‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই’

‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই’
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে বড় একটি প্রশ্ন ঘুরছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে– কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না। এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই।
জাহেদ উর রহমানের কথায়, কোনো ব্যক্তি যদি নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারেন, তিনি যিনিই হোন না কেন আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।সরকারের বিভিন্ন কাজের তথ্য তুলে ধরতে আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে কথাগুলো বলেছেন জাহেদ উর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী বাংলাদেশে আছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তা পারবেন কি না। এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তাঁর প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাঁদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তাঁর যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে বড় একটি প্রশ্ন ঘুরছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে– কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না। এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই।
জাহেদ উর রহমানের কথায়, কোনো ব্যক্তি যদি নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারেন, তিনি যিনিই হোন না কেন আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।সরকারের বিভিন্ন কাজের তথ্য তুলে ধরতে আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে কথাগুলো বলেছেন জাহেদ উর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী বাংলাদেশে আছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তা পারবেন কি না। এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তাঁর প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাঁদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তাঁর যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।’

‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই’
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে বড় একটি প্রশ্ন ঘুরছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে– কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না। এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই।
জাহেদ উর রহমানের কথায়, কোনো ব্যক্তি যদি নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারেন, তিনি যিনিই হোন না কেন আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।সরকারের বিভিন্ন কাজের তথ্য তুলে ধরতে আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে কথাগুলো বলেছেন জাহেদ উর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী বাংলাদেশে আছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তা পারবেন কি না। এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তাঁর প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাঁদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তাঁর যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যে বরাদ্দ চায় ইসি


