নতুন মন্ত্রিসভায় তিন নারী

নতুন মন্ত্রিসভায় তিন নারী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির নতুন সরকারে তিনজন নারী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তারা হলেন– আফরোজা খানম রিতা, শামা ওবায়েদ ও ফারজানা শারমিন পুতুল।
এবারই প্রথম তারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনজনেরই বাবা একসময় মন্ত্রিসভায় ছিলেন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য ছিলেন ৮ জন, যা ছিল ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আফরোজা খানম
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে দুটি আসনে জয়লাভ করার পর তিনি (দপ্তরবিহীন) মন্ত্রী হন।
শামা ওবায়েদ
ফরিদপুর-২ আসনের এমপি শামা ওবায়েদ পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে।
ওবায়দুর রহমান ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন।
ফারজানা শারমিন পুতুল
নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনের এমপি ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বাবা ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১ সালের বিএনপি সরকারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ২০০১ সালের চারদলীয় জোট সরকারে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সরকার সাজিয়েছেন একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এ সরকারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।
নতুন সরকারের দায়িত্ব বণ্টনে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। বিএনপির না হয়েও এবং এমপি না হয়েও সেই দায়িত্ব পেয়েছেন খলিলুর রহমান, যিনি মঙ্গলবার বিকালে শপথ অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।

বিএনপির নতুন সরকারে তিনজন নারী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তারা হলেন– আফরোজা খানম রিতা, শামা ওবায়েদ ও ফারজানা শারমিন পুতুল।
এবারই প্রথম তারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনজনেরই বাবা একসময় মন্ত্রিসভায় ছিলেন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য ছিলেন ৮ জন, যা ছিল ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আফরোজা খানম
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে দুটি আসনে জয়লাভ করার পর তিনি (দপ্তরবিহীন) মন্ত্রী হন।
শামা ওবায়েদ
ফরিদপুর-২ আসনের এমপি শামা ওবায়েদ পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে।
ওবায়দুর রহমান ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন।
ফারজানা শারমিন পুতুল
নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনের এমপি ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বাবা ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১ সালের বিএনপি সরকারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ২০০১ সালের চারদলীয় জোট সরকারে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সরকার সাজিয়েছেন একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এ সরকারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।
নতুন সরকারের দায়িত্ব বণ্টনে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। বিএনপির না হয়েও এবং এমপি না হয়েও সেই দায়িত্ব পেয়েছেন খলিলুর রহমান, যিনি মঙ্গলবার বিকালে শপথ অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।

নতুন মন্ত্রিসভায় তিন নারী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির নতুন সরকারে তিনজন নারী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তারা হলেন– আফরোজা খানম রিতা, শামা ওবায়েদ ও ফারজানা শারমিন পুতুল।
এবারই প্রথম তারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনজনেরই বাবা একসময় মন্ত্রিসভায় ছিলেন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য ছিলেন ৮ জন, যা ছিল ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আফরোজা খানম
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তার বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে দুটি আসনে জয়লাভ করার পর তিনি (দপ্তরবিহীন) মন্ত্রী হন।
শামা ওবায়েদ
ফরিদপুর-২ আসনের এমপি শামা ওবায়েদ পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে।
ওবায়দুর রহমান ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন।
ফারজানা শারমিন পুতুল
নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনের এমপি ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বাবা ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১ সালের বিএনপি সরকারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ২০০১ সালের চারদলীয় জোট সরকারে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সরকার সাজিয়েছেন একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এ সরকারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।
নতুন সরকারের দায়িত্ব বণ্টনে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। বিএনপির না হয়েও এবং এমপি না হয়েও সেই দায়িত্ব পেয়েছেন খলিলুর রহমান, যিনি মঙ্গলবার বিকালে শপথ অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।




