‘আমি বাদে সবাই মারা গেছে’

‘আমি বাদে সবাই মারা গেছে’
সিটিজেন ডেস্ক

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িটিতে থাকা এক পরিবারের একজন সদস্য বাদে বাকি সবাই মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলায় বেলাই ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একই পরিবারের অধিকাংশ সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।
পরিবারটির একমাত্র জীবিত সদস্য জনি নামের ওই যুবকের আর্তনাদে রামপাল ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মিঠু জানান, জনি তাকে ফোনে বলেন-‘আমি বাদে পরিবারের সবাই একই গাড়িতে ছিল, তারা সবাই মারা গেছে। আমি রামপাল হাসপাতালে যাচ্ছি, তোমরা একটু খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাও।’ মিঠু দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখেন, জনির পরিবারের কাউকেই আর জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেনাজ মোশাররফ জানান, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে ৮ জনের মরদেহ এসেছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু, তিনজন নারী এবং দুজন পুরুষ রয়েছেন। এ ছাড়া আরো একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ৪টি মরদেহ রয়েছে।
গুরুতর আহত আরো ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বেলাইব্রিজ এলাকায় দ্রুতগতিতে আসা বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িটিতে থাকা এক পরিবারের একজন সদস্য বাদে বাকি সবাই মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলায় বেলাই ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একই পরিবারের অধিকাংশ সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।
পরিবারটির একমাত্র জীবিত সদস্য জনি নামের ওই যুবকের আর্তনাদে রামপাল ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মিঠু জানান, জনি তাকে ফোনে বলেন-‘আমি বাদে পরিবারের সবাই একই গাড়িতে ছিল, তারা সবাই মারা গেছে। আমি রামপাল হাসপাতালে যাচ্ছি, তোমরা একটু খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাও।’ মিঠু দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখেন, জনির পরিবারের কাউকেই আর জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেনাজ মোশাররফ জানান, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে ৮ জনের মরদেহ এসেছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু, তিনজন নারী এবং দুজন পুরুষ রয়েছেন। এ ছাড়া আরো একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ৪টি মরদেহ রয়েছে।
গুরুতর আহত আরো ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বেলাইব্রিজ এলাকায় দ্রুতগতিতে আসা বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

‘আমি বাদে সবাই মারা গেছে’
সিটিজেন ডেস্ক

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িটিতে থাকা এক পরিবারের একজন সদস্য বাদে বাকি সবাই মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলায় বেলাই ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একই পরিবারের অধিকাংশ সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।
পরিবারটির একমাত্র জীবিত সদস্য জনি নামের ওই যুবকের আর্তনাদে রামপাল ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মিঠু জানান, জনি তাকে ফোনে বলেন-‘আমি বাদে পরিবারের সবাই একই গাড়িতে ছিল, তারা সবাই মারা গেছে। আমি রামপাল হাসপাতালে যাচ্ছি, তোমরা একটু খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাও।’ মিঠু দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখেন, জনির পরিবারের কাউকেই আর জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেনাজ মোশাররফ জানান, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে ৮ জনের মরদেহ এসেছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু, তিনজন নারী এবং দুজন পুরুষ রয়েছেন। এ ছাড়া আরো একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ৪টি মরদেহ রয়েছে।
গুরুতর আহত আরো ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বেলাইব্রিজ এলাকায় দ্রুতগতিতে আসা বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।




