নির্বাচনে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না: আইজিপি

নির্বাচনে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণাকালে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, এখনো সেই শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আইজিপি। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর জঙ্গি হামলার বিষয়ে সতর্কতা বেড়েছে। এই মুহূর্তে তীব্র আশঙ্কা বোধ করছি না, তবে উড়িয়েও দিচ্ছি না। হামলা মোকাবিলায় আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।
নির্বাচনে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, পুলিশের প্রধান উদ্বেগ ছিল প্রচার অভিযানের সময়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনবিরোধী ও ধর্মভিত্তিক মতাদর্শে বিশ্বাসী কিছু গোষ্ঠী তথাকথিত ‘ওয়েস্টার্ন ডেমোক্রেসি’র বিরোধিতা করে প্রচারণাকালে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে– এমন আশঙ্কা ছিল। তবে প্রচার শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো বড় ঘটনা না ঘটায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে করেন তিনি।
নির্বাচনকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আইজিপি জানান, ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি প্রায় ছয় লাখ আনসার, এক লাখ সেনা সদস্য, বিজিবি ও র্যাব মোতায়েন থাকবে।
‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় আইজিপি বলেন, দুর্গম এলাকা, প্রার্থীদের অবস্থান, ভোটারদের মনোভাব ও আধিপত্যসহ বিভিন্ন বিবেচনায় ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬ হাজার কেন্দ্র রয়েছে ‘মাঝারি ঝুঁকিতে’।
অস্ত্র সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র লুট হয়। এ ছাড়া থানায় জমা থাকা ব্যক্তিগত লাইসেন্সধারীদের প্রায় এক হাজার অস্ত্রও লুট হয়েছে।
তিনি বলেন, যে কোনো অবৈধ অস্ত্রই হুমকি। এসব মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের আগে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে আইজিপি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে। কেউ কেউ দেশের বাইরে থাকায় তাদের অস্ত্র জমা পড়েনি, তবে এ সংখ্যা খুবই কম বলে জানান তিনি।
আইজিপি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১৭টি নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ৬১৩ জন আহত হয়েছেন। ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনাকে তিনি ‘রাজনৈতিক’ বলে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি ঘটনার তদন্ত চলছে।
নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে থাকবে স্ট্যাটিক ফোর্স, এর বাইরে মোবাইল টিম এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৩ হাজার অপরাধী ও ৩৫২ জন ‘শুটারের’ তালিকা প্রসঙ্গে আইজিপি জানান, তালিকাটির উৎস তিনি নিশ্চিত নন। তবে তার মতে, ১৮ কোটি মানুষের দেশে এই সংখ্যক অপরাধী নির্বাচন বানচাল করতে পারবে– এমন আশঙ্কা নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু পুরো নির্বাচন ব্যাহত করার মতো শক্তি এখন নেই।
ভোট যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হয়, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইজিপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণাকালে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, এখনো সেই শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আইজিপি। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর জঙ্গি হামলার বিষয়ে সতর্কতা বেড়েছে। এই মুহূর্তে তীব্র আশঙ্কা বোধ করছি না, তবে উড়িয়েও দিচ্ছি না। হামলা মোকাবিলায় আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।
নির্বাচনে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, পুলিশের প্রধান উদ্বেগ ছিল প্রচার অভিযানের সময়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনবিরোধী ও ধর্মভিত্তিক মতাদর্শে বিশ্বাসী কিছু গোষ্ঠী তথাকথিত ‘ওয়েস্টার্ন ডেমোক্রেসি’র বিরোধিতা করে প্রচারণাকালে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে– এমন আশঙ্কা ছিল। তবে প্রচার শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো বড় ঘটনা না ঘটায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে করেন তিনি।
নির্বাচনকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আইজিপি জানান, ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি প্রায় ছয় লাখ আনসার, এক লাখ সেনা সদস্য, বিজিবি ও র্যাব মোতায়েন থাকবে।
‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় আইজিপি বলেন, দুর্গম এলাকা, প্রার্থীদের অবস্থান, ভোটারদের মনোভাব ও আধিপত্যসহ বিভিন্ন বিবেচনায় ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬ হাজার কেন্দ্র রয়েছে ‘মাঝারি ঝুঁকিতে’।
অস্ত্র সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র লুট হয়। এ ছাড়া থানায় জমা থাকা ব্যক্তিগত লাইসেন্সধারীদের প্রায় এক হাজার অস্ত্রও লুট হয়েছে।
তিনি বলেন, যে কোনো অবৈধ অস্ত্রই হুমকি। এসব মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের আগে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে আইজিপি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে। কেউ কেউ দেশের বাইরে থাকায় তাদের অস্ত্র জমা পড়েনি, তবে এ সংখ্যা খুবই কম বলে জানান তিনি।
আইজিপি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১৭টি নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ৬১৩ জন আহত হয়েছেন। ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনাকে তিনি ‘রাজনৈতিক’ বলে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি ঘটনার তদন্ত চলছে।
নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে থাকবে স্ট্যাটিক ফোর্স, এর বাইরে মোবাইল টিম এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৩ হাজার অপরাধী ও ৩৫২ জন ‘শুটারের’ তালিকা প্রসঙ্গে আইজিপি জানান, তালিকাটির উৎস তিনি নিশ্চিত নন। তবে তার মতে, ১৮ কোটি মানুষের দেশে এই সংখ্যক অপরাধী নির্বাচন বানচাল করতে পারবে– এমন আশঙ্কা নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু পুরো নির্বাচন ব্যাহত করার মতো শক্তি এখন নেই।
ভোট যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হয়, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইজিপি।

নির্বাচনে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণাকালে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, এখনো সেই শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আইজিপি। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর জঙ্গি হামলার বিষয়ে সতর্কতা বেড়েছে। এই মুহূর্তে তীব্র আশঙ্কা বোধ করছি না, তবে উড়িয়েও দিচ্ছি না। হামলা মোকাবিলায় আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।
নির্বাচনে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, পুলিশের প্রধান উদ্বেগ ছিল প্রচার অভিযানের সময়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনবিরোধী ও ধর্মভিত্তিক মতাদর্শে বিশ্বাসী কিছু গোষ্ঠী তথাকথিত ‘ওয়েস্টার্ন ডেমোক্রেসি’র বিরোধিতা করে প্রচারণাকালে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে– এমন আশঙ্কা ছিল। তবে প্রচার শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো বড় ঘটনা না ঘটায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে করেন তিনি।
নির্বাচনকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আইজিপি জানান, ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি প্রায় ছয় লাখ আনসার, এক লাখ সেনা সদস্য, বিজিবি ও র্যাব মোতায়েন থাকবে।
‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় আইজিপি বলেন, দুর্গম এলাকা, প্রার্থীদের অবস্থান, ভোটারদের মনোভাব ও আধিপত্যসহ বিভিন্ন বিবেচনায় ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬ হাজার কেন্দ্র রয়েছে ‘মাঝারি ঝুঁকিতে’।
অস্ত্র সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের ১ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র লুট হয়। এ ছাড়া থানায় জমা থাকা ব্যক্তিগত লাইসেন্সধারীদের প্রায় এক হাজার অস্ত্রও লুট হয়েছে।
তিনি বলেন, যে কোনো অবৈধ অস্ত্রই হুমকি। এসব মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের আগে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে আইজিপি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে। কেউ কেউ দেশের বাইরে থাকায় তাদের অস্ত্র জমা পড়েনি, তবে এ সংখ্যা খুবই কম বলে জানান তিনি।
আইজিপি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১৭টি নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ৬১৩ জন আহত হয়েছেন। ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনাকে তিনি ‘রাজনৈতিক’ বলে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি ঘটনার তদন্ত চলছে।
নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে থাকবে স্ট্যাটিক ফোর্স, এর বাইরে মোবাইল টিম এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৩ হাজার অপরাধী ও ৩৫২ জন ‘শুটারের’ তালিকা প্রসঙ্গে আইজিপি জানান, তালিকাটির উৎস তিনি নিশ্চিত নন। তবে তার মতে, ১৮ কোটি মানুষের দেশে এই সংখ্যক অপরাধী নির্বাচন বানচাল করতে পারবে– এমন আশঙ্কা নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু পুরো নির্বাচন ব্যাহত করার মতো শক্তি এখন নেই।
ভোট যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হয়, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইজিপি।




