জামায়াতকে ভোট দেওয়া মুসলমানদের জন্য ‘জায়েজ’ হবে না: হেফাজত আমির

জামায়াতকে ভোট দেওয়া মুসলমানদের জন্য ‘জায়েজ’ হবে না: হেফাজত আমির
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, মুসলমানদের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়া ‘জায়েজ হবে না’। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদ্রাসায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বোখারি শরীফ খতম উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে সমর্থন দেওয়ার কথাও বলেন।
অনুষ্ঠানে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমিরের দেওয়া একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীকে বলতে শোনা যায়, ‘সমস্ত মুসলমানদেরও বলুন, তাদের ভোট দেয়া কী? হারাম; জায়েজ হবে না।।’
এরপর কাছাকাছি বসা বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে দেখিয়ে হেফাজতের আমির বলেন, ‘আমরা উনাকে ভোট দিচ্ছি তা নয়, উনাকে সামনে রেখে উনার মাধ্যমে জেহাদ করছি। কার সঙ্গে; মওদুদির জামায়াতের সঙ্গে।’
তিনি বলেন, আমি ইলেকশন-টিলেকশন বুঝি না। এটা জিহাদ। আমরা যদি কঠোরভাবে ভোট থেকে তাদের বঞ্চিত করতে না পারি, তারা যদি বাংলদেশে আসে, তাহলে ইসলামের গোড়া কেটে ফেলবে। মুসলমানের গোড়া কেটে দেবে। রগ কাটার গোষ্ঠী তারা।’
এর আগেও একাধিকবার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের আমির। জামায়াতকে ‘ভণ্ড’ বলেও অভিহিত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা হাবিবুর রহমান কাসেমীসহ জ্যেষ্ঠ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, মুসলমানদের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়া ‘জায়েজ হবে না’। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদ্রাসায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বোখারি শরীফ খতম উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে সমর্থন দেওয়ার কথাও বলেন।
অনুষ্ঠানে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমিরের দেওয়া একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীকে বলতে শোনা যায়, ‘সমস্ত মুসলমানদেরও বলুন, তাদের ভোট দেয়া কী? হারাম; জায়েজ হবে না।।’
এরপর কাছাকাছি বসা বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে দেখিয়ে হেফাজতের আমির বলেন, ‘আমরা উনাকে ভোট দিচ্ছি তা নয়, উনাকে সামনে রেখে উনার মাধ্যমে জেহাদ করছি। কার সঙ্গে; মওদুদির জামায়াতের সঙ্গে।’
তিনি বলেন, আমি ইলেকশন-টিলেকশন বুঝি না। এটা জিহাদ। আমরা যদি কঠোরভাবে ভোট থেকে তাদের বঞ্চিত করতে না পারি, তারা যদি বাংলদেশে আসে, তাহলে ইসলামের গোড়া কেটে ফেলবে। মুসলমানের গোড়া কেটে দেবে। রগ কাটার গোষ্ঠী তারা।’
এর আগেও একাধিকবার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের আমির। জামায়াতকে ‘ভণ্ড’ বলেও অভিহিত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা হাবিবুর রহমান কাসেমীসহ জ্যেষ্ঠ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতকে ভোট দেওয়া মুসলমানদের জন্য ‘জায়েজ’ হবে না: হেফাজত আমির
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, মুসলমানদের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়া ‘জায়েজ হবে না’। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদ্রাসায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বোখারি শরীফ খতম উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে সমর্থন দেওয়ার কথাও বলেন।
অনুষ্ঠানে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমিরের দেওয়া একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীকে বলতে শোনা যায়, ‘সমস্ত মুসলমানদেরও বলুন, তাদের ভোট দেয়া কী? হারাম; জায়েজ হবে না।।’
এরপর কাছাকাছি বসা বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে দেখিয়ে হেফাজতের আমির বলেন, ‘আমরা উনাকে ভোট দিচ্ছি তা নয়, উনাকে সামনে রেখে উনার মাধ্যমে জেহাদ করছি। কার সঙ্গে; মওদুদির জামায়াতের সঙ্গে।’
তিনি বলেন, আমি ইলেকশন-টিলেকশন বুঝি না। এটা জিহাদ। আমরা যদি কঠোরভাবে ভোট থেকে তাদের বঞ্চিত করতে না পারি, তারা যদি বাংলদেশে আসে, তাহলে ইসলামের গোড়া কেটে ফেলবে। মুসলমানের গোড়া কেটে দেবে। রগ কাটার গোষ্ঠী তারা।’
এর আগেও একাধিকবার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের আমির। জামায়াতকে ‘ভণ্ড’ বলেও অভিহিত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা হাবিবুর রহমান কাসেমীসহ জ্যেষ্ঠ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।




