ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল, রাজস্বের বড় অংশ যাবে জাপানে

ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল, রাজস্বের বড় অংশ যাবে জাপানে
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের চুক্তি নিয়ে যে জট ছিল, সেটা কেটে গেছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত চুক্তির প্রস্তাব এরই মধ্যে জাপানি প্রতিষ্ঠানকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচকের একটি সূত্র। সব ঠিক থাকলে জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালনা চুক্তি সই হবে। চুক্তি সইয়ের মাস পাঁচেক পর আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পুরোদমে চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল।
চুক্তি অনুযায়ী থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার চারটি খাত থেকে আসা রাজস্বের বড় অংশই পাবে জাপান। হিসাবটা এ রকম– থার্ড টার্মিনাল থেকে আসা রাজস্বের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপান, বাকি ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ। থার্ড টার্মিনালের কাঠামোগত নির্মাণকাজ ২০২৪ সালেই শেষ হয়েছিল। তবে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, রাজস্ব বণ্টন আর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমান পরিচালনা চুক্তির প্রস্তাব অনুয়ায়ী টার্মিনালের এমবার্কেশন ফি, দোকান ও লাউঞ্জ ভাড়া, কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ এবং কার পার্কিং ভাড়া থেকে রাজস্ব আদায় করবে জাপানি কনসোর্টিয়াম (জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, নিপ্পন কোই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন)।
তবে ওভারফ্লাইং চার্জ ও বিমান অবতরণ ফিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর রাজস্ব আদায়ের ভার বেবিচকের হাতেই থাকবে। এ ছাড়া কাস্টমস, নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রমও তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে।
অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (মিতসুবিশি করপোরেশন, ফুজিতা করপোরেশন এবং স্যামসাং সি অ্যান্ড টি করপোরেশন) ২১,৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত থার্ড টার্মিনালটির কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন করা হয়েছিল। টার্মিনালটিতে রয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার ফ্লোর স্পেস। আছে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার, ৬৬টি বহির্গমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক, ৫৯টি আগমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং ৩টি ভিআইপি ইমিগ্রেশন ডেস্ক।
থার্ড টার্মিনাল পুরোদমে চালু হলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী ও পণ্য পরিবহন দ্বিগুণ হবে। এই বিমানবন্দর দিয়ে বর্তমানে বছরে ৮০ লাখ যাতায়াত করে এবং ৫ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের চুক্তি নিয়ে যে জট ছিল, সেটা কেটে গেছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত চুক্তির প্রস্তাব এরই মধ্যে জাপানি প্রতিষ্ঠানকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচকের একটি সূত্র। সব ঠিক থাকলে জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালনা চুক্তি সই হবে। চুক্তি সইয়ের মাস পাঁচেক পর আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পুরোদমে চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল।
চুক্তি অনুযায়ী থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার চারটি খাত থেকে আসা রাজস্বের বড় অংশই পাবে জাপান। হিসাবটা এ রকম– থার্ড টার্মিনাল থেকে আসা রাজস্বের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপান, বাকি ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ। থার্ড টার্মিনালের কাঠামোগত নির্মাণকাজ ২০২৪ সালেই শেষ হয়েছিল। তবে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, রাজস্ব বণ্টন আর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমান পরিচালনা চুক্তির প্রস্তাব অনুয়ায়ী টার্মিনালের এমবার্কেশন ফি, দোকান ও লাউঞ্জ ভাড়া, কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ এবং কার পার্কিং ভাড়া থেকে রাজস্ব আদায় করবে জাপানি কনসোর্টিয়াম (জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, নিপ্পন কোই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন)।
তবে ওভারফ্লাইং চার্জ ও বিমান অবতরণ ফিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর রাজস্ব আদায়ের ভার বেবিচকের হাতেই থাকবে। এ ছাড়া কাস্টমস, নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রমও তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে।
অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (মিতসুবিশি করপোরেশন, ফুজিতা করপোরেশন এবং স্যামসাং সি অ্যান্ড টি করপোরেশন) ২১,৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত থার্ড টার্মিনালটির কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন করা হয়েছিল। টার্মিনালটিতে রয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার ফ্লোর স্পেস। আছে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার, ৬৬টি বহির্গমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক, ৫৯টি আগমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং ৩টি ভিআইপি ইমিগ্রেশন ডেস্ক।
থার্ড টার্মিনাল পুরোদমে চালু হলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী ও পণ্য পরিবহন দ্বিগুণ হবে। এই বিমানবন্দর দিয়ে বর্তমানে বছরে ৮০ লাখ যাতায়াত করে এবং ৫ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়।

ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল, রাজস্বের বড় অংশ যাবে জাপানে
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের চুক্তি নিয়ে যে জট ছিল, সেটা কেটে গেছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত চুক্তির প্রস্তাব এরই মধ্যে জাপানি প্রতিষ্ঠানকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচকের একটি সূত্র। সব ঠিক থাকলে জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালনা চুক্তি সই হবে। চুক্তি সইয়ের মাস পাঁচেক পর আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পুরোদমে চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল।
চুক্তি অনুযায়ী থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার চারটি খাত থেকে আসা রাজস্বের বড় অংশই পাবে জাপান। হিসাবটা এ রকম– থার্ড টার্মিনাল থেকে আসা রাজস্বের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপান, বাকি ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ। থার্ড টার্মিনালের কাঠামোগত নির্মাণকাজ ২০২৪ সালেই শেষ হয়েছিল। তবে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, রাজস্ব বণ্টন আর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমান পরিচালনা চুক্তির প্রস্তাব অনুয়ায়ী টার্মিনালের এমবার্কেশন ফি, দোকান ও লাউঞ্জ ভাড়া, কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ এবং কার পার্কিং ভাড়া থেকে রাজস্ব আদায় করবে জাপানি কনসোর্টিয়াম (জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, নিপ্পন কোই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন)।
তবে ওভারফ্লাইং চার্জ ও বিমান অবতরণ ফিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর রাজস্ব আদায়ের ভার বেবিচকের হাতেই থাকবে। এ ছাড়া কাস্টমস, নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রমও তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে।
অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (মিতসুবিশি করপোরেশন, ফুজিতা করপোরেশন এবং স্যামসাং সি অ্যান্ড টি করপোরেশন) ২১,৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত থার্ড টার্মিনালটির কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন করা হয়েছিল। টার্মিনালটিতে রয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার ফ্লোর স্পেস। আছে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার, ৬৬টি বহির্গমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক, ৫৯টি আগমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং ৩টি ভিআইপি ইমিগ্রেশন ডেস্ক।
থার্ড টার্মিনাল পুরোদমে চালু হলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী ও পণ্য পরিবহন দ্বিগুণ হবে। এই বিমানবন্দর দিয়ে বর্তমানে বছরে ৮০ লাখ যাতায়াত করে এবং ৫ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়।




