প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করান ৷ একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেন।

এর আগে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি হয়েছে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।
জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে৷

প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯ আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন জিতেছে। আরও দুইটি আসনে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এনসিপি শাপলা কলি ৩.০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা ২.৭০ শতাংশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা ২.০৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
অন্য দলের ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এদের মধ্যে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল এবং ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল সরকার গঠনের জন্য বিএনপি, যার কোনো প্রার্থী জামানত হারায়নি। বিরোধী দলের আসনে বসা জামায়াতে ইসলামী ২২৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, যেখানে তিনজন নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ১৯৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যেখানে মাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গঠিত তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যার মধ্যে তিনজন জামানত হারান। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ ও নাগরিক ঐক্যসহ অন্যান্য দলের বেশিরভাগ প্রার্থীও জামানত হারাতে হয়েছে।

প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করান ৷ একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেন।

এর আগে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি হয়েছে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।
জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে৷

প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯ আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন জিতেছে। আরও দুইটি আসনে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এনসিপি শাপলা কলি ৩.০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা ২.৭০ শতাংশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা ২.০৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
অন্য দলের ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এদের মধ্যে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল এবং ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল সরকার গঠনের জন্য বিএনপি, যার কোনো প্রার্থী জামানত হারায়নি। বিরোধী দলের আসনে বসা জামায়াতে ইসলামী ২২৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, যেখানে তিনজন নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ১৯৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যেখানে মাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গঠিত তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যার মধ্যে তিনজন জামানত হারান। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ ও নাগরিক ঐক্যসহ অন্যান্য দলের বেশিরভাগ প্রার্থীও জামানত হারাতে হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করান ৷ একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেন।

এর আগে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি হয়েছে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।
জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে৷

প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯ আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন জিতেছে। আরও দুইটি আসনে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এনসিপি শাপলা কলি ৩.০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা ২.৭০ শতাংশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা ২.০৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
অন্য দলের ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এদের মধ্যে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল এবং ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল সরকার গঠনের জন্য বিএনপি, যার কোনো প্রার্থী জামানত হারায়নি। বিরোধী দলের আসনে বসা জামায়াতে ইসলামী ২২৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, যেখানে তিনজন নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ১৯৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যেখানে মাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গঠিত তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যার মধ্যে তিনজন জামানত হারান। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ ও নাগরিক ঐক্যসহ অন্যান্য দলের বেশিরভাগ প্রার্থীও জামানত হারাতে হয়েছে।




