আলোচনায় ‘১০০ জনের বেশি অতিথি’, কী রয়েছে সেই আইনে

আলোচনায় ‘১০০ জনের বেশি অতিথি’, কী রয়েছে সেই আইনে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ১৯৮৪ সালের একটি আদেশ আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৮৪ সালে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় ঠেকাতে আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিয়ে-শাদীতে আমরা দেখেছি, বিত্ত-বৈভবের অশ্লীল প্রদর্শনীতে কী পরিমাণ অপচয় হয়। এটা একেবারে কল্পনার বাইরে। গায়ে হলুদের কোরিওগ্রাফি দিয়ে নৃত্য করার জন্য এক মাস পর্যন্ত ট্রেনিং নেওয়া হয়। এইসব অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে অর্থ ব্যয় করা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গানে হাজার হাজার মানুষ এসে সেখানে অংশগ্রহণ করে। যা খায় তার অর্ধেকের বেশি অপচয় হয়। এই অপচয়টাকে বন্ধ করতে হবে’।
তিনি আরও বলেন, আগে একটা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল যে, ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই সেখানে একটা ট্যাক্স ধরা হতো। আমরা প্রস্তাব করছি, ১০০ জনের অতিথির বাইরে প্রতি অতিথির জন্য এক হাজার টাকা করে ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। অপচয় বন্ধ করা হলে একদিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ কমে আসবে।
এর আগে সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়েও তিনি বিয়ে ও গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানান।
‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’টি নিচে তুলে ধরা হলো–
প্রধান ধারা ও নিয়মাবলি
১০০ জনের বেশি অতিথি নিষিদ্ধ: এই আদেশের মূল শর্ত, কোনো ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনো খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না।
বিশেষ অনুমতি ও রাজস্ব: বিশেষ কারণে যদি কোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ‘ফরম-এ’-র মাধ্যমে পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ (শুরুতে ছিল ১০) টাকা ফি জমা দিতে হবে।
তদারকি ও তল্লাশির ক্ষমতা: নিয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি করার আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
শাস্তি
১৯৫৬ সালের মূল আইনের আওতায় এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়ম ভাঙলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে স্থানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে (যেমন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল) তার মালিকের জরিমানা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ডের বিধান ছিল।
সংশোধনী
২০০৩ সালে এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো বিশুদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফির আওতামুক্ত করা হয়।
আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা না হলেও যথাযথ প্রয়োগ এবং নজরদারির অভাবে বর্তমানে এটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা ফি দেওয়ার নিয়মটি এখন আর চর্চা করা হয় না।

বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ১৯৮৪ সালের একটি আদেশ আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৮৪ সালে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় ঠেকাতে আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিয়ে-শাদীতে আমরা দেখেছি, বিত্ত-বৈভবের অশ্লীল প্রদর্শনীতে কী পরিমাণ অপচয় হয়। এটা একেবারে কল্পনার বাইরে। গায়ে হলুদের কোরিওগ্রাফি দিয়ে নৃত্য করার জন্য এক মাস পর্যন্ত ট্রেনিং নেওয়া হয়। এইসব অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে অর্থ ব্যয় করা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গানে হাজার হাজার মানুষ এসে সেখানে অংশগ্রহণ করে। যা খায় তার অর্ধেকের বেশি অপচয় হয়। এই অপচয়টাকে বন্ধ করতে হবে’।
তিনি আরও বলেন, আগে একটা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল যে, ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই সেখানে একটা ট্যাক্স ধরা হতো। আমরা প্রস্তাব করছি, ১০০ জনের অতিথির বাইরে প্রতি অতিথির জন্য এক হাজার টাকা করে ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। অপচয় বন্ধ করা হলে একদিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ কমে আসবে।
এর আগে সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়েও তিনি বিয়ে ও গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানান।
‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’টি নিচে তুলে ধরা হলো–
প্রধান ধারা ও নিয়মাবলি
১০০ জনের বেশি অতিথি নিষিদ্ধ: এই আদেশের মূল শর্ত, কোনো ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনো খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না।
বিশেষ অনুমতি ও রাজস্ব: বিশেষ কারণে যদি কোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ‘ফরম-এ’-র মাধ্যমে পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ (শুরুতে ছিল ১০) টাকা ফি জমা দিতে হবে।
তদারকি ও তল্লাশির ক্ষমতা: নিয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি করার আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
শাস্তি
১৯৫৬ সালের মূল আইনের আওতায় এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়ম ভাঙলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে স্থানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে (যেমন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল) তার মালিকের জরিমানা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ডের বিধান ছিল।
সংশোধনী
২০০৩ সালে এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো বিশুদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফির আওতামুক্ত করা হয়।
আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা না হলেও যথাযথ প্রয়োগ এবং নজরদারির অভাবে বর্তমানে এটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা ফি দেওয়ার নিয়মটি এখন আর চর্চা করা হয় না।

আলোচনায় ‘১০০ জনের বেশি অতিথি’, কী রয়েছে সেই আইনে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ১৯৮৪ সালের একটি আদেশ আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৮৪ সালে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় ঠেকাতে আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিয়ে-শাদীতে আমরা দেখেছি, বিত্ত-বৈভবের অশ্লীল প্রদর্শনীতে কী পরিমাণ অপচয় হয়। এটা একেবারে কল্পনার বাইরে। গায়ে হলুদের কোরিওগ্রাফি দিয়ে নৃত্য করার জন্য এক মাস পর্যন্ত ট্রেনিং নেওয়া হয়। এইসব অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে অর্থ ব্যয় করা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গানে হাজার হাজার মানুষ এসে সেখানে অংশগ্রহণ করে। যা খায় তার অর্ধেকের বেশি অপচয় হয়। এই অপচয়টাকে বন্ধ করতে হবে’।
তিনি আরও বলেন, আগে একটা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল যে, ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই সেখানে একটা ট্যাক্স ধরা হতো। আমরা প্রস্তাব করছি, ১০০ জনের অতিথির বাইরে প্রতি অতিথির জন্য এক হাজার টাকা করে ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। অপচয় বন্ধ করা হলে একদিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ কমে আসবে।
এর আগে সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়েও তিনি বিয়ে ও গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানান।
‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’টি নিচে তুলে ধরা হলো–
প্রধান ধারা ও নিয়মাবলি
১০০ জনের বেশি অতিথি নিষিদ্ধ: এই আদেশের মূল শর্ত, কোনো ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনো খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না।
বিশেষ অনুমতি ও রাজস্ব: বিশেষ কারণে যদি কোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ‘ফরম-এ’-র মাধ্যমে পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ (শুরুতে ছিল ১০) টাকা ফি জমা দিতে হবে।
তদারকি ও তল্লাশির ক্ষমতা: নিয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি করার আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
শাস্তি
১৯৫৬ সালের মূল আইনের আওতায় এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়ম ভাঙলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে স্থানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে (যেমন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল) তার মালিকের জরিমানা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ডের বিধান ছিল।
সংশোধনী
২০০৩ সালে এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো বিশুদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফির আওতামুক্ত করা হয়।
আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা না হলেও যথাযথ প্রয়োগ এবং নজরদারির অভাবে বর্তমানে এটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা ফি দেওয়ার নিয়মটি এখন আর চর্চা করা হয় না।




