হতাশার মধ্যেই শেষ হলো বইমেলা

হতাশার মধ্যেই শেষ হলো বইমেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘গতবারের মেলায় শুধু ছুটির দিনেই বই বিক্রি করেছি লাখ টাকার মতো। এবারের মেলায় ১৮ দিন মিলিয়েও লাখ খানেক টাকার বই বিক্রি হয়নি। এবারের মেলা ছিল একেবারেই লস প্রজেক্ট, ফ্লপ হয়েছে। বই বিক্রি খুবই খারাপ হয়েছে।’ বইমেলার শেষ দিন রবিবার (১৫ মার্চ) এভাবেই প্রত্যাশা অপূর্ণ থাকা আর হতাশার কথা জানালেন জিনিয়াস পাবলিকেশন্স'র বিক্রয় প্রতিনিধি স্বর্ণা রানী মন্ডল।
হতাশা নিয়ে স্বর্ণা রানী আরও বলেন, ‘পাঠক তো আসেই না। বরং দর্শনার্থী যারা আসে, তারা শুধু ছবি এবং সেলফি তুলে চলে যায়। মেলায় পাঠকের চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যাই বেশি ছিল।’ তার মতে, এবারের মেলা রোজার আগে অথবা ঈদের পরে দিলে বেচাকেনা খুব ভালো হতো।
অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এ বই বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় ছিল অনেক কম। প্রকাশক থেকে শুরু করে বিক্রয় প্রতিনিধি সবার চোখেমুখে ছিল হতাশা এবং চিন্তার ভাজ। এবার বইপ্রেমী পাঠক থেকে দর্শনার্থী সবার উপস্থিতি ছিল অনেক কম। বইয়ের স্টলগুলোতেও তেমন ভিড় ছিল না।
রবিবার শেষ দিনেও বইমেলায় পাঠকের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। মেলায় যে সকল দর্শনার্থী ছিল তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যক পাঠককে বই কিনতে দেখা গেছে। বাকিদেরকে ঘুরাঘুরি আর ছবি তুলতে দেখা যায়। এদিকে মেলা শেষ হওয়ায় কিছু কিছু স্টল থেকে বই সরিয়ে ফেলার কাজও শুরু হয় শেষ বিকালে।
কথা প্রকাশের ইনচার্জ জাফিরুল ইসলাম বলেন, ‘এবারের মেলায় আমরা হতাশ। আশানুরূপ কোনো বিক্রিই হয়নি। আশা করেছি শেষের দিকে বিক্রি ভালো হবে। কিন্তু সেটাও হয়নি। মানুষ এখন শপিং করতে ব্যস্ত, বই এখন কেউ তেমন কিনে না।’
অনুপম প্রকাশনী'র ইনচার্জও একই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেচাবিক্রি তেমন ভালো হয়নি। অন্যান্য বছর মেলার শেষ দিন খুব ভালো বেচাকেনা হতো। এবার সেটা একদমই নেই। রোজা শেষ পর্যায়ে এবং সামনে ঈদ সবকিছু মিলিয়ে মেলা এবার ভালো হয়নি।’
আগামীবছর যেন রোজার সময়ে মেলার আয়োজন করা না হয়, এই প্রত্যাশা সরকারের কাছে জানিয়েছেন তিনি।
আবির নামে একজন পাঠক বলেন, ‘এবারের বইমেলা খুবই কম সময়ের জন্য হয়েছে। শেষের দিনে বইমেলা এতো ফাঁকা থাকে, সেটা আমি কখনো দেখিনি। প্রথমবার এতো ফাঁকা দেখছি।’
বাংলা একাডেমির তথ্য অনুযায়ী মেলার শেষ দিনে নতুন বই জমা পড়েছে ২৩৬টি। বইমেলায় মোট নতুন বই এসেছে ২০০৭টি।
মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. সেলিম রেজা জানান, বইমেলায় বাংলা একাডেমিসহ সকল প্রতিষ্ঠানের বই ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি হয়েছে। বাংলা একাডেমি ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৭ দিনে ১৭,০৪,৬২৯ (সতেরো লক্ষ চার হাজার ছয়শত উনত্রিশ) টাকার বই বিক্রি করেছে।
তিনি আরও জানান, বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট ৫৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টি মিডিয়া ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৭০টি। ২৬৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১৭ দিনে তাদের মোট বিক্রির পরিমাণ ৮ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে গড় হিসাবে ৫৭০টি প্রতিষ্ঠানের বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

‘গতবারের মেলায় শুধু ছুটির দিনেই বই বিক্রি করেছি লাখ টাকার মতো। এবারের মেলায় ১৮ দিন মিলিয়েও লাখ খানেক টাকার বই বিক্রি হয়নি। এবারের মেলা ছিল একেবারেই লস প্রজেক্ট, ফ্লপ হয়েছে। বই বিক্রি খুবই খারাপ হয়েছে।’ বইমেলার শেষ দিন রবিবার (১৫ মার্চ) এভাবেই প্রত্যাশা অপূর্ণ থাকা আর হতাশার কথা জানালেন জিনিয়াস পাবলিকেশন্স'র বিক্রয় প্রতিনিধি স্বর্ণা রানী মন্ডল।
হতাশা নিয়ে স্বর্ণা রানী আরও বলেন, ‘পাঠক তো আসেই না। বরং দর্শনার্থী যারা আসে, তারা শুধু ছবি এবং সেলফি তুলে চলে যায়। মেলায় পাঠকের চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যাই বেশি ছিল।’ তার মতে, এবারের মেলা রোজার আগে অথবা ঈদের পরে দিলে বেচাকেনা খুব ভালো হতো।
অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এ বই বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় ছিল অনেক কম। প্রকাশক থেকে শুরু করে বিক্রয় প্রতিনিধি সবার চোখেমুখে ছিল হতাশা এবং চিন্তার ভাজ। এবার বইপ্রেমী পাঠক থেকে দর্শনার্থী সবার উপস্থিতি ছিল অনেক কম। বইয়ের স্টলগুলোতেও তেমন ভিড় ছিল না।
রবিবার শেষ দিনেও বইমেলায় পাঠকের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। মেলায় যে সকল দর্শনার্থী ছিল তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যক পাঠককে বই কিনতে দেখা গেছে। বাকিদেরকে ঘুরাঘুরি আর ছবি তুলতে দেখা যায়। এদিকে মেলা শেষ হওয়ায় কিছু কিছু স্টল থেকে বই সরিয়ে ফেলার কাজও শুরু হয় শেষ বিকালে।
কথা প্রকাশের ইনচার্জ জাফিরুল ইসলাম বলেন, ‘এবারের মেলায় আমরা হতাশ। আশানুরূপ কোনো বিক্রিই হয়নি। আশা করেছি শেষের দিকে বিক্রি ভালো হবে। কিন্তু সেটাও হয়নি। মানুষ এখন শপিং করতে ব্যস্ত, বই এখন কেউ তেমন কিনে না।’
অনুপম প্রকাশনী'র ইনচার্জও একই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেচাবিক্রি তেমন ভালো হয়নি। অন্যান্য বছর মেলার শেষ দিন খুব ভালো বেচাকেনা হতো। এবার সেটা একদমই নেই। রোজা শেষ পর্যায়ে এবং সামনে ঈদ সবকিছু মিলিয়ে মেলা এবার ভালো হয়নি।’
আগামীবছর যেন রোজার সময়ে মেলার আয়োজন করা না হয়, এই প্রত্যাশা সরকারের কাছে জানিয়েছেন তিনি।
আবির নামে একজন পাঠক বলেন, ‘এবারের বইমেলা খুবই কম সময়ের জন্য হয়েছে। শেষের দিনে বইমেলা এতো ফাঁকা থাকে, সেটা আমি কখনো দেখিনি। প্রথমবার এতো ফাঁকা দেখছি।’
বাংলা একাডেমির তথ্য অনুযায়ী মেলার শেষ দিনে নতুন বই জমা পড়েছে ২৩৬টি। বইমেলায় মোট নতুন বই এসেছে ২০০৭টি।
মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. সেলিম রেজা জানান, বইমেলায় বাংলা একাডেমিসহ সকল প্রতিষ্ঠানের বই ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি হয়েছে। বাংলা একাডেমি ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৭ দিনে ১৭,০৪,৬২৯ (সতেরো লক্ষ চার হাজার ছয়শত উনত্রিশ) টাকার বই বিক্রি করেছে।
তিনি আরও জানান, বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট ৫৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টি মিডিয়া ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৭০টি। ২৬৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১৭ দিনে তাদের মোট বিক্রির পরিমাণ ৮ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে গড় হিসাবে ৫৭০টি প্রতিষ্ঠানের বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

হতাশার মধ্যেই শেষ হলো বইমেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘গতবারের মেলায় শুধু ছুটির দিনেই বই বিক্রি করেছি লাখ টাকার মতো। এবারের মেলায় ১৮ দিন মিলিয়েও লাখ খানেক টাকার বই বিক্রি হয়নি। এবারের মেলা ছিল একেবারেই লস প্রজেক্ট, ফ্লপ হয়েছে। বই বিক্রি খুবই খারাপ হয়েছে।’ বইমেলার শেষ দিন রবিবার (১৫ মার্চ) এভাবেই প্রত্যাশা অপূর্ণ থাকা আর হতাশার কথা জানালেন জিনিয়াস পাবলিকেশন্স'র বিক্রয় প্রতিনিধি স্বর্ণা রানী মন্ডল।
হতাশা নিয়ে স্বর্ণা রানী আরও বলেন, ‘পাঠক তো আসেই না। বরং দর্শনার্থী যারা আসে, তারা শুধু ছবি এবং সেলফি তুলে চলে যায়। মেলায় পাঠকের চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যাই বেশি ছিল।’ তার মতে, এবারের মেলা রোজার আগে অথবা ঈদের পরে দিলে বেচাকেনা খুব ভালো হতো।
অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এ বই বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় ছিল অনেক কম। প্রকাশক থেকে শুরু করে বিক্রয় প্রতিনিধি সবার চোখেমুখে ছিল হতাশা এবং চিন্তার ভাজ। এবার বইপ্রেমী পাঠক থেকে দর্শনার্থী সবার উপস্থিতি ছিল অনেক কম। বইয়ের স্টলগুলোতেও তেমন ভিড় ছিল না।
রবিবার শেষ দিনেও বইমেলায় পাঠকের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। মেলায় যে সকল দর্শনার্থী ছিল তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যক পাঠককে বই কিনতে দেখা গেছে। বাকিদেরকে ঘুরাঘুরি আর ছবি তুলতে দেখা যায়। এদিকে মেলা শেষ হওয়ায় কিছু কিছু স্টল থেকে বই সরিয়ে ফেলার কাজও শুরু হয় শেষ বিকালে।
কথা প্রকাশের ইনচার্জ জাফিরুল ইসলাম বলেন, ‘এবারের মেলায় আমরা হতাশ। আশানুরূপ কোনো বিক্রিই হয়নি। আশা করেছি শেষের দিকে বিক্রি ভালো হবে। কিন্তু সেটাও হয়নি। মানুষ এখন শপিং করতে ব্যস্ত, বই এখন কেউ তেমন কিনে না।’
অনুপম প্রকাশনী'র ইনচার্জও একই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেচাবিক্রি তেমন ভালো হয়নি। অন্যান্য বছর মেলার শেষ দিন খুব ভালো বেচাকেনা হতো। এবার সেটা একদমই নেই। রোজা শেষ পর্যায়ে এবং সামনে ঈদ সবকিছু মিলিয়ে মেলা এবার ভালো হয়নি।’
আগামীবছর যেন রোজার সময়ে মেলার আয়োজন করা না হয়, এই প্রত্যাশা সরকারের কাছে জানিয়েছেন তিনি।
আবির নামে একজন পাঠক বলেন, ‘এবারের বইমেলা খুবই কম সময়ের জন্য হয়েছে। শেষের দিনে বইমেলা এতো ফাঁকা থাকে, সেটা আমি কখনো দেখিনি। প্রথমবার এতো ফাঁকা দেখছি।’
বাংলা একাডেমির তথ্য অনুযায়ী মেলার শেষ দিনে নতুন বই জমা পড়েছে ২৩৬টি। বইমেলায় মোট নতুন বই এসেছে ২০০৭টি।
মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. সেলিম রেজা জানান, বইমেলায় বাংলা একাডেমিসহ সকল প্রতিষ্ঠানের বই ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি হয়েছে। বাংলা একাডেমি ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৭ দিনে ১৭,০৪,৬২৯ (সতেরো লক্ষ চার হাজার ছয়শত উনত্রিশ) টাকার বই বিক্রি করেছে।
তিনি আরও জানান, বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট ৫৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টি মিডিয়া ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৭০টি। ২৬৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১৭ দিনে তাদের মোট বিক্রির পরিমাণ ৮ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে গড় হিসাবে ৫৭০টি প্রতিষ্ঠানের বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা।




