ভোটের দিন বন্ধ থাকবে যেসব সেবা

ভোটের দিন বন্ধ থাকবে যেসব সেবা
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সরকার কয়েকটি জরুরি সেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মোটরসাইকেলসহ পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি থাকবে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস (বিকাশ, নগদ ও রকেট) এর লেনদেনও সীমিত রাখা হয়েছে। তবে রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের ভাষ্য, নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ভোটকে কেন্দ্র করে আজ বুধবার ও আগামীকাল ঢাকাসহ সারা দেশের বড় দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোটের দিন পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরাও।
ভোটের দিন সারা দেশে যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) পৃথকভাবে নির্দেশনা দিয়েছে। ইসি জানিয়েছে, আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য ব্যক্তিগত কার ব্যবহার করতে পারবেন। রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছে ইসি।
এদিকে, গতকাল রাত ১২টা থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে ইসির অনুমোদিত স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ও জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবেন।
এ ছাড়া জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলে বাধা থাকবে না। বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্যও বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন ও প্রয়োজনীয় স্থানীয় চলাচলেও শিথিলতা বজায় থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের জন্য বিশেষ সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি এবং নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী ও এজেন্টরা একটি করে ছোট যান (জিপ, কার অথবা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন এ বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবা সচল রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে।
এদিকে, রাজধানীতে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
গত রবিবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (এমটিসিএল) পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোট চলাকালে স্বাভাবিক সময়সূচির পাশাপাশি অতিরিক্ত মেট্রো ট্রেন পরিচালনা করা হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), যেমন বিকাশ, নগদ ও রকেটের লেনদেনে বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে, যা ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। টানা ৯৬ ঘণ্টা গ্রাহকরা সীমিত কিছু সেবা ব্যবহার করতে পারলেও ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউটের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় অবৈধ অর্থের প্রভাব রোধে ব্যক্তিগত (পারসোনাল) অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে এ সময়ে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে তাদের হিসাবে টাকা জমা দিতে বা নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সরকার কয়েকটি জরুরি সেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মোটরসাইকেলসহ পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি থাকবে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস (বিকাশ, নগদ ও রকেট) এর লেনদেনও সীমিত রাখা হয়েছে। তবে রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের ভাষ্য, নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ভোটকে কেন্দ্র করে আজ বুধবার ও আগামীকাল ঢাকাসহ সারা দেশের বড় দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোটের দিন পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরাও।
ভোটের দিন সারা দেশে যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) পৃথকভাবে নির্দেশনা দিয়েছে। ইসি জানিয়েছে, আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য ব্যক্তিগত কার ব্যবহার করতে পারবেন। রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছে ইসি।
এদিকে, গতকাল রাত ১২টা থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে ইসির অনুমোদিত স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ও জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবেন।
এ ছাড়া জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলে বাধা থাকবে না। বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্যও বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন ও প্রয়োজনীয় স্থানীয় চলাচলেও শিথিলতা বজায় থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের জন্য বিশেষ সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি এবং নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী ও এজেন্টরা একটি করে ছোট যান (জিপ, কার অথবা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন এ বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবা সচল রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে।
এদিকে, রাজধানীতে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
গত রবিবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (এমটিসিএল) পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোট চলাকালে স্বাভাবিক সময়সূচির পাশাপাশি অতিরিক্ত মেট্রো ট্রেন পরিচালনা করা হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), যেমন বিকাশ, নগদ ও রকেটের লেনদেনে বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে, যা ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। টানা ৯৬ ঘণ্টা গ্রাহকরা সীমিত কিছু সেবা ব্যবহার করতে পারলেও ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউটের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় অবৈধ অর্থের প্রভাব রোধে ব্যক্তিগত (পারসোনাল) অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে এ সময়ে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে তাদের হিসাবে টাকা জমা দিতে বা নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না।

ভোটের দিন বন্ধ থাকবে যেসব সেবা
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সরকার কয়েকটি জরুরি সেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মোটরসাইকেলসহ পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি থাকবে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস (বিকাশ, নগদ ও রকেট) এর লেনদেনও সীমিত রাখা হয়েছে। তবে রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের ভাষ্য, নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ভোটকে কেন্দ্র করে আজ বুধবার ও আগামীকাল ঢাকাসহ সারা দেশের বড় দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোটের দিন পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরাও।
ভোটের দিন সারা দেশে যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) পৃথকভাবে নির্দেশনা দিয়েছে। ইসি জানিয়েছে, আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য ব্যক্তিগত কার ব্যবহার করতে পারবেন। রাজধানীতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছে ইসি।
এদিকে, গতকাল রাত ১২টা থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে ইসির অনুমোদিত স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ও জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবেন।
এ ছাড়া জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলে বাধা থাকবে না। বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্যও বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন ও প্রয়োজনীয় স্থানীয় চলাচলেও শিথিলতা বজায় থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের জন্য বিশেষ সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি এবং নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী ও এজেন্টরা একটি করে ছোট যান (জিপ, কার অথবা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন এ বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবা সচল রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে।
এদিকে, রাজধানীতে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
গত রবিবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (এমটিসিএল) পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোট চলাকালে স্বাভাবিক সময়সূচির পাশাপাশি অতিরিক্ত মেট্রো ট্রেন পরিচালনা করা হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), যেমন বিকাশ, নগদ ও রকেটের লেনদেনে বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে, যা ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। টানা ৯৬ ঘণ্টা গ্রাহকরা সীমিত কিছু সেবা ব্যবহার করতে পারলেও ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউটের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় অবৈধ অর্থের প্রভাব রোধে ব্যক্তিগত (পারসোনাল) অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে এ সময়ে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে তাদের হিসাবে টাকা জমা দিতে বা নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না।




