ইসি সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন সফল করবে

ইসি সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন সফল করবে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমরা একটা ক্রান্তিকালে এ গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছি। সংবিধান ও আরপিও অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য যা যা করার সব প্রস্তুতি নিয়েছি।
তিনি বলেন, মাঠের অবস্থা উৎসবমুখর। আশা করি ইসি সর্বশক্তি দিয়ে এ নির্বাচন সফল করবে। নির্বাচন সুষ্ঠু এ শান্তিপূর্ণ হবে। বিগত নির্বাচনের সঙ্গে এর তুলনা করা ঠিক হবে না।
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও কূটনৈতিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই ব্রিফিং শুরু হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। লিঙ্গ, বয়স নির্বিশেষে ভোটারদের অবাধে ভোটদানে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কেন্দ্রে ভোটারের যথাযথ পরিচয় যাচাইয়ের পরই ব্যালট পেপার ইস্যু করা হয় এবং নির্ধারিত বিধি অনুসারে গোপন কক্ষে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। কোনো নির্বাচনী বিরোধ দেখা দিলে তা প্রচলিত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কঠোরভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।
সিইসি বলেন, স্বচ্ছতা আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনার অন্যতম ভিত্তি। প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও কাভার করছেন।
পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কমিশনের যাত্রার প্রথম দিন থেকেই স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ মাত্রার স্বচ্ছতা ও জনআস্থা নিশ্চিত করতে আপনাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সিইসি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি, আইনি সংস্কার, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ এবং পরিচালনাগত পরিকল্পনাসহ সমন্বিত ও বহুমাত্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।
ভোটার নিবন্ধনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদের মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ লাখ নারী। এর ফলে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। তথ্যের নির্ভুলতাও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
ডাকযোগে ভোটিং ব্যবস্থা সম্পর্কে নাসির উদ্দিন বলেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আইটি-সমর্থিত ডাক ভোটিংয়ের মাধ্যমে দেশের বাইরে থেকে ভোটদানের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সীমিত প্রস্তুতি ও প্রচার সময় থাকা সত্ত্বেও সাড়া আশাব্যঞ্জক– প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। একই সঙ্গে দেশের ভেতরেও নির্ধারিত শ্রেণির ভোটারদের জন্য ডাক ভোটিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সব ধরনের পরিচালনাগত প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সব নির্বাচনী সামগ্রী, ব্যালট পেপারসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে এরইমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার বিতরণ করা হচ্ছে।
সিইসি জানান, একদিনেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শেষ হবে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তারা ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের বা তাদের মনোনীত এজেন্টদের পাশাপাশি স্বীকৃত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ ও গণনা পরিচালনা করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রেই ভোট গণনা করা হবে।
নাসির উদ্দিন বলেন, গণনা শেষ হওয়ার পর ফলাফল ভোটকেন্দ্রেই ঘোষণা করা হবে এবং পরে রিটার্নিং কর্মকর্তারা তা সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন।
ব্রিফিংয়ে চার নির্বাচন কমিশনার– আবদুর রহমানেল মাসুদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমরা একটা ক্রান্তিকালে এ গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছি। সংবিধান ও আরপিও অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য যা যা করার সব প্রস্তুতি নিয়েছি।
তিনি বলেন, মাঠের অবস্থা উৎসবমুখর। আশা করি ইসি সর্বশক্তি দিয়ে এ নির্বাচন সফল করবে। নির্বাচন সুষ্ঠু এ শান্তিপূর্ণ হবে। বিগত নির্বাচনের সঙ্গে এর তুলনা করা ঠিক হবে না।
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও কূটনৈতিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই ব্রিফিং শুরু হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। লিঙ্গ, বয়স নির্বিশেষে ভোটারদের অবাধে ভোটদানে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কেন্দ্রে ভোটারের যথাযথ পরিচয় যাচাইয়ের পরই ব্যালট পেপার ইস্যু করা হয় এবং নির্ধারিত বিধি অনুসারে গোপন কক্ষে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। কোনো নির্বাচনী বিরোধ দেখা দিলে তা প্রচলিত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কঠোরভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।
সিইসি বলেন, স্বচ্ছতা আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনার অন্যতম ভিত্তি। প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও কাভার করছেন।
পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কমিশনের যাত্রার প্রথম দিন থেকেই স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ মাত্রার স্বচ্ছতা ও জনআস্থা নিশ্চিত করতে আপনাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সিইসি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি, আইনি সংস্কার, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ এবং পরিচালনাগত পরিকল্পনাসহ সমন্বিত ও বহুমাত্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।
ভোটার নিবন্ধনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদের মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ লাখ নারী। এর ফলে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। তথ্যের নির্ভুলতাও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
ডাকযোগে ভোটিং ব্যবস্থা সম্পর্কে নাসির উদ্দিন বলেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আইটি-সমর্থিত ডাক ভোটিংয়ের মাধ্যমে দেশের বাইরে থেকে ভোটদানের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সীমিত প্রস্তুতি ও প্রচার সময় থাকা সত্ত্বেও সাড়া আশাব্যঞ্জক– প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। একই সঙ্গে দেশের ভেতরেও নির্ধারিত শ্রেণির ভোটারদের জন্য ডাক ভোটিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সব ধরনের পরিচালনাগত প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সব নির্বাচনী সামগ্রী, ব্যালট পেপারসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে এরইমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার বিতরণ করা হচ্ছে।
সিইসি জানান, একদিনেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শেষ হবে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তারা ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের বা তাদের মনোনীত এজেন্টদের পাশাপাশি স্বীকৃত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ ও গণনা পরিচালনা করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রেই ভোট গণনা করা হবে।
নাসির উদ্দিন বলেন, গণনা শেষ হওয়ার পর ফলাফল ভোটকেন্দ্রেই ঘোষণা করা হবে এবং পরে রিটার্নিং কর্মকর্তারা তা সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন।
ব্রিফিংয়ে চার নির্বাচন কমিশনার– আবদুর রহমানেল মাসুদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ।

ইসি সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন সফল করবে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমরা একটা ক্রান্তিকালে এ গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছি। সংবিধান ও আরপিও অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য যা যা করার সব প্রস্তুতি নিয়েছি।
তিনি বলেন, মাঠের অবস্থা উৎসবমুখর। আশা করি ইসি সর্বশক্তি দিয়ে এ নির্বাচন সফল করবে। নির্বাচন সুষ্ঠু এ শান্তিপূর্ণ হবে। বিগত নির্বাচনের সঙ্গে এর তুলনা করা ঠিক হবে না।
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও কূটনৈতিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই ব্রিফিং শুরু হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। লিঙ্গ, বয়স নির্বিশেষে ভোটারদের অবাধে ভোটদানে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কেন্দ্রে ভোটারের যথাযথ পরিচয় যাচাইয়ের পরই ব্যালট পেপার ইস্যু করা হয় এবং নির্ধারিত বিধি অনুসারে গোপন কক্ষে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। কোনো নির্বাচনী বিরোধ দেখা দিলে তা প্রচলিত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কঠোরভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।
সিইসি বলেন, স্বচ্ছতা আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনার অন্যতম ভিত্তি। প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও কাভার করছেন।
পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কমিশনের যাত্রার প্রথম দিন থেকেই স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ মাত্রার স্বচ্ছতা ও জনআস্থা নিশ্চিত করতে আপনাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সিইসি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি, আইনি সংস্কার, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ এবং পরিচালনাগত পরিকল্পনাসহ সমন্বিত ও বহুমাত্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।
ভোটার নিবন্ধনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদের মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ লাখ নারী। এর ফলে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। তথ্যের নির্ভুলতাও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
ডাকযোগে ভোটিং ব্যবস্থা সম্পর্কে নাসির উদ্দিন বলেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আইটি-সমর্থিত ডাক ভোটিংয়ের মাধ্যমে দেশের বাইরে থেকে ভোটদানের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সীমিত প্রস্তুতি ও প্রচার সময় থাকা সত্ত্বেও সাড়া আশাব্যঞ্জক– প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। একই সঙ্গে দেশের ভেতরেও নির্ধারিত শ্রেণির ভোটারদের জন্য ডাক ভোটিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সব ধরনের পরিচালনাগত প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সব নির্বাচনী সামগ্রী, ব্যালট পেপারসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে এরইমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার বিতরণ করা হচ্ছে।
সিইসি জানান, একদিনেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শেষ হবে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তারা ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের বা তাদের মনোনীত এজেন্টদের পাশাপাশি স্বীকৃত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ ও গণনা পরিচালনা করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রেই ভোট গণনা করা হবে।
নাসির উদ্দিন বলেন, গণনা শেষ হওয়ার পর ফলাফল ভোটকেন্দ্রেই ঘোষণা করা হবে এবং পরে রিটার্নিং কর্মকর্তারা তা সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন।
ব্রিফিংয়ে চার নির্বাচন কমিশনার– আবদুর রহমানেল মাসুদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ।




