দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মকে কেন্দ্র করে দেশে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করে সম্মিলিত সনাতন পরিষদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের মূল দুর্বলতা হলো আমরা এখনও একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারিনি। বিগত ১৫ বছরে দেশের গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা অতীতের সেই ক্ষত কাটিয়ে এখন নতুন করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।’
একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। তবে যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে ফাটল ধরাতে চায়, তাদের যে কোনো মূল্যে রুখে দিতে হবে।’
সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’
এর আগে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মকে কেন্দ্র করে দেশে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করে সম্মিলিত সনাতন পরিষদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের মূল দুর্বলতা হলো আমরা এখনও একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারিনি। বিগত ১৫ বছরে দেশের গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা অতীতের সেই ক্ষত কাটিয়ে এখন নতুন করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।’
একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। তবে যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে ফাটল ধরাতে চায়, তাদের যে কোনো মূল্যে রুখে দিতে হবে।’
সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’
এর আগে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মকে কেন্দ্র করে দেশে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করে সম্মিলিত সনাতন পরিষদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের মূল দুর্বলতা হলো আমরা এখনও একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারিনি। বিগত ১৫ বছরে দেশের গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। তবে আমরা অতীতের সেই ক্ষত কাটিয়ে এখন নতুন করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।’
একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। তবে যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে ফাটল ধরাতে চায়, তাদের যে কোনো মূল্যে রুখে দিতে হবে।’
সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’
এর আগে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়ন করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী


-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)


-CznNewsLab-d8d3db-480x270.webp)

