৪ হাজারেরও বেশি সামুদ্রিক প্রজাতি প্লাস্টিকের শিকার

৪ হাজারেরও বেশি সামুদ্রিক প্রজাতি প্লাস্টিকের শিকার
সিটিজেন জার্নাল

মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণগুলো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। প্রতি বছর সমুদ্রে প্রবেশ করছে প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। প্লাস্টিক দ্বারা প্রভাবিত সামুদ্রিক প্রজাতির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি।
জাতিসংঘ প্রকাশিত তৃতীয় ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটি সব পক্ষকে সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তরিত করা এবং সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্ব সমুদ্র দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সমুদ্রকে প্রভাবকারী কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জনসংখ্যার গঠনগত পরিবর্তন, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, শাসন কাঠামোর পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং পরিবেশ দূষণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী সমুদ্র উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখনও জোরদার হচ্ছে। ১৯৫৫ সালের পর থেকে সমুদ্রের তাপ ধারণের মোট বৃদ্ধির প্রায় ১৬ শতাংশ ঘটেছে ২০১৮ সাল পরবর্তী সময়ে। এর মধ্যে আটলান্টিক, দক্ষিণ ভারতীয় এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণায়নের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বার্ষিক ২০১৫ সালের আগে ২ মিলিমিটারের কম ছিল, যা বেড়ে ২০২৩ সালে ৪.৩ মিলিমিটারে পৌঁছেছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সমুদ্র অঞ্চলে সমুদ্রের পানির তাপীয় সম্প্রসারণের কারণে উচ্চতা বৃদ্ধির হার আরও দ্রুত।
প্রতিবেদন বলছে, প্লাস্টিক দূষণ পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করছে। ধারণা করা হয়, প্রতি বছর প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে প্রবেশ করে। বিশ্বব্যাপী সমুদ্রের উপরিস্তরে প্রায় ২৪.৪ ট্রিলিয়ন মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা বিদ্যমান। প্লাস্টিক দ্বারা প্রভাবিত সামুদ্রিক প্রজাতির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি।
আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মধ্যে সমুদ্রতলের মাত্র ২৭.৩ শতাংশ জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের মতো বিষয়গুলো গভীর সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সে সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান এখনও খুব সীমিত। প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো সামুদ্রিক শাসন সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেখা গেছে, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সামুদ্রিক শাসনে সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, সমুদ্রকে আর অফুরন্ত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। আমাদের অবশ্যই সমুদ্রের সঙ্গে একটি নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এই সম্পর্কটি বিজ্ঞানভিত্তিক, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো দ্বারা পরিচালিত এবং বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন সেক্টর ও বিভিন্ন প্রজন্মের ভাগ করে নেওয়া দায়িত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যেন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়।
তৃতীয় ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ প্রতিবেদন তৈরিতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৬০০ বিশেষজ্ঞ। এটি পরিবেশ, অর্থনীতি, সমাজসহ বিভিন্ন মাত্রায় সমুদ্রকে বিশ্লেষণ করেছে। প্রথম দুটি ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ যথাক্রমে ২০১৬ এবং ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়।

মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণগুলো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। প্রতি বছর সমুদ্রে প্রবেশ করছে প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। প্লাস্টিক দ্বারা প্রভাবিত সামুদ্রিক প্রজাতির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি।
জাতিসংঘ প্রকাশিত তৃতীয় ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটি সব পক্ষকে সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তরিত করা এবং সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্ব সমুদ্র দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সমুদ্রকে প্রভাবকারী কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জনসংখ্যার গঠনগত পরিবর্তন, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, শাসন কাঠামোর পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং পরিবেশ দূষণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী সমুদ্র উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখনও জোরদার হচ্ছে। ১৯৫৫ সালের পর থেকে সমুদ্রের তাপ ধারণের মোট বৃদ্ধির প্রায় ১৬ শতাংশ ঘটেছে ২০১৮ সাল পরবর্তী সময়ে। এর মধ্যে আটলান্টিক, দক্ষিণ ভারতীয় এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণায়নের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বার্ষিক ২০১৫ সালের আগে ২ মিলিমিটারের কম ছিল, যা বেড়ে ২০২৩ সালে ৪.৩ মিলিমিটারে পৌঁছেছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সমুদ্র অঞ্চলে সমুদ্রের পানির তাপীয় সম্প্রসারণের কারণে উচ্চতা বৃদ্ধির হার আরও দ্রুত।
প্রতিবেদন বলছে, প্লাস্টিক দূষণ পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করছে। ধারণা করা হয়, প্রতি বছর প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে প্রবেশ করে। বিশ্বব্যাপী সমুদ্রের উপরিস্তরে প্রায় ২৪.৪ ট্রিলিয়ন মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা বিদ্যমান। প্লাস্টিক দ্বারা প্রভাবিত সামুদ্রিক প্রজাতির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি।
আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মধ্যে সমুদ্রতলের মাত্র ২৭.৩ শতাংশ জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের মতো বিষয়গুলো গভীর সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সে সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান এখনও খুব সীমিত। প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো সামুদ্রিক শাসন সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেখা গেছে, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সামুদ্রিক শাসনে সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, সমুদ্রকে আর অফুরন্ত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। আমাদের অবশ্যই সমুদ্রের সঙ্গে একটি নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এই সম্পর্কটি বিজ্ঞানভিত্তিক, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো দ্বারা পরিচালিত এবং বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন সেক্টর ও বিভিন্ন প্রজন্মের ভাগ করে নেওয়া দায়িত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যেন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়।
তৃতীয় ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ প্রতিবেদন তৈরিতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৬০০ বিশেষজ্ঞ। এটি পরিবেশ, অর্থনীতি, সমাজসহ বিভিন্ন মাত্রায় সমুদ্রকে বিশ্লেষণ করেছে। প্রথম দুটি ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ যথাক্রমে ২০১৬ এবং ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়।

৪ হাজারেরও বেশি সামুদ্রিক প্রজাতি প্লাস্টিকের শিকার
সিটিজেন জার্নাল

মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণগুলো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। প্রতি বছর সমুদ্রে প্রবেশ করছে প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। প্লাস্টিক দ্বারা প্রভাবিত সামুদ্রিক প্রজাতির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি।
জাতিসংঘ প্রকাশিত তৃতীয় ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটি সব পক্ষকে সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তরিত করা এবং সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্ব সমুদ্র দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সমুদ্রকে প্রভাবকারী কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জনসংখ্যার গঠনগত পরিবর্তন, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, শাসন কাঠামোর পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং পরিবেশ দূষণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী সমুদ্র উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখনও জোরদার হচ্ছে। ১৯৫৫ সালের পর থেকে সমুদ্রের তাপ ধারণের মোট বৃদ্ধির প্রায় ১৬ শতাংশ ঘটেছে ২০১৮ সাল পরবর্তী সময়ে। এর মধ্যে আটলান্টিক, দক্ষিণ ভারতীয় এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণায়নের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বার্ষিক ২০১৫ সালের আগে ২ মিলিমিটারের কম ছিল, যা বেড়ে ২০২৩ সালে ৪.৩ মিলিমিটারে পৌঁছেছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সমুদ্র অঞ্চলে সমুদ্রের পানির তাপীয় সম্প্রসারণের কারণে উচ্চতা বৃদ্ধির হার আরও দ্রুত।
প্রতিবেদন বলছে, প্লাস্টিক দূষণ পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করছে। ধারণা করা হয়, প্রতি বছর প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে প্রবেশ করে। বিশ্বব্যাপী সমুদ্রের উপরিস্তরে প্রায় ২৪.৪ ট্রিলিয়ন মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা বিদ্যমান। প্লাস্টিক দ্বারা প্রভাবিত সামুদ্রিক প্রজাতির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি।
আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মধ্যে সমুদ্রতলের মাত্র ২৭.৩ শতাংশ জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের মতো বিষয়গুলো গভীর সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সে সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান এখনও খুব সীমিত। প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো সামুদ্রিক শাসন সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেখা গেছে, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সামুদ্রিক শাসনে সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, সমুদ্রকে আর অফুরন্ত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। আমাদের অবশ্যই সমুদ্রের সঙ্গে একটি নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এই সম্পর্কটি বিজ্ঞানভিত্তিক, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো দ্বারা পরিচালিত এবং বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন সেক্টর ও বিভিন্ন প্রজন্মের ভাগ করে নেওয়া দায়িত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যেন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়।
তৃতীয় ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ প্রতিবেদন তৈরিতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৬০০ বিশেষজ্ঞ। এটি পরিবেশ, অর্থনীতি, সমাজসহ বিভিন্ন মাত্রায় সমুদ্রকে বিশ্লেষণ করেছে। প্রথম দুটি ‘বিশ্ব সমুদ্র মূল্যায়ন’ যথাক্রমে ২০১৬ এবং ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়।

বঙ্গোপসাগরে প্লাস্টিক ও জেলিফিশের আধিক্যে উদ্বেগ প্রধান উপদেষ্টার


