প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী আফরোজা খানম

প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী আফরোজা খানম
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন আফরোজা খানম রিতা। স্বাধীনতার পর মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত একমাত্র নারী সংসদ সদস্য তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় বেসরকারি বিমান পরিবহন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আফরোজা খানম ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। পাশাপাশি তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর চেয়ারম্যান।
রাজনীতিতে তার পথচলা শুরু পারিবারিক সূত্রে। তার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জ-২ ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য ছিলেন; দায়িত্ব পালন করেছেন মন্ত্রী হিসেবেও।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন আফরোজা খানম। এরপর জেলা ও রাজধানীতে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে থাকেন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব নেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার বলেন, আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হওয়ায় শুধু দলীয় নেতাকর্মীই নন, পুরো জেলার মানুষই আনন্দিত ও গর্বিত।

প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন আফরোজা খানম রিতা। স্বাধীনতার পর মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত একমাত্র নারী সংসদ সদস্য তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় বেসরকারি বিমান পরিবহন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আফরোজা খানম ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। পাশাপাশি তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর চেয়ারম্যান।
রাজনীতিতে তার পথচলা শুরু পারিবারিক সূত্রে। তার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জ-২ ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য ছিলেন; দায়িত্ব পালন করেছেন মন্ত্রী হিসেবেও।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন আফরোজা খানম। এরপর জেলা ও রাজধানীতে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে থাকেন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব নেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার বলেন, আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হওয়ায় শুধু দলীয় নেতাকর্মীই নন, পুরো জেলার মানুষই আনন্দিত ও গর্বিত।

প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী আফরোজা খানম
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন আফরোজা খানম রিতা। স্বাধীনতার পর মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত একমাত্র নারী সংসদ সদস্য তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় বেসরকারি বিমান পরিবহন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আফরোজা খানম ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। পাশাপাশি তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর চেয়ারম্যান।
রাজনীতিতে তার পথচলা শুরু পারিবারিক সূত্রে। তার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জ-২ ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য ছিলেন; দায়িত্ব পালন করেছেন মন্ত্রী হিসেবেও।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন আফরোজা খানম। এরপর জেলা ও রাজধানীতে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে থাকেন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব নেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার বলেন, আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হওয়ায় শুধু দলীয় নেতাকর্মীই নন, পুরো জেলার মানুষই আনন্দিত ও গর্বিত।




