল সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার পরিবর্তনের পরও যদি সেই সংস্কৃতির পরিবর্তন না হয়, তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। বর্তমান সরকারকে মনে রাখতে হবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা, পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমকে ভাগ করা, কিংবা সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে দেখা এসবই সেই পুরোনো পথের পুনরাবৃত্তি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, যে রাষ্ট্র সত্যকে ভয় পায়, সে রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত জনগণকেও ভয় পায়। আর যে সরকার স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে সহ্য করতে পারে না, সে সরকার মুখে গণতন্ত্রের ভাষা বললেও গণতন্ত্রের চর্চা করে না।
তিনি বলেন, সংবাদপত্রের কালো দিবসে আমরা শুধু ১৯৭৫-এর বাকশালের একনায়কতন্ত্রকে ঘৃণাভরে স্মরণ করি না; আমরা সতর্ক করি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সরকারকে।
দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ইতিহাসের এই কালো দিনের কথা স্মরণ করে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর যে কোনো আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।
সবশেষ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাকশালী মানসিকতা, ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের সকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

গণমাধ্যম কোনো দলের সম্পদ নয়: আসিফ মাহমুদ
সিজেডএন ডেস্ক

গণমাধ্যম কোনো শাসকের মুখপত্র নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম কোনো দলের সম্পদ নয় বা কোনো ক্ষমতাকেন্দ্রের হাতিয়ার নয়। গণমাধ্যমের আনুগত্য কেবল সত্যের প্রতি, জনগণের প্রতি।
১৬ জুন (মঙ্গলবার) ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, রাষ্ট্রক্ষমতা কীভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে পারে তার একটি নির্মম স্মারক। ১৯৭৫ সালের এই দিনে শেখ মুজিবের বাকশাল সরকার মাত্র চারটি সংবাদপত্র রেখে দেশের বাকি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল। হাজার হাজার সাংবাদিক, মুদ্রণকর্মী ও সংবাদপত্রকর্মী রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা, স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জাতির স্বাধীন কণ্ঠ।
বাকশালের পতনের পরও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বারবার আঘাতের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এনসিপির মুখপাত্র অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ, ভিন্নমতকে দমন, সমালোচনামূলক সাংবাদিকতাকে প্রভাব খাটিয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রের অনুগত তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার অসংখ্য ন্যাক্কারজনক ঘটনা দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অবনতি ছিল সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকার পরিবর্তনের পরও যদি সেই সংস্কৃতির পরিবর্তন না হয়, তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। বর্তমান সরকারকে মনে রাখতে হবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা, পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমকে ভাগ করা, কিংবা সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে দেখা এসবই সেই পুরোনো পথের পুনরাবৃত্তি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, যে রাষ্ট্র সত্যকে ভয় পায়, সে রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত জনগণকেও ভয় পায়। আর যে সরকার স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে সহ্য করতে পারে না, সে সরকার মুখে গণতন্ত্রের ভাষা বললেও গণতন্ত্রের চর্চা করে না।
তিনি বলেন, সংবাদপত্রের কালো দিবসে আমরা শুধু ১৯৭৫-এর বাকশালের একনায়কতন্ত্রকে ঘৃণাভরে স্মরণ করি না; আমরা সতর্ক করি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সরকারকে।
দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ইতিহাসের এই কালো দিনের কথা স্মরণ করে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর যে কোনো আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।
সবশেষ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাকশালী মানসিকতা, ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের সকল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

আ. লীগকে নিয়ে ধোঁয়াশায় সরকার: আসিফ মাহমুদ
বিএনপির হাতে বেশিদিন সময় নেই: আসিফ মাহমুদ 


