তফসিল ঘোষণার পর ৪ জনের মৃত্যু: যা বললেন প্রেস সচিব

তফসিল ঘোষণার পর ৪ জনের মৃত্যু: যা বললেন প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা বাহিনী ধাপে ধাপে মোতায়েনের ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলো আরও ভালো যাবে।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল আলম বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ধীরে ধীরে মোতায়েন করা হচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে,ইনশাআল্লাহ।’
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত দলগুলো সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে। পুলিশের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আগের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। যদিও এখনো নির্বাচনের দুই সপ্তাহ বাকি, তারপরও দেখা যায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ১১৫ জন নিহত হয়েছিল।’
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো মোটামুটি সুষ্ঠুভাবেই প্রচার চালাচ্ছে এবং নির্বাচন আইন ও আচরণবিধি মেনে চলছে।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাও ঘটেছে।’
শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, প্রাপ্ত তথ্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করছে। প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করা হলে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা বাহিনী ধাপে ধাপে মোতায়েনের ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলো আরও ভালো যাবে।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল আলম বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ধীরে ধীরে মোতায়েন করা হচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে,ইনশাআল্লাহ।’
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত দলগুলো সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে। পুলিশের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আগের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। যদিও এখনো নির্বাচনের দুই সপ্তাহ বাকি, তারপরও দেখা যায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ১১৫ জন নিহত হয়েছিল।’
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো মোটামুটি সুষ্ঠুভাবেই প্রচার চালাচ্ছে এবং নির্বাচন আইন ও আচরণবিধি মেনে চলছে।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাও ঘটেছে।’
শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, প্রাপ্ত তথ্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করছে। প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করা হলে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

তফসিল ঘোষণার পর ৪ জনের মৃত্যু: যা বললেন প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা বাহিনী ধাপে ধাপে মোতায়েনের ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘সামনের দিনগুলো আরও ভালো যাবে।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল আলম বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ধীরে ধীরে মোতায়েন করা হচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে,ইনশাআল্লাহ।’
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত দলগুলো সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে। পুলিশের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আগের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। যদিও এখনো নির্বাচনের দুই সপ্তাহ বাকি, তারপরও দেখা যায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ১১৫ জন নিহত হয়েছিল।’
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো মোটামুটি সুষ্ঠুভাবেই প্রচার চালাচ্ছে এবং নির্বাচন আইন ও আচরণবিধি মেনে চলছে।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাও ঘটেছে।’
শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, প্রাপ্ত তথ্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করছে। প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করা হলে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’




