বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক যুব জলবায়ু সম্মেলন

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক যুব জলবায়ু সম্মেলন
সিজেডএন ডেস্ক

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ যুব জলবায়ু সম্মেলন ‘রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওওয়াই) এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬’। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসি)-এর শিশু ও যুবদের আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইয়ঙ্গো-এর এই ফ্লাগশিপ উদ্যোগের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৩ জুলাই সম্মেলনের উদ্বোধনী ও আনুষ্ঠানিক লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩ থেকে ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে মূল সম্মেলন।
এবারের সম্মেলনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১০টি দেশের ১২টি যুব ও জলবায়ুবিষয়ক সংগঠন যৌথভাবে আয়োজন করছে এ আয়োজন। বাংলাদেশের যুব নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান সিক্ত বাংলাদেশ সম্মেলনের প্রধান আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আয়োজকদের মতে, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ইয়ঙ্গো-এর স্বীকৃত আঞ্চলিক যুব জলবায়ু প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছে, যা দেশের যুব নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক জলবায়ু সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওওয়াই) হলো ‘ইয়ঙ্গো’ স্বীকৃত একটি আনুষ্ঠানিক আঞ্চলিক যুব নেতৃত্ব প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে স্থানীয়, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের তরুণদের মতামত বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। বিভিন্ন দেশের লোকাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (এলসিওওয়াই) থেকে প্রাপ্ত জাতীয় যুব বিবৃতি এবং আঞ্চলিক পরামর্শের ভিত্তিতে একটি আঞ্চলিক যুব বিবৃতি প্রণয়ন করা হয়।
প্রতি বছর বিশ্বের সাতটি অঞ্চলে এ ধরনের আঞ্চলিক যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জলবায়ু ঝুঁকি, অভিযোজন, প্রশমন এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে তরুণরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। এসব মতামতের সমন্বয়ে তৈরি হয় একটি গ্লোবাল ইয়ুথ স্টেটমেন্ট, যা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে যুবসমাজের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে উপস্থাপিত হয় এবং ইউএনএফসিসির বিভিন্ন আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিক্ত বাংলাদেশ জানিয়েছে, ‘আরসিওওয়াই এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬’ শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন নয়; এটি বাংলাদেশের তরুণদের বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পাশাপাশি এ উদ্যোগ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের তরুণদের মধ্যে জলবায়ু ন্যায্যতা, সহযোগিতা এবং সমাধানভিত্তিক উদ্যোগে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
এ উদ্যোগে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সিভিল সোসাইটি সংগঠন (সিএসও) এবং যুব নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
সম্মেলনের সহ-আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইয়াং ক্লাইমেট চ্যাম্পিয়নস, উজবেকিস্তান; কমনওয়েলথ এশিয়া ইয়ুথ অ্যালায়েন্স; কালটিভআর্থ, ভারত; ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকটিভিস্টস, পাকিস্তান; ক্লাইমেট ফর আস, কাজাখস্তান; ইয়ুথ কাউন্সিল ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন (ওয়াইসিসিএ), কম্বোডিয়া; মুমকিনচিলিক দুনিয়াসি ইএস, তুর্কমেনিস্তান; কমনওয়েলথ ইয়ুথ ক্লাইমেট চেঞ্জ নেটওয়ার্ক, (সিওয়াইসিএন) এশিয়া; ব্লু ওয়াটার অ্যাসোসিয়েশন, আফগানিস্তান; নেপাল ইয়ুথ লিড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার; তাজিকিস্তান ইয়ুথ ফর ওয়াটার অ্যান্ড ক্লাইমেট নেটওয়ার্ক (ওয়াইফোরডব্লিউসি)।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ যুব জলবায়ু সম্মেলন ‘রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওওয়াই) এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬’। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসি)-এর শিশু ও যুবদের আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইয়ঙ্গো-এর এই ফ্লাগশিপ উদ্যোগের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৩ জুলাই সম্মেলনের উদ্বোধনী ও আনুষ্ঠানিক লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩ থেকে ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে মূল সম্মেলন।
এবারের সম্মেলনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১০টি দেশের ১২টি যুব ও জলবায়ুবিষয়ক সংগঠন যৌথভাবে আয়োজন করছে এ আয়োজন। বাংলাদেশের যুব নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান সিক্ত বাংলাদেশ সম্মেলনের প্রধান আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আয়োজকদের মতে, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ইয়ঙ্গো-এর স্বীকৃত আঞ্চলিক যুব জলবায়ু প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছে, যা দেশের যুব নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক জলবায়ু সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওওয়াই) হলো ‘ইয়ঙ্গো’ স্বীকৃত একটি আনুষ্ঠানিক আঞ্চলিক যুব নেতৃত্ব প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে স্থানীয়, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের তরুণদের মতামত বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। বিভিন্ন দেশের লোকাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (এলসিওওয়াই) থেকে প্রাপ্ত জাতীয় যুব বিবৃতি এবং আঞ্চলিক পরামর্শের ভিত্তিতে একটি আঞ্চলিক যুব বিবৃতি প্রণয়ন করা হয়।
প্রতি বছর বিশ্বের সাতটি অঞ্চলে এ ধরনের আঞ্চলিক যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জলবায়ু ঝুঁকি, অভিযোজন, প্রশমন এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে তরুণরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। এসব মতামতের সমন্বয়ে তৈরি হয় একটি গ্লোবাল ইয়ুথ স্টেটমেন্ট, যা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে যুবসমাজের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে উপস্থাপিত হয় এবং ইউএনএফসিসির বিভিন্ন আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিক্ত বাংলাদেশ জানিয়েছে, ‘আরসিওওয়াই এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬’ শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন নয়; এটি বাংলাদেশের তরুণদের বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পাশাপাশি এ উদ্যোগ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের তরুণদের মধ্যে জলবায়ু ন্যায্যতা, সহযোগিতা এবং সমাধানভিত্তিক উদ্যোগে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
এ উদ্যোগে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সিভিল সোসাইটি সংগঠন (সিএসও) এবং যুব নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
সম্মেলনের সহ-আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইয়াং ক্লাইমেট চ্যাম্পিয়নস, উজবেকিস্তান; কমনওয়েলথ এশিয়া ইয়ুথ অ্যালায়েন্স; কালটিভআর্থ, ভারত; ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকটিভিস্টস, পাকিস্তান; ক্লাইমেট ফর আস, কাজাখস্তান; ইয়ুথ কাউন্সিল ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন (ওয়াইসিসিএ), কম্বোডিয়া; মুমকিনচিলিক দুনিয়াসি ইএস, তুর্কমেনিস্তান; কমনওয়েলথ ইয়ুথ ক্লাইমেট চেঞ্জ নেটওয়ার্ক, (সিওয়াইসিএন) এশিয়া; ব্লু ওয়াটার অ্যাসোসিয়েশন, আফগানিস্তান; নেপাল ইয়ুথ লিড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার; তাজিকিস্তান ইয়ুথ ফর ওয়াটার অ্যান্ড ক্লাইমেট নেটওয়ার্ক (ওয়াইফোরডব্লিউসি)।

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক যুব জলবায়ু সম্মেলন
সিজেডএন ডেস্ক

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ যুব জলবায়ু সম্মেলন ‘রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওওয়াই) এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬’। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসি)-এর শিশু ও যুবদের আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইয়ঙ্গো-এর এই ফ্লাগশিপ উদ্যোগের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৩ জুলাই সম্মেলনের উদ্বোধনী ও আনুষ্ঠানিক লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩ থেকে ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে মূল সম্মেলন।
এবারের সম্মেলনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১০টি দেশের ১২টি যুব ও জলবায়ুবিষয়ক সংগঠন যৌথভাবে আয়োজন করছে এ আয়োজন। বাংলাদেশের যুব নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান সিক্ত বাংলাদেশ সম্মেলনের প্রধান আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আয়োজকদের মতে, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ইয়ঙ্গো-এর স্বীকৃত আঞ্চলিক যুব জলবায়ু প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছে, যা দেশের যুব নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক জলবায়ু সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওওয়াই) হলো ‘ইয়ঙ্গো’ স্বীকৃত একটি আনুষ্ঠানিক আঞ্চলিক যুব নেতৃত্ব প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে স্থানীয়, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের তরুণদের মতামত বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। বিভিন্ন দেশের লোকাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (এলসিওওয়াই) থেকে প্রাপ্ত জাতীয় যুব বিবৃতি এবং আঞ্চলিক পরামর্শের ভিত্তিতে একটি আঞ্চলিক যুব বিবৃতি প্রণয়ন করা হয়।
প্রতি বছর বিশ্বের সাতটি অঞ্চলে এ ধরনের আঞ্চলিক যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জলবায়ু ঝুঁকি, অভিযোজন, প্রশমন এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে তরুণরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। এসব মতামতের সমন্বয়ে তৈরি হয় একটি গ্লোবাল ইয়ুথ স্টেটমেন্ট, যা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে যুবসমাজের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে উপস্থাপিত হয় এবং ইউএনএফসিসির বিভিন্ন আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিক্ত বাংলাদেশ জানিয়েছে, ‘আরসিওওয়াই এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬’ শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন নয়; এটি বাংলাদেশের তরুণদের বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পাশাপাশি এ উদ্যোগ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের তরুণদের মধ্যে জলবায়ু ন্যায্যতা, সহযোগিতা এবং সমাধানভিত্তিক উদ্যোগে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
এ উদ্যোগে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সিভিল সোসাইটি সংগঠন (সিএসও) এবং যুব নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
সম্মেলনের সহ-আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইয়াং ক্লাইমেট চ্যাম্পিয়নস, উজবেকিস্তান; কমনওয়েলথ এশিয়া ইয়ুথ অ্যালায়েন্স; কালটিভআর্থ, ভারত; ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকটিভিস্টস, পাকিস্তান; ক্লাইমেট ফর আস, কাজাখস্তান; ইয়ুথ কাউন্সিল ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন (ওয়াইসিসিএ), কম্বোডিয়া; মুমকিনচিলিক দুনিয়াসি ইএস, তুর্কমেনিস্তান; কমনওয়েলথ ইয়ুথ ক্লাইমেট চেঞ্জ নেটওয়ার্ক, (সিওয়াইসিএন) এশিয়া; ব্লু ওয়াটার অ্যাসোসিয়েশন, আফগানিস্তান; নেপাল ইয়ুথ লিড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার; তাজিকিস্তান ইয়ুথ ফর ওয়াটার অ্যান্ড ক্লাইমেট নেটওয়ার্ক (ওয়াইফোরডব্লিউসি)।




